১৯ তম শিক্ষক নিবন্ধন পরিক্ষার সার্কুলার ২০২৪ | Nibondhon circular 2024: আসলামুআলাইকুম। আশা করি আল্লাহর রহমতে আপনারা সকলেই ভাল আছেন। উপরে টাইটেল দেখে বুঝতে পেরেছেন আজকে আমরা কি নিয়ে আলোচনা করতে যাচ্ছি। যাই হোক আজকের আর্টিকেলে আমরা ১৯ তম শিক্ষক নিবন্ধন সার্কুলার সম্পর্কে বিস্তারিত জানাতে যাচ্ছি।
শিক্ষক নিবন্ধন মূলত পরিচালনা করে থাকে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ [ এনটিআরসিএ]। প্রতিবছর শিক্ষক নিবন্ধন সার্কুলার প্রকাশ করে থাকে কর্তৃপক্ষ। ইতোমধ্যে ১৮ তম শিক্ষক নিবন্ধন সার্কুলার প্রকাশিত হয়েছে। এবং আশা করা যায় 2024 সালের মধ্যে ১৯ তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার সার্কুলার প্রকাশ করবে। তাই আপনারা যারা শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন এবং শিক্ষক নিবন্ধন সার্কুলার জন্য অপেক্ষা করছেন তাদের জন্য সুখবর।
শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে এবং অনেকেই জানতে চেয়েছেন কবে প্রকাশিত হতে পারে ১৮ তম শিক্ষক নিবন্ধনের লিখিত পরীক্ষার ফলাফল। আপনারা যারা ১৮ তম শিক্ষক নিবন্ধনের লিখিত পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছেন তাদের জন্য পূর্বের আর্টিকেলে শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার ফলাফল দেখার নিয়ম দেখানো হয়েছে। এছাড়া এখান থেকে শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার লিখিত ফলাফল দেখতে পারবেন।
এক নজরে ১৯তম এনটিআরসিএ নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০২৪
প্রতিষ্ঠানের নাম:
বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ)
নিয়োগ প্রকাশের তারিখ:
বিজ্ঞপ্তিতে দেখুন
পদের সংখ্যা:
বিজ্ঞপ্তিতে দেখুন
বয়সসীমা:
১৮-৩৫ বছর
শিক্ষাগত যোগ্যতা:
এইচএসসি/স্নাতক পাশ
চাকরির ধরন:
বেসরকারি
অফিসিয়াল ওয়েব সাইট:
www.ntrca.gov.bd
আবেদনের শুরু তারিখ:
বিজ্ঞপ্তিতে দেখুন
আবেদনের শেষ তারিখ:
বিজ্ঞপ্তিতে দেখুন
আবেদনের মাধ্যম:
অনলাইনে
নিয়োগ প্রকাশের সূত্র:
অফিসিয়াল ওয়েবসাইট
আবেদনের ঠিকানা:
http://ngi.teletalk.com.bd
১৯ তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় আবেদন করার নিয়ম ২০২৪
আপনারা যারা হাতের মোবাইল অথবা কম্পিউটার থেকে নিজে নিজেই যেকোনো চাকরির পরীক্ষায় আবেদন করতে চান? তারা সকলেই নিচের নিয়ম গুলো ফলো করলে খুব সহজেই শিক্ষক নিবন্ধনে নিজে আবেদন করতে পারবেন। চলুন দেখে নিয়ে যাক ১৯ তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় আবেদন করার নিয়ম-
১। শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় আবেদন করতে হলে প্রথমে যে কোন ব্রাউজারে গিয়ে www.ntrca.gov.bd এই অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে প্রবেশ করতে হবে।
২। এখানে আপনি 19 তম শিক্ষক নিবন্ধন সার্কুলার সম্পর্কিত বিভিন্ন তথ্য জেনে থাকবেন। এবং এখানে আপনি আপনার শিক্ষাগত যোগ্যতা অনুযায়ী কোন পদে আবেদন করতে পারবেন এবং কোন পদে আবেদন করবেন তা নিশ্চিত হবেন।
৩। তৃতীয় স্টেপে http://ngi.teletalk.com.bd এই ওয়েবসাইটে প্রবেশ করতে হবে। আর এখানে প্রবেশ করলে আপনার কাঙ্খিত 19 তম শিক্ষক নিবন্ধন সারকুলারে আবেদন করার প্রথম স্টেপ দেখতে পারবেন।
৪। এখানে দেখতে পারবেন 19 তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় আবেদন করুন। এখানে আপনি আপনার শিক্ষাগত যোগ্যতা অনুযায়ী প্রতিটি স্টেপ পূরণ করুন।
৫। সকল তথ্য পূরণ করা হলে সর্বশেষে আবেদনকারীর পাসপোর্ট সাইজের ছবি এবং আবেদনকারীর স্বাক্ষর আপলোড করুন।
৬। সর্বোপরি সকল তথ্য সঠিক এবং সফল নিয়ম মানতে বাধ্য টিক চিহ্ন দিয়ে সাবমিট করুন।
৭। এতে আপনাকে আবেদন ফরম প্রিন্ট অথবা পিডিএফ আকারে ডাউনলোড করে নেওয়ার পারমিট দেওয়া হবে। এখান থেকে আপনি আপনার আবেদন পত্র ডাউনলোড করে নিন অথবা আপনার ব্রাউজারে বা মোবাইলে সেভ করে রাখুন।
৮। আপনার আবেদন ফরমে শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার ইউজার আইডি এবং পাসওয়ার্ড দেখতে পারবেন। আবেদনকৃত ইউজার আইডি নিয়ে টেলিটক সিমের মাধ্যমে নির্দিষ্ট ফি প্রদান করুন।
নোটঃ অবশ্যই আবেদন করার ৭২ ঘণ্টার মধ্যে আবেদনটি পরিশোধ করুন। আবেদন ফি পরিশোধ না করলে আপনার আবেদনটি গ্রহণযোগ্য করা হবে না।
১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার যোগ্যতা ও পাস মার্ক
১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী প্রার্থীদের জন্য পাস করার জন্য কিছু নির্দিষ্ট যোগ্যতা ও মার্ক অর্জন করতে হবে। আসুন বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক:
প্রিলিমিনারি পরীক্ষা
মোট নম্বর: ১০০
পাস মার্ক: ৪০% (অর্থাৎ ১০০ এর মধ্যে কমপক্ষে ৪০ নম্বর)
বিষয়: সাধারণত বাংলা, ইংরেজি, গণিত এবং সাধারণ জ্ঞান থাকে।
লিখিত পরীক্ষা
মোট নম্বর: ১০০
পাস মার্ক: ৫০% (অর্থাৎ ১০০ এর মধ্যে কমপক্ষে ৫০ নম্বর)
বিষয়: প্রিলিমিনারিতে উত্তীর্ণ হওয়ার পর এই পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে হয়। এই পরীক্ষার বিষয়বস্তু প্রিলিমিনারির চেয়ে কিছুটা গভীর হতে পারে।
ভাইভা পরীক্ষা
মোট নম্বর: ২০
পাস মার্ক: ৪০% (অর্থাৎ ২০ এর মধ্যে কমপক্ষে ৮ নম্বর)
বিষয়: সাধারণত শিক্ষাগত যোগ্যতা, অভিজ্ঞতা, এবং শিক্ষকতা পেশার প্রতি আগ্রহ নিয়ে প্রশ্ন করা হয়।
নম্বর বণ্টন:
সার্টিফিকেট নম্বর: ১২
মৌখিক নম্বর: ৮
মনে রাখবেন:
ভাইভা পরীক্ষায় সহজে ফেল করা হয় না। তবে পাস করার জন্য নির্ধারিত ন্যূনতম নম্বর অর্জন করতে হবে।
পরীক্ষার সিলেবাস এবং নিয়মাবলী সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্যের জন্য NTRCA এর অফিশিয়াল ওয়েবসাইট দেখুন।
১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় সফল হতে হলে প্রিলিমিনারি, লিখিত এবং ভাইভা এই তিনটি পরীক্ষায়ই নির্ধারিত ন্যূনতম নম্বর অর্জন করতে হবে। পরীক্ষার জন্য ভালো করে প্রস্তুতি নিলে সফলতা অবশ্যই আসবে।
এমপিও স্কুল শিক্ষকের বেতন ও পেনশন সুবিধা
এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও কর্মচারীরা কীভাবে বেতন পান?
২০২১ সালের একটি নিয়ম অনুযায়ী, বেসরকারি স্কুল ও কলেজগুলো যদি সরকারের নির্দিষ্ট কিছু শর্ত মানে, তাহলে সেগুলোকে ‘এমপিওভুক্ত’ বলা হয়। এই এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও কর্মচারীরা সরকার থেকে বেতনের একটি অংশ পান।
এমপিও স্কুল শিক্ষকের বেতন কেমন হয়?
এই শিক্ষক ও কর্মচারীরা সরকারি কর্মচারীদের মতো একই ধরনের বেতন স্কেল অনুযায়ী বেতন পান। এই স্কেলকে ‘জাতীয় বেতন স্কেল ২০১৫’ বলা হয়।
সরকার প্রতি মাসে এই বেতনের একটি অংশ সোনালী ব্যাংকের মাধ্যমে সরাসরি স্কুল বা কলেজে পাঠায়।
বাকি অংশ স্কুল বা কলেজ নিজের খরচে দেয়।
এমপিও স্কুল শিক্ষকের অন্যান্য ভাতা:
বেতনের সাথে সাথে, শিক্ষক ও কর্মচারীরা আরো কিছু ভাতা পান। যেমন:
বাড়ি ভাড়ার জন্য ১০০০ টাকা
চিকিৎসার জন্য ৫০০ টাকা
আরো অন্যান্য ধরনের ভাতাও থাকতে পারে।
এমপিওভুক্ত স্কুল ও কলেজের শিক্ষকরা সরকার ও নিজের স্কুল থেকে মিলে বেতন পান। সরকার নির্ধারিত একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা দেয় এবং বাকি টাকা স্কুল দেয়। এছাড়াও, তারা বাড়ি ভাড়া, চিকিৎসা ইত্যাদির জন্য কিছু ভাতা পান।
‘এতদ্বারা সংশ্লিষ্ট সকলের জ্ঞাতার্থে জানানো যাচ্ছে যে, বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ) কর্তৃক ৩১/০৩/২০২৪ খ্রিঃ তারিখে প্রকাশিত ৫ম গণবিজ্ঞপ্তির আওতায় ১১/০৬/২০২৪ খ্রিঃ তারিখে ২২,০৩৩ জন প্রার্থীকে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের শূন্য পদে প্রাথমিকভাবে নির্বাচন করা হয়। নির্বাচিত প্রার্থীদের মধ্যে ১২ জন প্রার্থীর নিবন্ধন সনদ জাল পাওয়া যাওয়ায় তাদেরকে বাদ দিয়ে অবশিষ্ট ২২০২১ জন প্রার্থীকে পুলিশ/নিরাপত্তা ভেরিফিকেশন কার্যক্রম চলমান অবস্থায় নিয়োগের জন্য সুপারিশ করা হয়েছে।
সুপারিশপ্রাপ্ত প্রার্থী ও সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধানকে SMS যোগে অবহিত করা হয়েছে। নিয়োগ সুপারিশপ্রাপ্ত প্রার্থীগণকে এনটিআরসিএ এর ওয়েবসাইটে (www.ntrca.gov.bd) ৫ম গণবিজ্ঞপ্তি নামক সেবা বক্সে অথবা সরাসরি http://ngi.teletalk.com.bd লিংকে প্রবেশ করে স্ব স্ব ইউজার আইডি ও পাসওয়ার্ড ব্যবহারের মাধ্যমে নিয়োগ সুপারিশপত্র ডাউনলোড করে সুপারিশ পত্রে বর্ণিত প্রতিষ্ঠানে ১৯.০৯.২০২৪ খ্রিঃ তারিখের মধ্যে যোগদান করার জন্য অনুরোধ করা হলো।
২। পুলিশ/নিরাপত্তা ভেরিফিকেশন প্রতিবেদনে নিয়োগ সুপারিশপ্রাপ্ত প্রার্থী অনুপযুক্ত বিবেচিত হলে এ সুপারিশপত্র তাৎক্ষনিকভাবে বাতিল বলে গণ্য হবে এবং সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রার্থীকে অব্যাহতি প্রদান করবে।
৩। প্রার্থী যোগদানের নির্ধারিত তারিখের পরবর্তী ৭ (সাত) দিনের মধ্যে প্রতিষ্ঠান প্রধানগণ তাদের স্ব স্ব ইউজার আইডি ও পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে টেলিটকের http://ngi.teletalk.com.bd লিংকে প্রবেশ করে Joining Status অপশনে “Yes” ক্লিক করবেন। প্রার্থী যোগদান না করলে Joining Status-এ “No” ক্লিক করে Reason-এর ঘরে যোগদান না করার সম্ভাব্য কারণ উল্লেখ করবেন।
৪। কোন প্রার্থী কিংবা প্রতিষ্ঠান প্রধান টেকনিক্যাল কারণে SMS না পেলে এনটিআরসিএ-এর ওয়েবসাইট থেকে সুপারিশপ্রাপ্ত প্রার্থীদের তালিকা এবং নিয়োগ সুপারিশপত্র সংগ্রহ করতে পারবেন।
এমপিওভূক্ত শিক্ষক -কর্মচারীদের বেতন গ্রেড, অভিজ্ঞতা ও নিয়োগ যোগ্যতা ২০২৪
আপনারা অনেকেই হয়তো শিক্ষক হওয়ার স্বপ্ন দেখেন। এই স্বপ্ন পূরণের পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হলো শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা। বাংলাদেশে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক হতে চাইলে এই পরীক্ষা পাস করা বাধ্যতামূলক। চলুন নিম্নে থেকে আরো বিস্তারিত জেনে নেই।
আশা করা যায় ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধনের বিজ্ঞপ্তি খুব শীঘ্রই প্রকাশিত হতে পারে। এনটিআরসিএ (বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ) সূত্রে এমনটাই জানা গেছে। সকল আপডেট পেতে আমাদের সাথেই থাকুন।
১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন পরিক্ষা
দেশের বিভিন্ন স্কুল-কলেজে শিক্ষকের অনেক পদ খালি রয়েছে। ১৮তম নিবন্ধনের মাধ্যমে সবগুলো পদ পূরণ করা সম্ভব হবে না। তাই সরকার আরও একটি নিবন্ধনের ব্যবস্থা করছে।
কখন ১৯ তম নিবন্ধন বিজ্ঞপ্তি আসবে?
১৮তম নিবন্ধনের মৌখিক পরীক্ষা শেষ হওয়ার পরপরই ১৯তম নিবন্ধনের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হবে। আশা করা যায়, চলতি বছরের মধ্যেই এই বিজ্ঞপ্তি বের হবে।
১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন পরিক্ষা পাশে করনীয়
নিয়মিত আপডেট থাকুন: এনটিআরসিএর ওয়েবসাইট এবং সংবাদপত্রের শিক্ষা বিষয়ক পাতা নিয়মিত দেখুন।
প্রস্তুতি শুরু করুন: বিজ্ঞপ্তি আসার আগে থেকেই বিষয়ভিত্তিক প্রস্তুতি শুরু করে দিন।
মডেল টেস্ট দিন: বিভিন্ন কোচিং সেন্টার বা অনলাইনে পাওয়া মডেল টেস্ট দিয়ে নিজেকে মূল্যায়ন করুন।
পূর্বের প্রশ্নপত্র অধ্যয়ন করুন: পূর্বের নিবন্ধনের প্রশ্নপত্র অধ্যয়ন করে পরীক্ষার ধরন সম্পর্কে ধারণা নিন।
১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন এটি আপনার জন্য একটি সুবর্ণ সুযোগ। শিক্ষকতা পেশা একটি মহান পেশা। এখানে আপনি শুধু নিজেকে গড়ে তুলবেন না, অন্যকেও গড়ে তুলতে পারবেন। তাই এই সুযোগটি কাজে লাগান এবং আপনার স্বপ্ন পূরণ করুন।
১৯ তম শিক্ষক নিবন্ধন আবেদনের শেষ তারিখ | ১৯ তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার সময়সূচী | শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার প্রস্তুতি
শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। ১৯ তম শিক্ষক নিবন্ধন আবেদনের শেষ তারিখ, পরীক্ষার সময়সূচী, এবং পরীক্ষার প্রস্তুতি নিয়ে সঠিক তথ্য জানা অত্যন্ত প্রয়োজন। এই নিবন্ধে আমরা এই বিষয়গুলো নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করব। এটি কেবল শিক্ষার্থীদের জন্য নয়, বরং যেকোনো আগ্রহী প্রার্থীর জন্য অত্যন্ত উপযোগী একটি গাইড।
১৯ তম শিক্ষক নিবন্ধন আবেদনের শেষ তারিখ
১৯ তম শিক্ষক নিবন্ধন আবেদনের শেষ তারিখ হলো সেই সময়সীমা যার মধ্যে প্রার্থীরা আবেদন করতে পারবেন। আবেদনের সময়সীমা নির্ধারণ করে দেয় বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ)।
আবেদন করার আগে অবশ্যই প্রয়োজনীয় যোগ্যতা যাচাই করে নিন এবং সঠিক তথ্য দিয়ে ফর্ম পূরণ করুন।
১৯ তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার সময়সূচী
১৯ তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার সময়সূচী সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে হলে এনটিআরসিএ’র নির্দেশিকা অনুসরণ করা জরুরি। সাধারণত পরীক্ষা তিন ধাপে সম্পন্ন হয়: প্রিলিমিনারি, লিখিত এবং মৌখিক।
পর্যায়
সময়কাল
পূর্ণমান
পাস নম্বর
প্রিলিমিনারি
১ ঘণ্টা
১০০
৪০%
লিখিত
৩ ঘণ্টা
১০০
এনটিআরসিএ নির্ধারিত
মৌখিক
নির্ধারিত সময়
–
–
পরীক্ষার সম্ভাব্য তারিখ:
প্রিলিমিনারি: মার্চ ২০২৫
লিখিত: মে ২০২৫
মৌখিক: জুলাই ২০২৫
শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার প্রস্তুতি
সফলভাবে পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হলে সঠিক প্রস্তুতি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নিচে কিছু কার্যকরী প্রস্তুতি টিপস দেওয়া হলো:
প্রস্তুতি শুরু করার সেরা উপায়
সিলেবাস বুঝে নিন: প্রিলিমিনারি ও লিখিত পরীক্ষার সিলেবাস ভালোভাবে অধ্যয়ন করুন।
পূর্ববর্তী বছরের প্রশ্নপত্র সমাধান করুন: বিগত ১০ বছরের প্রশ্ন বিশ্লেষণ করে উত্তর লেখার অভ্যাস তৈরি করুন।
গুরুত্বপূর্ণ বিষয় চিহ্নিত করুন:
বাংলা: ব্যাকরণ, বাগধারা।
ইংরেজি: গ্রামার, অনুবাদ।
গণিত: শতকরা, লাভ-ক্ষতি।
সাধারণ জ্ঞান: চলতি ঘটনা।
সময় ব্যবস্থাপনা
প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময় অধ্যয়ন করুন।
গুরুত্বপূর্ণ টপিকগুলোর জন্য আলাদা নোট তৈরি করুন।
নিয়মিত মক টেস্ট দিন।
শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার পদ্ধতি
শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা তিনটি ধাপে হয়:
প্রিলিমিনারি পরীক্ষা:
১০০ নম্বর।
সাধারণ জ্ঞান, বাংলা, ইংরেজি, এবং গণিত।
লিখিত পরীক্ষা:
বিস্তারিত এবং বর্ণনামূলক।
বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন।
মৌখিক পরীক্ষা:
বিষয়ভিত্তিক দক্ষতা যাচাই।
শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষাঃ
১৯ তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়া মানে একটি যোগ্যতাসম্পন্ন সনদ পাওয়া। এই সনদ দিয়ে প্রার্থীরা বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক পদে আবেদন করতে পারবেন।
গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ও উত্তর (FAQs)
প্রশ্ন ১: ১৯ তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার জন্য ন্যূনতম যোগ্যতা কী?
উত্তর: ন্যূনতম স্নাতক ডিগ্রি এবং ১৮-৩৫ বছরের মধ্যে বয়স।
প্রশ্ন ২: নিবন্ধন পরীক্ষার আবেদন কোথায় করা যাবে?
উত্তর: এনটিআরসিএ’র অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে।
প্রশ্ন ৩: আবেদন ফি কত?
উত্তর: প্রার্থীদের ৩৫০ টাকা ফি প্রদান করতে হয়।
প্রশ্ন ৪: পরীক্ষার জন্য কি আলাদা সিলেবাস দেওয়া হয়?
উত্তর: হ্যাঁ, প্রিলিমিনারি এবং লিখিত পরীক্ষার জন্য আলাদা সিলেবাস দেওয়া হয়।
প্রশ্ন ৫: লিখিত পরীক্ষার পাস নম্বর কত?
উত্তর: নির্ধারিত পাস নম্বর এনটিআরসিএ’র নির্দেশনায় উল্লেখিত থাকে।
প্রশ্ন ৬: শিক্ষক নিবন্ধন সনদ কতদিন বৈধ?
উত্তর: সনদটি অনির্দিষ্টকালের জন্য বৈধ।
প্রশ্ন ৭: অনলাইনে আবেদন করার জন্য কী ডকুমেন্ট প্রয়োজন?
উত্তর: প্রার্থীর জাতীয় পরিচয়পত্র, শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ।
প্রশ্ন ৮: পরীক্ষার ফলাফল কোথায় পাওয়া যাবে?
উত্তর: এনটিআরসিএ’র ওয়েবসাইটে।
১৯ তম শিক্ষক নিবন্ধন আবেদনের শেষ তারিখ, পরীক্ষার সময়সূচী এবং প্রস্তুতি সম্পর্কে জানার পর এখন সময় হলো সঠিক প্রস্তুতির মাধ্যমে নিজের লক্ষ্য অর্জন করা। সময়মতো আবেদন করুন এবং নিয়মিত অধ্যয়ন করে পরীক্ষার জন্য প্রস্তুত হন। শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা আপনার জন্য একটি বড় সুযোগ, তাই এটি যথাযথভাবে কাজে লাগান।
আসসালামু আলাইকুম আশা করি আল্লাহর রহমতে ভাল আছেন। ইতোমধ্যে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ কর্তৃক 18 তম শিক্ষক নিবন্ধনের লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এবং আশা করা যায় কিছুদিনের মধ্যেই ১৮তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা হবে। তবে তার আগেই ১৯ তম শিক্ষক নিবন্ধন নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করবে বলে জানিয়েছে এনটিআরসিএ।
বাংলাদেশের ইতিহাস ও সংস্কৃতি সম্পর্কে জ্ঞান থাকা অনেক চাকরির পরীক্ষার জন্য খুবই জরুরি। বিশেষ করে সরকারি চাকরির পরীক্ষায় মুক্তিযুদ্ধ এবং বীরশ্রেষ্ঠদের সম্পর্কে প্রশ্ন আসতে পারে। তাই এই তথ্যগুলি জানা থাকলে আপনার জন্য পরীক্ষা দেওয়া সহজ হবে।
আজকের আর্টিকেলে আমরা ১৯ তম শিক্ষক নিবন্ধন এর প্রস্তুতি স্বরূপ মুক্তিযুদ্ধ টপিক থেকে কিছু গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা আপনাদের মাঝে শেয়ার করব। আশা করি আজকের আর্টিকেলটি সম্পূর্ণ মনোযোগ সহকারে পড়লে আপনি যে কোন সরকারি বেসরকারি চাকরির পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতির সহায়ক হবে।
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে সর্বোচ্চ বীরত্বের পদক ‘বীরশ্রেষ্ঠ’। এই পদকপ্রাপ্ত সাতজন মুক্তিযোদ্ধা দেশের জন্য নিজেদের প্রাণের বিনিময়ে সর্বস্ব দান করেছিলেন। তারা বিভিন্ন বাহিনীতে কর্মরত ছিলেন এবং যুদ্ধের বিভিন্ন ময়দানে নিজেদের অসাধারণ বীরত্বের পরিচয় দিয়েছিলেন। তাদের মধ্যে কেউ যুদ্ধক্ষেত্রে শহীদ হলেও কেউ আবার দেশের বাইরে শহীদ হয়েছেন। তাদের সাহস, বীরত্ব এবং আত্মত্যাগের গল্প আজও বাঙালির মনে স্মরণীয় হয়ে আছে। এই বীরশ্রেষ্ঠদের জীবনী ও তাদের বলিদানের ইতিহাস পড়ে আমরা তাদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে পারি এবং মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হতে পারি।
বীরশ্রেষ্ঠদের অমর আত্মাহুতি: বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের স্মরণ
মুক্তিযুদ্ধের সর্বোচ্চ পদকপ্রাপ্ত বীরশ্রেষ্ঠরা ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশকে স্বাধীন করার জন্য নিজের প্রাণ দিয়েছিলেন অনেক বীর মুক্তিযোদ্ধা। তাদের মধ্যে সাতজনকে তাদের অসাধারণ বীরত্বের জন্য ‘বীরশ্রেষ্ঠ’ উপাধিতে ভূষিত করা হয়। এই পদক বাংলাদেশের সর্বোচ্চ সামরিক পুরস্কার। আজ আমরা তাদের স্মরণ করছি, তাদের বলিদানের কথা মনে করছি।
কোন কোন বীরশ্রেষ্ঠ ছিলেন? সংক্ষিপ্তভাবে
মুন্সি আব্দুর রউফ: ইপিআরের ল্যান্সনায়েক রউফ সাহেব সর্বপ্রথম বীরশ্রেষ্ঠ হিসেবে শহীদ হন।
মোহাম্মদ মোস্তফা কামাল: সেনাবাহিনীর সিপাহী কামাল সাহেবের বীরত্বের গল্প আজও সবার মনে আছে।
মতিউর রহমান: বিমান বাহিনীর ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান দেশের বাইরে শহীদ হওয়া একমাত্র বীরশ্রেষ্ঠ।
নূর মোহাম্মদ শেখ: ইপিআরের ল্যান্স নায়েক শেখ সাহেবের বীরত্বের গল্প আজও সবার মনে আছে।
হামিদুর রহমান: সেনাবাহিনীর সিপাহী হামিদুর রহমান সবচেয়ে কম বয়সী বীরশ্রেষ্ঠ ছিলেন।
মোহাম্মদ রুহুল আমিন: নৌ বাহিনীর ইঞ্জিনরুম আর্টিফিসার আমিন সাহেব সবচেয়ে বয়স্ক বীরশ্রেষ্ঠ ছিলেন।
মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর: সেনাবাহিনীর ক্যাপ্টেন জাহাঙ্গীর সাহেব সর্বশেষ শহীদ হওয়া বীরশ্রেষ্ঠ ছিলেন।
প্রত্যেক বীরশ্রেষ্ঠের নিজস্ব বীরত্বের গল্প রয়েছে। তারা যুদ্ধক্ষেত্রে অসাধারণ সাহস দেখিয়েছিলেন, শত্রুকে পরাস্ত করেছিলেন এবং নিজের জীবন দিয়ে দেশকে স্বাধীন করেছিলেন। তাদের বলিদানের ফলেই আমরা আজ স্বাধীন বাংলাদেশে বাস করতে পারছি।
৮ এপ্রিল, ১৯৭১ তারিখে রাঙামাটি জেলার নানিয়াচরের বাছড়ি নামক স্থানে। তিনি বীরশ্রেষ্ঠদের মধ্যে সর্বপ্রথম শহীদ হন।
১ নং সেক্টর
রাঙামাটি জেলার বুড়িঘাটে।
মোহাম্মদ মোস্তফা কামাল
সিপাহী, সেনাবাহিনী (বেঙ্গল রেজিমেন্ট)
১৬ ডিসেম্বর, ১৯৪৭; বরিশালের দৌলতখান থানার পশ্চিম হাজীপাড়া গ্রামে।
১৮ এপ্রিল, ১৯৭১ তারিখে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার আখাউড়ার দরুইন গ্রামে।
২ নং সেক্টর
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার আখাউড়ায়।
মতিউর রহমান
ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট, বিমান বাহিনী
২৯শে অক্টোবর, ১৯৪১; তৎকালীন ঢাকা (পুরান ঢাকা) জেলায়।
২০ আগস্ট, ১৯৭১ তারিখে পাকিস্তানের করাচির মশরুর বিমানঘাঁটিতে। তিনি দেশের মাটির বাইরে শহীদ হওয়া বীরশ্রেষ্ঠ।
প্রথমে পাকিস্তানের করাচির মশরুর বিমানঘাঁটিতে সমাহিত ছিলেন। পরবর্তীতে ২০০৬ সালে ঢাকার মিরপুরের শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে সমাহিত করা হয়।
নূর মোহাম্মদ শেখ
ল্যান্স নায়েক, ইপিআর
২৬শে ফেব্রুয়ারি, ১৯৩৬; যশোর জেলার অর্ন্তঃগত নড়াইল মহকুমার মহিষখোলা গ্রামে
৫ সেপ্টেম্বর, ১৯৭১ তারিখে যশোর জেলার গোয়ালহাটি গ্রামে।
৮ নং সেক্টর
প্রথমে ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের আমবাশার হাজিমারাছড়ায় সমাহিত ছিলেন। পরবর্তীতে ২০১০ সালে ঢাকার মিরপুরে শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে সমাহিত করা হয়।
হামিদুর রহমান
সিপাহী, সেনাবাহিনী (বেঙ্গল রেজিমেন্ট)
২রা ফেব্রুয়ারি, ১৯৫৩; ঝিনাইদহ জেলা শহরের অদুরে কালিগঞ্জের খদ্দখালিশপুর গ্রামে।
২৮ অক্টোবর, ১৯৭১ সালে মৌলভীবাজার জেলার ধলই (কমলগঞ্জ)-এ। তিনি বীরশ্রেষ্ঠদের মধ্যে সবচেয়ে কম বয়সী ছিলেন।
৪ নং সেক্টর
চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার শিবগঞ্জ উপজেলার ছোট সোনা মসজিদ প্রাঙ্গণে।
মোহাম্মদ রুহুল আমিন
ইঞ্জিনরুম আর্টিফিসার, নৌ বাহিনী
জুন, ১৯৩৫ সালের তৎকালীন নোয়াখালী (বর্তমান ফেনী) জেলার বাঘচাপড়া গ্রামে।
১০ই ডিসেম্বর, ১৯৭১ সালে। খুলনার রূপসা উপজেলার বাগমারা গ্রামে। তিনি বীরশ্রেষ্ঠদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি বয়সী ছিলেন।
২ নং সেক্টরের অধীনে (এপ্রিল-সেপ্টেম্বর পর্যন্ত); পরবর্তীতে ১০ নং সেক্টরে।
খুলনার রূপসা উপজেলার বাগমারা গ্রামে রূপসা নদীর তীরে।
মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর
ক্যাপ্টেন, সেনাবাহিনী, (বেঙ্গল রেজিমেন্ট)
৭ মার্চ, ১৯৪৯; বরিশাল জেলার বাবুগঞ্জ উপজেলার রহিমগঞ্জ গ্রামে।
১৪ ডিসেম্বর, ১৯৭১ সালে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলায়। তিনি বীরশ্রেষ্ঠদের মধ্যে সর্বশেষ শহীদ হয়েছিলেন।
৭ নং সেক্টর
চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার শিবগঞ্জ উপজেলার ছোট সোনা মসজিদ প্রাঙ্গণে।
মুন্সি আব্দুর রউফ: বাংলাদেশের বীরশ্রেষ্ঠ
মুন্সি আব্দুর রউফ বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের একজন অসাধারণ বীর যিনি সর্বপ্রথম বীরশ্রেষ্ঠ হিসেবে শহীদ হন। তিনি ইপিআর বাংলাদেশ রাইফেলসের একজন ল্যান্স নায়েক ছিলেন।
* পরিবার: সরল এক পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা ছিলেন স্থানীয় মসজিদের ঈমাম।
* শিক্ষা: স্থানীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পড়াশোনা করেন।
মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ
* ইপিআরে যোগদান: ১৯৬৩ সালে ইপিআরে যোগদান করেন।
* মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ: মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে তিনি সক্রিয়ভাবে যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন।
* বীরত্বপূর্ণ কর্মকাণ্ড: রাঙামাটিতে পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে তিনি অসাধারণ বীরত্ব প্রদর্শন করেন। একাধিক যুদ্ধে তিনি পাকিস্তানি সেনাদের হত্যা করেন এবং মুক্তিযোদ্ধাদের নেতৃত্ব দেন।
মুন্সি আব্দুর রউফ শহীদ হওয়া
* শহীদ হওয়ার তারিখ: ৮ এপ্রিল, ১৯৭১
* স্থান: রাঙামাটি জেলার নানিয়াচরের বাছড়ি নামক স্থানে।
* কীভাবে শহীদ হন: পাকিস্তানি বাহিনীর সঙ্গে এক যুদ্ধে তিনি গুরুতর আহত হন এবং পরে শহীদ হন।
মুন্সি আব্দুর রউফ বীরশ্রেষ্ঠ খেতাব
* বীরত্বের স্বীকৃতি: তাঁর অসাধারণ বীরত্বের জন্য মরণোত্তর তাকে বীরশ্রেষ্ঠ খেতাব দেওয়া হয়।
* প্রথম বীরশ্রেষ্ঠ: তিনিই বাংলাদেশের প্রথম বীরশ্রেষ্ঠ।
স্মরণ.
* সমাধি: রাঙামাটি জেলার বুড়িঘাটে তাঁর সমাধিস্থল রয়েছে।
* স্মৃতি স্থাপনা: তাঁর জন্মস্থানে এবং অন্যান্য স্থানে তাঁর নামে বিভিন্ন স্মৃতি স্থাপনা নির্মিত হয়েছে।
মুন্সি আব্দুর রউফ একজন আদর্শ মুক্তিযোদ্ধা যিনি দেশের জন্য নিজের প্রাণ দিয়েছেন। তাঁর বীরত্বের গল্প আজও বাঙালির মনে স্মরণীয় হয়ে আছে।
মোহাম্মদ মোস্তফা কামাল: এক বীরশ্রেষ্ঠের অমর গল্প
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের একজন অসাধারণ বীর ছিলেন মোহাম্মদ মোস্তফা কামাল। তিনি মুক্তিযুদ্ধে অসাধারণ বীরত্ব প্রদর্শনের জন্য বীরশ্রেষ্ঠ খেতাব লাভ করেন। আজও তাঁর বীরত্বের গল্প বাঙালির মনে স্মরণীয় হয়ে আছে।
কে ছিলেন মোহাম্মদ মোস্তফা কামাল?
জন্ম: ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৪৭; বরিশালের দৌলতখান থানার পশ্চিম হাজীপাড়া গ্রামে।
পদবী: সিপাহী, সেনাবাহিনী (বেঙ্গল রেজিমেন্ট)
শহীদ: ১৮ এপ্রিল, ১৯৭১ তারিখে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার আখাউড়ার দরুইন গ্রামে।
যুদ্ধরত সেক্টর: ২ নং সেক্টর
মুক্তিযুদ্ধে তাঁর অবদান
মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে কামাল সাহেব দেশের স্বাধীনতার জন্য লড়াইয়ে যোগ দেন। তিনি ২ নং সেক্টরে যুদ্ধ করেছিলেন। যুদ্ধক্ষেত্রে তিনি অসাধারণ বীরত্বের পরিচয় দিয়েছিলেন। পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে লড়াইয়ে তিনি সাহসিকতার পরিচয় দিয়েছিলেন। তাঁর নেতৃত্বে মুক্তিযোদ্ধারা অনেক যুদ্ধে বিজয়ী হয়েছিল।
কেন তাঁকে বীরশ্রেষ্ঠ দেওয়া হয়েছিল?
অসাধারণ বীরত্ব: তিনি যুদ্ধক্ষেত্রে অসাধারণ বীরত্ব প্রদর্শন করেছিলেন।
নেতৃত্ব: তিনি মুক্তিযোদ্ধাদের নেতৃত্ব দিয়ে অনেক যুদ্ধে বিজয়ী হয়েছিলেন।
আত্মত্যাগ: দেশের স্বাধীনতার জন্য তিনি নিজের জীবন উৎসর্গ করেছিলেন।
স্মরণীয় এক যোদ্ধা
মোহাম্মদ মোস্তফা কামালের মতো বীর মুক্তিযোদ্ধাদের বলিদানের ফলেই আমরা আজ স্বাধীন বাংলাদেশে বাস করতে পারছি। তাঁর বীরত্বের গল্প আজও বাঙালির মনে স্মরণীয় হয়ে আছে। আগামী প্রজন্মের কাছে তাঁর বীরত্বের গল্প তুলে ধরা আমাদের সকলের দায়িত্ব।
বীরশ্রেষ্ঠ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান: এক অসামান্য বীরের জীবন ও বলিদান
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমানের নাম স্বর্ণাক্ষরে লেখা। তিনি বাংলাদেশের সর্বোচ্চ বীরত্ব পুরস্কার বীরশ্রেষ্ঠ খেতাবপ্রাপ্ত সাতজন বীরের অন্যতম। বিশেষ করে তিনি দেশের বাইরে শহীদ হওয়া একমাত্র বীরশ্রেষ্ঠ হিসেবে ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লিখিত হয়ে আছেন।
জন্ম ও শিক্ষাজীবন
মতিউর রহমান ১৯৪১ সালের ২৯ অক্টোবর ঢাকার পুরান ঢাকার ১০৯ আগা সাদেক রোডের পৈত্রিক বাড়ি “মোবারক লজ”-এ জন্মগ্রহণ করেন। ঢাকা কলেজিয়েট স্কুল থেকে ষষ্ঠ শ্রেণী পাস করার পর সারগোদায় পাকিস্তান বিমান বাহিনী পাবলিক স্কুলে ভর্তি হন। ডিস্টিংকশনসহ মেট্রিক পরীক্ষায় সাফল্যের সাথে প্রথম বিভাগে উত্তীর্ণ হন। ১৯৬১ সালে বিমান বাহিনীতে যোগ দেন এবং ১৯৬৩ সালে রিসালপুর পি,এ,এফ কলেজ থেকে কমিশন লাভ করেন।
মুক্তিযুদ্ধে ভূমিকা
মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে মতিউর রহমান পাকিস্তান বিমান বাহিনীতে কর্মরত থাকা সত্ত্বেও দেশের স্বাধীনতার জন্য লড়াইয়ে যোগ দেন। ১৯৭১ সালের ২০ আগস্ট তিনি করাচির মশরুর বিমানঘাঁটি থেকে একটি টি-৩৩ প্রশিক্ষণ বিমান ছিনতাই করে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। কিন্তু বিমানটি সীমান্তের কাছে বিধ্বস্ত হয়ে পড়ে এবং তিনি শহীদ হন।
শহীদ হওয়ার ঘটনা
মতিউর রহমানের বিমান ছিনতাইয়ের ঘটনাটি ছিল অত্যন্ত সাহসিকতাপূর্ণ। তিনি নিজের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে দেশের স্বাধীনতার জন্য লড়াই করেছিলেন। তাঁর এই বলিদান বাংলাদেশের ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লেখা।
বীরশ্রেষ্ঠ খেতাব
মতিউর রহমানের অসাধারণ বীরত্বের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীরশ্রেষ্ঠ খেতাব প্রদান করে। তিনি বাংলাদেশের সর্বোচ্চ বীরত্ব পুরস্কারপ্রাপ্ত সাতজন বীরের অন্যতম।
স্মরণীয় এক বীর
মতিউর রহমানের মতো বীর মুক্তিযোদ্ধাদের বলিদানের ফলেই আমরা আজ স্বাধীন বাংলাদেশে বাস করতে পারছি। তাঁর বীরত্বের গল্প আজও বাঙালির মনে স্মরণীয় হয়ে আছে। আগামী প্রজন্মের কাছে তাঁর বীরত্বের গল্প তুলে ধরা আমাদের সকলের দায়িত্ব।
নূর মোহাম্মদ শেখ: এক অসাধারণ মুক্তিযোদ্ধার গল্প
নূর মোহাম্মদ শেখ, বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের একজন অসাধারণ বীর। তিনি তার অসাধারণ বীরত্বের জন্য বীরশ্রেষ্ঠ খেতাব লাভ করেন। ইপিআরের ল্যান্স নায়েক হিসেবে তিনি মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিলেন এবং তার বীরত্বের গল্প আজও বাঙালির মনে স্মরণীয় হয়ে আছে।
কে ছিলেন নূর মোহাম্মদ শেখ?
জন্ম: ২৬শে ফেব্রুয়ারি, ১৯৩৬; যশোর জেলার অর্ন্তঃগত নড়াইল মহকুমার মহিষখোলা গ্রামে
পদবী: ল্যান্স নায়েক, ইপিআর
শহীদ: ৫ সেপ্টেম্বর, ১৯৭১ তারিখে যশোর জেলার গোয়ালহাটি গ্রামে
যুদ্ধরত সেক্টর: ৮ নং সেক্টর
মুক্তিযুদ্ধে তাঁর অবদান
মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে নূর মোহাম্মদ শেখ দেশের স্বাধীনতার জন্য লড়াইয়ে যোগ দেন। তিনি ৮ নং সেক্টরে যুদ্ধ করেছিলেন। যুদ্ধক্ষেত্রে তিনি অসাধারণ বীরত্বের পরিচয় দিয়েছিলেন। পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে লড়াইয়ে তিনি সাহসিকতার পরিচয় দিয়েছিলেন। তাঁর নেতৃত্বে মুক্তিযোদ্ধারা অনেক যুদ্ধে বিজয়ী হয়েছিল।
কেন তাঁকে বীরশ্রেষ্ঠ দেওয়া হয়েছিল?
অসাধারণ বীরত্ব: তিনি যুদ্ধক্ষেত্রে অসাধারণ বীরত্ব প্রদর্শন করেছিলেন।
নেতৃত্ব: তিনি মুক্তিযোদ্ধাদের নেতৃত্ব দিয়ে অনেক যুদ্ধে বিজয়ী হয়েছিলেন।
আত্মত্যাগ: দেশের স্বাধীনতার জন্য তিনি নিজের জীবন উৎসর্গ করেছিলেন।
স্মরণীয় এক যোদ্ধা
নূর মোহাম্মদ শেখের মতো বীর মুক্তিযোদ্ধাদের বলিদানের ফলেই আমরা আজ স্বাধীন বাংলাদেশে বাস করতে পারছি। তাঁর বীরত্বের গল্প আজও বাঙালির মনে স্মরণীয় হয়ে আছে। আগামী প্রজন্মের কাছে তাঁর বীরত্বের গল্প তুলে ধরা আমাদের সকলের দায়িত্ব।
হামিদুর রহমান: বাংলাদেশের সর্বকনিষ্ঠ বীরশ্রেষ্ঠ
মাত্র ১৮ বছরেই অমর হয়ে রইলেন হামিদুর রহমান
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লেখা এক নাম হলো হামিদুর রহমান। সেনাবাহিনীর একজন সাধারণ সিপাহি হয়েও তিনি অসাধারণ বীরত্বের পরিচয় দিয়েছিলেন। মাত্র ১৮ বছর বয়সে তিনি মুক্তিযুদ্ধে শহীদ হয়েছিলেন এবং বীরশ্রেষ্ঠ খেতাব লাভ করেছিলেন।
হামিদুর রহমান কে ছিলেন?
জন্ম: ২ ফেব্রুয়ারি, ১৯৫৩; ঝিনাইদহ জেলার মহেশপুর উপজেলার খর্দ্দ খালিশপুর গ্রামে।
পদবী: সিপাহী, সেনাবাহিনী (বেঙ্গল রেজিমেন্ট)
শহীদ: ২৮ অক্টোবর, ১৯৭১; মৌলভীবাজার জেলার ধলই (কমলগঞ্জ)-এ।
যুদ্ধরত সেক্টর: ৪ নং সেক্টর
মুক্তিযুদ্ধে তাঁর অবদান
মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে হামিদুর রহমান দেশের স্বাধীনতার জন্য লড়াইয়ে যোগ দেন। তিনি ৪ নং সেক্টরে যুদ্ধ করেছিলেন। যুদ্ধক্ষেত্রে তিনি অসাধারণ বীরত্বের পরিচয় দিয়েছিলেন। পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে লড়াইয়ে তিনি সাহসিকতার পরিচয় দিয়েছিলেন। তাঁর নেতৃত্বে মুক্তিযোদ্ধারা অনেক যুদ্ধে বিজয়ী হয়েছিল।
কেন তাঁকে বীরশ্রেষ্ঠ দেওয়া হয়েছিল?
অসাধারণ বীরত্ব: তিনি যুদ্ধক্ষেত্রে অসাধারণ বীরত্ব প্রদর্শন করেছিলেন।
নেতৃত্ব: তিনি মুক্তিযোদ্ধাদের নেতৃত্ব দিয়ে অনেক যুদ্ধে বিজয়ী হয়েছিলেন।
আত্মত্যাগ: দেশের স্বাধীনতার জন্য তিনি নিজের জীবন উৎসর্গ করেছিলেন।
স্মরণীয় এক যোদ্ধা
হামিদুর রহমানের মতো বীর মুক্তিযোদ্ধাদের বলিদানের ফলেই আমরা আজ স্বাধীন বাংলাদেশে বাস করতে পারছি। তাঁর বীরত্বের গল্প আজও বাঙালির মনে স্মরণীয় হয়ে আছে। আগামী প্রজন্মের কাছে তাঁর বীরত্বের গল্প তুলে ধরা আমাদের সকলের দায়িত্ব।
হামিদুর রহমানের জীবন ও কর্ম:
শৈশব ও শিক্ষা: হামিদুর রহমানের শৈশব কেটেছে গ্রামের পরিবেশে। তিনি স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক শিক্ষা গ্রহণ করেছিলেন।
মুক্তিযুদ্ধে যোগদান: মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে তিনি দেশের স্বাধীনতার জন্য লড়াইয়ে যোগ দেন।
বীরত্বের গল্প: মুক্তিযুদ্ধের বিভিন্ন ঘটনায় তিনি অসাধারণ বীরত্বের পরিচয় দিয়েছিলেন। তাঁর নেতৃত্বে মুক্তিযোদ্ধারা অনেক যুদ্ধে বিজয়ী হয়েছিল।
শহীদ হওয়া: মাত্র ১৮ বছর বয়সে মৌলভীবাজার জেলার ধলই (কমলগঞ্জ)-এ তিনি শহীদ হন।
বীরশ্রেষ্ঠ খেতাব: তাঁর অসাধারণ বীরত্বের জন্য তাঁকে বীরশ্রেষ্ঠ খেতাব দেওয়া হয়।
বীরশ্রেষ্ঠ মোহাম্মদ রুহুল আমিন: এক আদর্শ নৌসেনার জীবন
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সর্বোচ্চ পদক ‘বীরশ্রেষ্ঠ’ পাওয়া সাতজন মুক্তিযোদ্ধার মধ্যে সবচেয়ে বয়স্ক ছিলেন মোহাম্মদ রুহুল আমিন। তিনি বাংলাদেশ নৌবাহিনীর একজন অভিজ্ঞ ইঞ্জিনরুম আর্টিফিসার ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে তাঁর অসামান্য অবদানের জন্য তিনি এই সম্মানজনক খেতাব লাভ করেন।
রুহুল আমিনের জীবন ও কর্ম
জন্ম: ১৯৩৫ সালে নোয়াখালীর বাঘচাপড়া গ্রামে।
শিক্ষা ও কর্মজীবন: তিনি নৌবাহিনীতে যোগদান করে ইঞ্জিনরুম আর্টিফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ: মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে তিনি নৌবাহিনী থেকে পালিয়ে মুক্তিযুদ্ধে যোগ দেন। প্রথমে ২ নং সেক্টরে এবং পরে ১০ নং নৌ সেক্টরে যুদ্ধ করেন।
বীরত্বের গল্প: তিনি যুদ্ধক্ষেত্রে অসাধারণ সাহস ও বীরত্বের পরিচয় দিয়েছিলেন। তিনি নৌযান মেরামত, যুদ্ধ জাহিজের ব্যবহার এবং অন্যান্য কৌশলগত কাজে বিশেষ দক্ষতা দেখিয়েছিলেন।
শহীদ: ১০ ডিসেম্বর, ১৯৭১ সালে খুলনায় শহীদ হন।
বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিন কেন বিশেষ?
বয়স্ক হয়েও যুদ্ধে অংশগ্রহণ: তিনি যখন মুক্তিযুদ্ধে যোগ দেন তখন তিনি বয়স্ক হয়েও নিজের জীবন দিয়ে দেশের স্বাধীনতার জন্য লড়াই করেছিলেন।
নৌবাহিনীর অভিজ্ঞতা: তাঁর নৌবাহিনীর অভিজ্ঞতা মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশ নৌবাহিনী গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিল।
সাহসিকতা ও দেশপ্রেম: যুদ্ধের ময়দানে তিনি অসাধারণ সাহস ও দেশপ্রেমের পরিচয় দিয়েছিলেন।
রুহুল আমিনের বলিদানের তাৎপর্য
মোহাম্মদ রুহুল আমিনের মতো বীর মুক্তিযোদ্ধাদের বলিদানের ফলেই আমরা আজ স্বাধীন বাংলাদেশে বাস করতে পারছি। তাঁর বীরত্বের গল্প আজও বাঙালির মনে স্মরণীয় হয়ে আছে। আগামী প্রজন্মের কাছে তাঁর বীরত্বের গল্প তুলে ধরা আমাদের সকলের দায়িত্ব।
বীরশ্রেষ্ঠ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর: এক অসাধারণ যোদ্ধার জীবন ও বলিদান
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সর্বশেষ শহীদ বীরশ্রেষ্ঠ ছিলেন ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর। তিনি তাঁর অসাধারণ বীরত্ব ও আত্মত্যাগের জন্য বাংলাদেশের সর্বোচ্চ সামরিক সম্মাননা “বীরশ্রেষ্ঠ” খেতাব লাভ করেন। আসুন জেনে নিই তাঁর জীবন ও বলিদানের গল্প।
কে ছিলেন ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর?
জন্ম: ৭ মার্চ, ১৯৪৯; বরিশাল জেলার বাবুগঞ্জ উপজেলার রহিমগঞ্জ গ্রামে।
শিক্ষা: মুলাদি মাহমুদ জান পাইলট হাইস্কুল থেকে এসএসসি, বরিশাল ব্রজমোহন কলেজ থেকে এইচএসসি এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিসংখ্যান বিভাগে অধ্যয়নরত অবস্থায় পাকিস্তান সেনাবাহিনীতে যোগদান।
সামরিক কর্মজীবন: ১৯৬৭ সালে পাকিস্তান সেনাবাহিনীতে যোগদান, ১৯৬৮ সালে ইঞ্জিনিয়ারিং কোরে কমিশন লাভ।
মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ: ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে পাকিস্তান সেনাবাহিনী থেকে পালিয়ে মুক্তিবাহিনীতে যোগদান। ৭ নং সেক্টরে মুক্তিবাহিনীর অধিনায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন।
শহীদ: ১৪ ডিসেম্বর, ১৯৭১; চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার মহানন্দা নদীর তীরে শত্রুদের সাথে যুদ্ধে শহীদ হন।
মুক্তিযুদ্ধে তাঁর অবদান
মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে ক্যাপ্টেন জাহাঙ্গীর পাকিস্তান সেনাবাহিনী থেকে পালিয়ে মুক্তিবাহিনীতে যোগ দেন। ৭ নং সেক্টরে তিনি অসাধারণ বীরত্বের পরিচয় দিয়েছিলেন। তাঁর নেতৃত্বে মুক্তিযোদ্ধারা অনেক যুদ্ধে বিজয়ী হয়েছিল। তিনি তাঁর দক্ষতা ও সাহসের বলে শত্রুদেরকে পরাস্ত করেছিলেন।
কেন তাঁকে বীরশ্রেষ্ঠ দেওয়া হয়েছিল?
অসাধারণ বীরত্ব: তিনি যুদ্ধক্ষেত্রে অসাধারণ বীরত্ব প্রদর্শন করেছিলেন।
নেতৃত্ব: তিনি মুক্তিযোদ্ধাদের নেতৃত্ব দিয়ে অনেক যুদ্ধে বিজয়ী হয়েছিলেন।
আত্মত্যাগ: দেশের স্বাধীনতার জন্য তিনি নিজের জীবন উৎসর্গ করেছিলেন।
স্মরণীয় এক যোদ্ধা
ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীরের মতো বীর মুক্তিযোদ্ধাদের বলিদানের ফলেই আমরা আজ স্বাধীন বাংলাদেশে বাস করতে পারছি। তাঁর বীরত্বের গল্প আজও বাঙালির মনে স্মরণীয় হয়ে আছে। আগামী প্রজন্মের কাছে তাঁর বীরত্বের গল্প তুলে ধরা আমাদের সকলের দায়িত্ব।
১৯ তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার ফলাফল নিয়ে প্রতীক্ষার অবসান কবে হবে? এ প্রশ্নটি এখন লাখো পরীক্ষার্থীর মনে। বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ) ১৯ তম নিবন্ধনের রেজাল্ট প্রকাশের জন্য নিয়মিত কাজ করছে।
শিক্ষক নিবন্ধন রেজাল্ট প্রকাশের সম্ভাব্য তারিখ
১৮তম নিবন্ধনের ফলাফলের সময়সীমা বিবেচনায়, ১৯ তম শিক্ষক নিবন্ধনের লিখিত পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করতে প্রাথমিক পর্যায়ে ৬০ দিনের সময় নির্ধারণ করা হতে পারে। তবে ফলাফল প্রকাশে নির্ভুলতা নিশ্চিত করতে সময় কিছুটা বেশি লাগতে পারে।
শিক্ষক নিবন্ধন ফলাফল প্রকাশ প্রক্রিয়া
১. লিখিত পরীক্ষার খাতা মূল্যায়ন: প্রথম পরীক্ষক এবং দ্বিতীয় পরীক্ষককে খাতা মূল্যায়নের জন্য নির্দিষ্ট সময় দেওয়া হবে। প্রথম পরীক্ষকের কাজ শেষ হলে খাতা দ্বিতীয় পরীক্ষকের কাছে পাঠানো হবে।
২. ফলাফল চূড়ান্তকরণ: সব খাতা মূল্যায়নের পর, ফলাফল চূড়ান্ত করা হবে। এনটিআরসিএ দ্রুত ফলাফল প্রকাশের জন্য প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা গ্রহণ করছে।
শিক্ষক নিবন্ধন রেজাল্ট দেখার পদ্ধতি
১৯ তম শিক্ষক নিবন্ধনের ফলাফল প্রকাশিত হলে, পরীক্ষার্থীরা এনটিআরসিএর অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে গিয়ে ফলাফল দেখতে পারবেন। ফলাফল দেখার ধাপ:
এনটিআরসিএ ওয়েবসাইটে প্রবেশ করুন।
“Result” মেনুতে ক্লিক করুন।
পরীক্ষার নাম এবং রোল নম্বর প্রদান করুন।
সাবমিট বাটনে ক্লিক করার পর ফলাফল দেখতে পারবেন।
বিশেষ দ্রস্টব্যঃ ফলাফল প্রকাশের নির্ধারিত তারিখ এনটিআরসিএর অফিসিয়াল নোটিশের মাধ্যমে জানানো হবে। পরীক্ষার্থীরা নিয়মিত এনটিআরসিএর ওয়েবসাইট চেক করতে পারেন।
১৯ তম শিক্ষক নিবন্ধন রেজাল্ট ২০২৫
১৯ তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার রেজাল্ট ২০২৫ কবে প্রকাশিত হবে? বাংলাদেশের শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (NTRCA) প্রতি বছর শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করে। ২০২৫ সালের ১৯ তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার রেজাল্টের তারিখ নিয়ে হাজারো পরীক্ষার্থী অপেক্ষা করছেন। সাধারণত, পরীক্ষার লিখিত এবং ভাইভা শেষ হওয়ার কিছু মাসের মধ্যেই ফলাফল প্রকাশিত হয়।
এবারের নিবন্ধন পরীক্ষার রেজাল্ট সম্পর্কে দ্রুত ও নির্ভুল তথ্য পেতে আপনি NTRCA এর অফিসিয়াল ওয়েবসাইট www.ntrca.gov.bd অথবা www.teletalk.com.bd ভিজিট করতে পারেন।
১৮ তম শিক্ষক নিবন্ধন লিখিত পরীক্ষার রেজাল্ট কবে দিবে
১৮ তম শিক্ষক নিবন্ধন লিখিত পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী সকল পাঠক পাঠিকাদের জন্য সুখবর। আসসালামু আলাইকুম আশা করি আল্লাহর রহমতে ভাল আছেন। আজকে রাতে গেলে আমরা 18 তম শিক্ষক নিবন্ধন লিখিত পরীক্ষার ফলাফল কবে প্রকাশিত হতে পারে তা নিয়ে আপনাদের মাঝে বিস্তারিত তুলে ধরব।
১৮ তম শিক্ষক নিবন্ধন লিখিত পরীক্ষা হওয়ার পরে পরে শুরু হয়েছে সারা দেশে কোটা আন্দোলনের প্রেক্ষাপট। এতে করে দেশের অনেক শিক্ষক শিক্ষার্থী এবং সাধারণ জনগণ আহত ও নিহত হয়েছেন। কোটা আন্দোলনের প্রেক্ষিতে শুরু হয়েছে সারা দেশে গোলযোগ। যাই হোক আজকে আমরা জানবো কবে 18 তম নিবন্ধন পরীক্ষার খাতা দেখা হতে হবে এবং রেজাল্ট প্রকাশিত হবে।
১৮ তম শিক্ষক নিবন্ধন রেজাল্ট ২০২৪ কবে
ইতোমধ্যে জানা গেছে ১৮ তম নিবন্ধন পরীক্ষার খাতা দেশে গোলযোগ থাকার কারণে এবং যানবাহন চলাচল করতে না পারায় লিখিত পরীক্ষার খাতা বিভিন্ন জায়গায় পাঠানো সম্ভব হয়নি। তবে আশা করা যায় কিছুদিনের মধ্যে অর্থাৎ যানবাহন চলাচল শিথিল হলে শিক্ষক নিবন্ধন লিখিত পরীক্ষার খাতা যথাসম্ভব পাঠিয়ে দেওয়া হবে।
লিখিত পরীক্ষার খাতা বিভিন্ন কেন্দ্রে পাঠানোর পরে দুই থেকে তিন মাস সময় লাগতে পারে খাতা দেখার জন্য। এবং সর্বোপরি চার মাসের মধ্যে 18 তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা হবে বলে আশা করা যায়।
১৮ তম নিবন্ধন পরীক্ষার রেজাল্ট দেখার নিয়ম ২০২৪
এনটিআরসিএ নিবন্ধন ফলাফল দেখার নিয়ম এনটিআরসিএ নিবন্ধন পরীক্ষার ফলাফল সাধারণত এনটিআরসিএর অফিশিয়াল ওয়েবসাইট এবং টেলিটকের মাধ্যমে প্রকাশ করা হয়।
ওয়েবসাইটের মাধ্যমে ফলাফল দেখার পদ্ধতি:
এনটিআরসিএর অফিশিয়াল ওয়েবসাইট: https://ntrca.gov.bd/ এ ভিজিট করুন।
ফলাফল সংক্রান্ত নোটিশ খুঁজে বের করুন।
নির্দেশনা অনুযায়ী আপনার রোল নম্বর এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় তথ্য প্রবেশ করান।
‘সাবমিট’ বাটনে ক্লিক করুন।
আপনার ফলাফল স্ক্রিনে প্রদর্শিত হবে।
টেলিটকের মাধ্যমে ফলাফল দেখার পদ্ধতি: সাধারণত এনটিআরসিএ পরীক্ষার ফলাফল টেলিটকের মাধ্যমে এসএমএস করেও জানানো হয়। এজন্য আপনাকে নির্দিষ্ট একটি ফরম্যাটে এসএমএS করতে হবে। ফরম্যাটটি সাধারণত এনটিআরসিএর নোটিশে উল্লেখ করা থাকে।
Read more
নিবন্ধন রেজাল্ট দেখার নিয়ম 18th NTRCA Result 2024 ntrca.teletalk.com.bd result 18th NTRCA Result 2024 PDF download
সম্মানিত 19 তম শিক্ষক নিবন্ধন প্রত্যাশী বন্ধুরা, আসসালামু আলাইকুম আশা করি আল্লাহর রহমতে ভাল আছেন। দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন (এনটিআরসিএ) কর্তৃপক্ষ কর্তৃক বাংলাদেশের সকল হাই স্কুল ও কলেজ পর্যায়ে শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা হয়ে থাকে। ইতোমধ্যে 18 তম শিক্ষক নিবন্ধন সার্কুলার প্রকাশিত এবং লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে ১২ ও ১৩ জুলাই। আজকের আর্টিকেলে আমরা ১৯ তম শিক্ষক নিবন্ধন সম্পর্কিত কিছু বিষয় আপনাদের মাঝে তুলে ধরব।
বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ এর মাধ্যমে জানা গেছে যে, প্রতি বছরই শিক্ষক নিবন্ধন সার্কুলার প্রকাশ করা হবে। তবে ইতিমধ্যে ১৮ তম শিক্ষক নিবন্ধন চলমান রয়েছে। এবং আশা করা যায় ২০২৪ সালের মধ্যে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ কর্তৃক 19 তম শিক্ষক নিবন্ধন নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হবে।
আপনারা অনেকেই শিক্ষক নিবন্ধন সনদ অর্জনের জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন এবং কঠোর পরিশ্রম করছেন। আসলেই শিক্ষক নিবন্ধন সনদ অর্জন করা অতটা সহজ নয়। আপনাকে শিক্ষক নিবন্ধন সনদ বা এনটিআরসিএ এর মাধ্যমে চাকরি পেতে হলে অবশ্যই তিনটি ধাপ পরীক্ষায় পাস করতে হবে। ধাপ তিনটি হলো – প্রিলিমিনারি পরীক্ষা, লিখিত পরীক্ষা এবং ভাইবা পরীক্ষা।
১৯ তম শিক্ষক নিবন্ধন নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০২৪
সম্মানিত পাঠক পাঠিকাবৃন্দ, আপনি কি 19 তম শিক্ষক নিবন্ধন নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি জন্য অপেক্ষা করছেন? তাহলে আজকের আর্টিকেলটি আপনার জন্যই। আপনি যদি ১৯ তম শিক্ষক নিবন্ধন নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি সম্পর্কে সবার আগে তথ্য ও শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা সম্পর্কিত সকল তথ্য পেতে চান তাহলে আমাদের সাথেই থাকুন।
আপনারা যারা ১৯ তম শিক্ষক নিবন্ধন নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে আবেদন করে প্রথমবার এই সনদ অর্জন করতে চান তাদের জন্য এর ওয়েবসাইটে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে।
১৯ তম শিক্ষক নিবন্ধন সার্কুলার ২০২৪ সালের মধ্যে প্রকাশিত হবে বলে আশা করা যায়। তবে ১৯ তম শিক্ষক নিবন্ধন প্রত্যাশীদের জন্য সুখবর। কারণ বিগত নিবন্ধনের চেয়ে সবচেয়ে বেশি শূন্যপথ রয়েছে এই 19 তম শিক্ষক নিবন্ধন সার্কুলার এ।তাই আপনারা যারা নিবন্ধন এর মাধ্যমে চাকরি করতে ইচ্ছুক? তারা এখন থেকেই ১৯ তম শিক্ষক নিবন্ধন প্রস্তুতি নিতে থাকুন।
19 তম শিক্ষক নিবন্ধন প্রিলিমিনারি পরীক্ষার ফলাফল ২০২৪
বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন এর প্রথম ধাপ হচ্ছে নিবন্ধন প্রিলিমিনারি পরীক্ষা। আপনাকে অবশ্যই শিক্ষক নিবন্ধন ফিল্মনারি পরীক্ষায় ৪০% নাম্বার পেতে হবে। শিক্ষক নিবন্ধন প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় 100 নম্বরের mcq পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে। এবং প্রতিটি প্রশ্নের মান থাকে এক নম্বর করে।
শিক্ষক নিবন্ধন প্রিলিমিনারি পরীক্ষার জন্য বাংলা ইংরেজি সাধারণ জ্ঞান এবং গণিত বই ভালো করে প্রিপারেশন নিলে খুব সহজেই নিবন্ধন প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় পাশ করতে পারবেন।
শিক্ষক নিবন্ধন প্রিলিমিনারি ফলাফল দেখার নিয়ম
১। প্রথমেই যেকোনো ব্রাউজারে গিয়ে ইন্টারনেট কানেকশন দিয়ে এনটিআরসিএ এর অফিসিয়াল ওয়েবসাইট – ntrca.teletalk.com.bd লিখুন এবং সেই সাইটে প্রবেশ করুন।
২। এনটিআরসি এর অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে প্রবেশ করার পর শিক্ষক নিবন্ধন রেজাল্ট মেনুতে ক্লিক করুন।
৩। তৃতীয় ধাপে আপনি শিক্ষক নিবন্ধন রেজাল্ট সম্পর্কিত কততম নিবন্ধন রেজাল্ট দেখতে চান তা দেখতে পারবেন। আপনি যদি ১৯ তম শিক্ষক নিবন্ধন ফলাফল দেখতে চান তাহলে 19 তম শিক্ষক নিবন্ধন সিলেক্ট করুন।
৪। এরপর আপনার প্রবেশপত্রে উল্লেখিত রোল নাম্বার দিন।
৫। রোল নাম্বার এবং শিক্ষক নিবন্ধন ফলাফল সিলেক্ট করার পর ক্যাপচা পূরণ করুন।
৬। সকল তথ্য সঠিকভাবে দেয়া হলে সাবমিট বাটনে ক্লিক করুন।
অবশ্যই মনে রাখবেন, যেকোনো শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার রেজাল্ট দিতে হলে এনটিআরসিএ এর মূল ওয়েবসাইট থেকে দেখার ট্রাই করবেন। এবং পরীক্ষার রেজাল্ট দেখতে চান তা প্রথমেই সঠিকভাবে নিশ্চিত হন।
এরপর আপনি কি নিবন্ধন প্রিলিমিনারি অথবা লিখিত অথবা ভাইবা রেজাল্ট দেখতে চান? তা সঠিকভাবে সিলেক্ট করুন. সর্বশেষ সাবমিট বাটনে ক্লিক করলেই আপনার ফলাফল দেখতে পারবেন.।
১৮তম শিক্ষক নিবন্ধন রেজাল্ট দেখার নিয়ম
বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ) গত ১৫ মার্চ ২০২৪ তারিখে অনুষ্ঠিত অষ্টাদশ শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার প্রিলিমিনারি টেস্টের ফলাফল ১৫ মে ২০২৪ তারিখে প্রকাশ করেছে।
পরীক্ষার্থীর সংখ্যা: মোট ১৮,৬৫,৭১৯ জন আবেদন করেছিলেন, ১৩,৪০,৮৩৩ জন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছিলেন।
উত্তীর্ণ পরীক্ষার্থী: সর্বমোট ৪,৭৯,৯৮১ জন পরীক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়েছেন।
পাসের হার: সার্বিক পাসের গড় হার ৩৫.৮০%।
ফলাফল দেখার পদ্ধতি: পরীক্ষার্থীরা নিজেদের রোল এবং ব্যাচ নম্বর ব্যবহার করে http://ntrca.teletalk.com.bd/result/ লিংকে গিয়ে বা QR কোড স্ক্যান করে ফলাফল দেখতে পারবেন। টেলিটক থেকে SMS-এর মাধ্যমেও ফলাফল জানানো হবে।
১৮তম শিক্ষক নিবন্ধন লিখিত পরীক্ষার প্রশ্ন – Shikkhok Nibondhon Question Bank: এনটিআরসিএ শিক্ষক নিবন্ধন প্রত্যাশী সকল প্রার্থীকে আসসালামুয়ালাইকুম। আশা করি আল্লাহর রহমতে ভাল আছেন। সম্মানিত বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন প্রত্যাশী বন্ধুরা, উপরের টাইটেল দেখে বুঝতে পেরেছেন আজকে আমরা 18 তম শিক্ষক নিবন্ধন লিখিত পরীক্ষার প্রশ্ন সমাধান করতে যাচ্ছি। আশা করি আজকের আর্টিকেল সম্পূর্ণ মনোযোগ সহকারে পড়লে শিক্ষক নিবন্ধন লিখিত পরীক্ষা সকল বিষয়ের প্রশ্নের সমাধান পাবেন।
বর্তমানে একটি চাকরি পাওয়া এবং জীবনের প্রতিষ্ঠিত হওয়ার খুবই কঠিন। এই চাকরির প্রতিযোগিতার বাজারে মেধা দিয়ে চাকরি নিতে হলে অবশ্যই আপনাকে কঠোর পরিশ্রম করতে হবে। এবং পরিশ্রমের বিকল্প কোন কিছু ভাবা যাবে না। যাইহোক আপনি যদি বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ এর পলিসি অনুযায়ী নিবন্ধন সনদ নিতে ইচ্ছুক হয়ে থাকেন? তাহলে অবশ্যই কিছু কৌশল/ টেকনিক অবলম্বন করে পড়াশোনা করতে হবে। তাহলে খুব সহজেই এবং অল্প পড়াশোনা করে যে কোন চাকরির পরীক্ষায় টিকতে পারবেন।
আপনারা যারা ১৯ তম শিক্ষক নিবন্ধন লিখিত পরীক্ষা দিবেন? অথবা যারা শিক্ষক নিবন্ধন লিখিত পরীক্ষার প্রস্তুতি নিতেছেন? সকল শিক্ষক নিবন্ধন লিখিত প্রস্তুতির প্রার্থীদের বিগত সালের শিক্ষক নিবন্ধন লিখিত পরীক্ষার প্রশ্নপত্র দেখা এবং প্রতিটি প্রশ্নের উত্তর জেনে রাখা উচিত। কারণ বিগত সালের প্রশ্ন সমাধানের পাশাপাশি আপনি শিক্ষক নিবন্ধন লিখিত পরীক্ষার প্রশ্ন পদ্ধতি, প্রশ্ন করার ধরন এবং কোন টপিক থেকে কিভাবে প্রশ্ন করা হচ্ছে তা সহজে আয়ত্ত করতে পারবেন।
১৮তম শিক্ষক নিবন্ধন লিখিত পরীক্ষার সকল বিষয়ের প্রশ্নের সমাধান দেখা দরকার নেই। আপনি যে বিষয়ে অনার্স/ ডিগ্রি কমপ্লিট করেছেন? শুধু সেই বিষয়ের লিখিত পরীক্ষার প্রশ্নের সমাধান দেখবেন। চলুন তাহলে নিম্নে থেকে ১৮ তম শিক্ষক নিবন্ধন লিখিত পরীক্ষার প্রশ্নের উত্তর দেখে নেই।
১৮ তম সহকারী শিক্ষক নিবন্ধন লিখিত প্রশ্ন | 18th NTRCA Written Question Bank pdf
১৮ তম সহকারী শিক্ষক নিবন্ধন লিখিত প্রশ্ন | 18th NTRCA Written Question Bank pdf: ইতোমধ্যে ১৮তম সহকারী শিক্ষক নিবন্ধন লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিগত ১২ জুলাই ২০২৪ রোজ শুক্রবার ১৮ তম সহকারী শিক্ষক নিবন্ধন এর লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত করেছে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ। 18 তম শিক্ষক নিবন্ধনের লিখিত সকল বিষয়ের প্রশ্নের সমাধান প্রতিটি নিবন্ধন প্রত্যাশীদের দেখা উচিত? কারণ আপনি আপনার পরীক্ষার প্রশ্নের সমাধান দেখে দিলে এতে করে আপনি খুব সহজেই নিশ্চিত হতে পারবেন যে, পরীক্ষায় কত মার্ক পেতে পারেন।
আপনারা যারা ১৮ তম সহকারী শিক্ষক নিবন্ধন লিখিত পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছেন? এবং যারা 19 তম শিক্ষক নিবন্ধন লিখিত পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতি নিবেন? অর্থাৎ সকল নিবন্ধন লিখিত পরীক্ষার প্রস্তুতি নিতে আসা প্রার্থীদের জন্য আজকের আর্টিকেলটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আপনারা আজকের আর্টিকেল থেকে ১৮ তম সহকারী শিক্ষক নিবন্ধন এর সকল বিষয়ের লিখিত প্রশ্নপত্রের সমাধান/ উত্তরমালা দেখতে পাবেন।
১৮তম শিক্ষক নিবন্ধন লিখিত প্রশ্ন ব্যাংক | Ntrca written question bank pdf
বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ এর অনুষ্ঠিত 18 তম শিক্ষক নিবন্ধন লিখিত পরীক্ষা ইতোমধ্যে অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিগত ১২ জুলাই ২০২৪ তারিখে ১৮ তম সহকারী শিক্ষক নিবন্ধন লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে সারা বাংলাদেশে। আপনারা অনেকেই নিবন্ধন লিখিত পরীক্ষার প্রশ্ন পদ্ধতি ও প্রশ্ন করার ধরন সম্পর্কে জানেন? আবার অনেকেই জানেন না। তো সকলে উদ্দেশ্যে আজকে আমরা ১৮তম শিক্ষক নিবন্ধন লিখিত প্রশ্ন ব্যাংক আপনাদের মাঝে তুলে ধরব। আশা করি শেষ পর্যন্ত আমাদের সাথে থাকলে সকল শিক্ষক নিবন্ধন লিখিত পরীক্ষার প্রশ্ন ব্যাংক দেখতে পারবেন।
১৯ তম শিক্ষক নিবন্ধন গাইড pdf | 19th Shikkhok Nibondhon Book 2025: আসসালামু আলাইকুম আশা করি আল্লাহর রহমতে ভালো আছেন। আজকের আর্টিকেলে আমরা ১৯ তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার প্রস্তুতি স্বরূপ নিবন্ধন গাইড নিয়ে হাজির হয়েছি। এখানে আমরা ১৯ তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার পূর্ণাঙ্গ প্রস্তুতির জন্য শিক্ষক নিবন্ধন গাইড পিডিএফ আকারে আপনাদের ফ্রিতে প্রদান করব। আশা করি সকল শিক্ষক নিবন্ধন প্রত্যাশী আজকে আর্টিকেলটি থেকে শিক্ষক নিবন্ধন পিডিএফ গাইড ফ্রিতে ডাউনলোড করে নিতে পারবেন।
আপনি কি ১৯ তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার প্রস্তুতি নিতে চাচ্ছেন? যদি তাই হয়ে থাকে তাহলে আজকের আর্টিকেল মনোযোগ সহকারে পড়ুন এবং 19 তম শিক্ষক নিবন্ধন গাইড পিডিএফ ডাউনলোড করে এখনি পড়া শুরু করুন।
১৯ তম শিক্ষক নিবন্ধন গাইড pdf free download
সম্মানিত নিবন্ধন প্রত্যাশী বন্ধুরা, আমাদের ওয়েবসাইটে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ এর সর্বশেষ এবং আপডেট খবরা-খবর প্রচার করা হয়ে থাকে। আপনি যদি শিক্ষক নিবন্ধনের সকল খবরা-খবর জানতে চান? আমাদের এই সাইট থেকেই সকল এনটিআরসিএ নোটিশ জানতে পারবেন।
প্রফেসর’স ১৯ তম বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন সহায়িকা: প্রিলিমিনারি টেস্ট
শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা মূলত তিনটি ধাপে অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে। প্রথম ধাপে শিক্ষক নিবন্ধন প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে এবং সেখানে উত্তীর্ণ হতে হয়। তারপর শিক্ষক নিবন্ধন লিখিত পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে পাশ করে তারপর ভাইবা পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে হয়। সর্বোপরি তিনটি পাশ করার পরে নিবন্ধন সনদ প্রদান করা হয় প্রার্থীকে।
যাই হোক শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় পাশ করার সবচেয়ে বেশি অবদান রাখছে হলো প্রফেসর ১৯ তম বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন প্রিলিমিনারি বইটি। ১৯ তম সার্কুলার প্রকাশের পরপরই প্রফেসর প্রকাশনী বইটি মূলত ১৮ তম বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন সহায়িকা প্রিলিমিনারি টেস্ট” বইটি NTRCA’র সর্বশেষ সিলেবাস ও MCQ পরীক্ষা পদ্ধতির পর্যালোচনায় রচিত। 19 তম শিক্ষক নিবন্ধন প্রত্যাশীদের উদ্দেশ্যে শিক্ষক নিবন্ধন সহায়িকা প্রফেসর প্রকাশ করবেন।
১৯ তম শিক্ষক নিবন্ধন গাইড PDF | প্রফেসরস ও ওরাকল গাইড ফ্রি ডাউনলোড
বাংলাদেশে শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতি নেওয়া শিক্ষার্থীদের জন্য একটি মানসম্মত গাইড অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে ১৯ তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা সামনে থাকায় অনেকেই সঠিক গাইড এবং পিডিএফ ডাউনলোডের লিঙ্ক খুঁজছেন। এখানে আপনি ১৯ তম শিক্ষক নিবন্ধন গাইড PDF, প্রফেসরস শিক্ষক নিবন্ধন গাইড PDF Download, ওরাকল শিক্ষক নিবন্ধন গাইড PDF Free Download এবং আরও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাবেন।
কেন ১৯ তম শিক্ষক নিবন্ধন গাইড প্রয়োজনীয়?
১৯ তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হলে সঠিক গাইডলাইন অনুসরণ করা প্রয়োজন। একটি ভালো গাইড আপনাকে পরীক্ষার সিলেবাস অনুযায়ী প্রস্তুতি নিতে সাহায্য করবে। এতে থাকবে:
সাম্প্রতিক প্রশ্নসমূহের সমাধান।
পরীক্ষার সিলেবাস অনুযায়ী সাজানো বিষয়ভিত্তিক আলোচনা।
মডেল টেস্ট এবং সময় ব্যবস্থাপনার টিপস।
১৯ তম শিক্ষক নিবন্ধন গাইড ২০২৫
১. প্রফেসরস শিক্ষক নিবন্ধন গাইড PDF প্রফেসরস প্রকাশনীর গাইডগুলো সুনির্দিষ্ট, আপডেটেড এবং পরীক্ষার জন্য খুবই উপযোগী। আপনি প্রফেসরস গাইড ডাউনলোড করতে পারেন তাদের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট বা নির্দিষ্ট রিসোর্স থেকে।
২. ওরাকল শিক্ষক নিবন্ধন গাইড PDF ওরাকল প্রকাশনী তাদের মানসম্মত কনটেন্টের জন্য পরিচিত। তাদের গাইড বইগুলো সহজ ভাষায় লেখা এবং শিক্ষার্থীদের জন্য খুবই সহায়ক।
৩. বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন গাইড PDF বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার জন্য বিশেষভাবে তৈরি এই গাইডটি আপনার প্রস্তুতিকে আরও কার্যকর করবে।
PDF ফাইল কোথায় পাওয়া যাবে?
অনলাইনে অনেক ওয়েবসাইট এবং ফোরাম রয়েছে, যেখান থেকে আপনি এই গাইডগুলোর PDF ডাউনলোড করতে পারেন। তবে, নিশ্চিত হয়ে নিন যে ডাউনলোড করা ফাইলটি বৈধ এবং আপডেটেড।
গাইড ডাউনলোডের সহজ প্রক্রিয়া
১. গুগল সার্চে আপনার কাঙ্ক্ষিত গাইডের নাম লিখুন। ২. নির্ভরযোগ্য ওয়েবসাইট থেকে ডাউনলোড অপশন খুঁজুন। ৩. ডাউনলোড করার আগে ফাইলের সাইজ এবং ফরম্যাট চেক করুন।
বিনামূল্যে ডাউনলোডের সতর্কতা
অনলাইনে অনেক ওয়েবসাইট বিনামূল্যে PDF ডাউনলোডের অফার দিয়ে থাকে, তবে এর মধ্যে অনেক ফাইলেই ম্যালওয়্যার থাকতে পারে। সুতরাং, ফাইল ডাউনলোড করার আগে নিরাপত্তা নিশ্চিত করুন।
১৯তম নিবন্ধন পরীক্ষার প্রস্তুতির টিপস
প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময় ধরে অধ্যয়ন করুন।
বিগত বছরের প্রশ্ন সমাধান করুন।
গাইড অনুযায়ী মডেল টেস্ট দিন।
১৯ তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় সফল হতে চাইলে সঠিক গাইড বাছাই এবং নিয়মিত অধ্যয়ন অপরিহার্য। প্রফেসরস, ওরাকল এবং অন্যান্য মানসম্মত গাইডগুলো থেকে প্রয়োজনীয় তথ্য নিয়ে প্রস্তুতি শুরু করুন।
প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি নিতে আসা বন্ধুরা, আসসালামু আলাইকুম এবং আশা করি আল্লাহর রহমতে ভাল আছেন। আজকে আমরা ২০২৪ সালের প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়ার সিলেবাস ও চূড়ান্ত সাজেশন নিয়ে আলোচনা করতে যাচ্ছি। আশা করি শেষ পর্যন্ত আমাদের সাথে থাকলে আপনি প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগের সিলেবাস ও প্রস্তুতি সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা পাবেন। চলুন তাহলে দেখে নেয়া যাক।
প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার সিলেবাস ও মান বণ্টন ২০২৫
আপনি কি প্রাথমিক শিক্ষক শিক্ষিকা পদে চাকরি করতে ইচ্ছুক? যদি তাই হয় তাহলে আপনাকে কঠোর পরিশ্রম করতে হবে। এছাড়া বর্তমান বাজারে সরকারি চাকরি সোনার হরিণের মত। তাই বুঝতেই পারছেন দীর্ঘ পরিশ্রম ও দীর্ঘ প্রতিযোগিতার মাধ্যমে প্রাথমিক শিক্ষক অথবা শিক্ষিকা পদে নিয়োগ পেতে হবে।
প্রাথমিক শিক্ষক শিক্ষিকা হতে হলে অর্থাৎ প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়ায় পাশ করতে হলে কিছু টেকনিক অবলম্বন করে প্রস্তুতি সম্পন্ন করতে হবে। তা না হলে অধিক পরিশ্রম করে প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে পারবেন না।
যে কোন সরকারি চাকরির নিয়োগ পরীক্ষায় ভালো ফলাফল করতে হলে প্রথমে অবশ্যই নিয়োগ পরীক্ষার সিলেবাস ও মানবন্টন সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা রাখতে হবে। এরপর আপনার পছন্দ অনুযায়ী টপিক গুলো অর্থাৎ সহজ টপিকগুলো আগে শেষ করতে হবে।
এখান থেকে আপনারা প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার সিলেবাস দেখার পাশাপাশি পরীক্ষায় প্রস্তুতি স্বরূপ সাজেশন পেয়ে যাবেন।
প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার চূড়ান্ত ও ফাইনাল সাজেশন ২০২৫
সম্মানিত প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ প্রত্যাশী শিক্ষক শিক্ষিকা বৃন্দ, আশাকরি উপর থেকে প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার সিলেবাস ও মানববন্ধন সম্পর্কে বিস্তারিত ধারণা পেয়েছেন। যদি সিলেবাস ও মানব সম্পর্কে ধারণা থেকে থাকে-তাহলে এখান থেকে আপনাদের প্রাইমারি চূড়ান্ত সাজেশন গুলো দেখে নিন-
প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় গণিত অংশে ১৫ থেকে ২০ টি প্রশ্ন কমন পাওয়ার মত গণিত শর্ট সাজেশন [ প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ ] এর PDF ফাইল।
এছাড়াও আমাদের ওয়েবসাইটে প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার অন্যান্য বিষয়গুলোরও PDF ফাইল রয়েছে। আপনার চাইলে আমাদের ওয়েবসাইটে সার্চ করে খুঁজে নিতে পারেন
প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ বাংলা চূড়ান্ত সাজেশন ২০২৫
উপরে আমরা গণিত সাজেশন দিয়েছি। এখন আমরা প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ এর বাংলা সাজেশন দিতে যাচ্ছি। প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার মোট ৮০টি নৈর্ব্যক্তিক প্রশ্নের মধ্যে বাংলা থেকে ২০টি প্রশ্ন আসে। অর্থাৎ, বাংলা অংশ থেকে মোট ২০ নম্বর পাওয়া যায়। প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা পেশায় বাংলা ভাষা ও সাহিত্য একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। তাই, প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় বাংলা অংশের প্রস্তুতি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
বিষয়
নাম্বার
ব্যাকরন
১৬
বর্ন ও ধ্বনি, দ্বিরুক্ত শব্দ
১
সন্ধি
১
বাক্য শুদ্ধি ও বানান
৩
সমাস
১
প্রকৃতি ও প্রত্যয়
১
শব্দ
১
বিপরীত শব্দ
১
সমার্থক শব্দ
১
এককথায় প্রকাশ
১
বাগধারা
২
পদ প্রকরন
২
কারক ও বিভক্তি
–
বাক্য প্রকরন
–
উপসর্গ, অনুসর্গ
১
কাল, যতিচিহ্ন
১
বাংলা সাহিত্য
৪
অধুনিক যুগ, রবি, নজরুল
১
পত্রিকার সম্পাদক, ছদ্মনাম, উপাধি
১
মুক্তিযুদ্ধ গ্রন্থ, উপন্যাস
১
বিষয়
নাম্বার
Grammer
13/14
Parts Of Speech
2
Tense / Right form of verb
1
Fill in the blank with appropriate / preposition
3
Verb,Gerund, Participle
1
Number,Gender
2
Voice
1
Narration
1
Sentence Correction
2
Vocabulary( মুখস্ত part)
6 / 7
Literature
1
প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ এর বাংলা সাজেশন দেখুন এখানে
প্রাইমারি ২য় ও ৩য় ধাপের জন্য বাছাইকৃত ৯৮৪ টি MCQ প্রশ্নোত্তর PDF ২০২৫
প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়ার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ কিছু প্রশ্ন ও উত্তরের আলোকে short ও চূড়ান্ত সাজেশন তৈরি করা হয়েছে। আপনারা যারা কম সময়ে প্রাইমারি চাকরির প্রস্তুতি নিতে চান তাদের জন্য মূলত আজকের এই চূড়ান্ত সাজেশনটি। এখান থেকে প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ ও বাছাইকৃত প্রশ্নের সমাধান পিডিএফ আকারে দেখে নিতে পারেন। দেখুন এখানে
প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ স্পেশাল সাজেশন ২০২৫
প্রিয় চাকরি প্রত্যাশী পাঠক পাটিকা বৃন্দ, আপনারা যারা সরকারি বেসরকারি ও কোম্পানির চাকরির প্রস্তুতি দিতে চান? তাদের সকলকে আমাদের সাইটে স্বাগতম। আমাদের সাইটে মূলত বাংলাদেশের বিভিন্ন চাকরির প্রস্তুতি সম্পর্কে প্রতিনিয়ত আর্টিকেল প্রকাশ করা হয়ে থাকে।
বিষয়
মোট নম্বর
পরীক্ষায় নম্বর
পাটিগণিত
12/13
12
সংখ্যা, মোলিক সংখ্যা
–
2
দশমিক ভগ্নাংশের অংক
–
1
শতকরা
–
1
ল.সা.গু, গ.সা.গু
–
1
ঐকিকনিয়ম
–
–
অনুপাত:সমানুপাত
–
1
ধারা বা অনুক্রম
–
1
বয়স, গড়ের অংক
–
2
লাভ-ক্ষতি
–
1
সুদ কষা
–
1
বীজগণিত
5/6
5
মান নির্ণয়,উৎপাদক
–
1
সূচক ও লগারিদম
–
1
জ্যামিতি
4/5
4
রেখাও কোন
–
1
ত্রিভুজ
–
2
চতুর্ভুজ,বৃত্তের ধারনা বেসিক সূত্রের অংক সমূহ
–
1
পরিমিতি
–
2
বিষয়
মোট নম্বর
বাংলাদেশ
10
আন্তর্জাতিক
5
বিজ্ঞান
4
কম্পিউটার
2
আপনি যদি চাকরি প্রত্যাশী হয়ে থাকেন? তাহলে এই সাইটটি আপনার জন্যই। এখানে প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার প্রস্তুতি ও সাজেশন এবং পাশাপাশি অন্যান্য সকল চাকরি পরীক্ষার প্রস্তুতি ও সাজেশন ওমান নিয়ে আলোচনা করা হয়ে থাকে। তাই আপনি যদি চাকরি করতে শুরু হয়ে থাকেন তাহলে আমাদের এই সাইটটি আপনার ব্রাউজারে সেভ করে রাখতে পারেন। এছাড়া আমাদের শিক্ষামূলক সকল পোস্ট পেতে ভিজিট করুন
নিশ্চয়ই! আমি “প্রাইমারি সিলেবাস, প্রাইমারি সিলেবাস ২০২৫ pdf, প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার সিলেবাস ও মান বণ্টন” কিওয়ার্ড নিয়ে একটি এসইও-ফ্রেন্ডলি, অর্গানিক এবং কপিরাইট ফ্রি ব্লগ পোস্ট তৈরি করব, যা গুগলের কন্টেন্ট পলিসি মেনে চলবে এবং গুগল ডিসকভার থেকে ট্রাফিক আনার জন্য উপযুক্ত হবে।
প্রাইমারি সিলেবাস ২০২৫ | প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার সিলেবাস ও মান বণ্টন
প্রাইমারি সিলেবাস ২০২৫ বা প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার সিলেবাস ও মান বণ্টন সম্পর্কিত তথ্য শিক্ষার্থী ও শিক্ষক প্রার্থীদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশে প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং শিক্ষা কার্যক্রমের মান উন্নয়নের জন্য প্রাথমিক সিলেবাস নিয়মিত পরিবর্তিত হয়। আগামী ২০২৫ সালে প্রাইমারি সিলেবাসের কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আসবে, যা প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার প্রস্তুতি গ্রহণকারী প্রার্থীদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
প্রাইমারি সিলেবাস ২০২৫ এর গুরুত্বপূর্ণ দিকসমূহ
১. বিষয়ের সংযোজন ও পরিবর্তন: ২০২৫ সালের সিলেবাসে কিছু নতুন বিষয় যুক্ত হতে পারে, যেমন বিজ্ঞান, গণিত ও ইংরেজির উন্নত রূপ।
২. ক্লাস রুমের পাঠদানের নতুন কৌশল: শিক্ষকের দক্ষতা বৃদ্ধি এবং শিক্ষার্থীদের জন্য আধুনিক পদ্ধতিতে পাঠদান।
৩. মূল্যায়ন পদ্ধতির পরিবর্তন: শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা মূল্যায়নের নতুন পদ্ধতির মাধ্যমে তাদের সৃজনশীলতা এবং সমাধান ক্ষমতা মূল্যায়ন করা হবে।
প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার সিলেবাস ও মান বণ্টন
প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারীদের জন্য সঠিক প্রস্তুতি নেওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ২০২৫ সালের প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার সিলেবাস কিছুটা পরিবর্তন হতে পারে, যেখানে নিম্নলিখিত বিষয়গুলোর উপর বেশি গুরুত্ব দেওয়া হবে:
বাংলা ও ইংরেজি: ভাষা দক্ষতা এবং যোগাযোগের দক্ষতা।
গণিত: মৌলিক গণিত এবং যুক্তিসম্মত চিন্তা।
বিজ্ঞান ও সমাজবিজ্ঞান: সাধারণ বিজ্ঞান এবং সামাজিক বিষয়াদি।
জ্ঞানভিত্তিক প্রশ্ন ও মান বণ্টন: সিলেবাস অনুযায়ী মান বণ্টন করা হবে যা পরীক্ষার্থীদের সঠিক প্রস্তুতি নিতে সাহায্য করবে।
প্রাইমারি সিলেবাস ২০২৫ PDF
এটি যদি আপনি ডাউনলোড করতে চান, তবে গুগলে অনুসন্ধান করে বা বাংলাদেশ সরকারী শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইট থেকে সিলেবাস PDF আকারে ডাউনলোড করতে পারবেন।
আগামী প্রাইমারি সিলেবাস ২০২৫ এবং প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার সিলেবাস ও মান বণ্টন সম্পর্কে সঠিক ধারণা থাকলে পরীক্ষার্থীরা সহজে প্রস্তুতি নিতে পারবে এবং গুগল ডিসকভার থেকে দ্রুত ট্রাফিক লাভ করা সম্ভব হবে। সিলেবাসে কোনো নতুন পরিবর্তন আসলে তা শিক্ষার্থীদের জন্য একটি ভালো সুযোগ হবে।
প্রশ্ন-উত্তর সেকশন:
প্রশ্ন ১: প্রাইমারি সিলেবাস ২০২৫-এ কি নতুন কিছু সংযোজন করা হবে?
উত্তর: হ্যাঁ, প্রাইমারি সিলেবাস ২০২৫-এ কিছু নতুন বিষয় যুক্ত হবে এবং পুরনো সিলেবাসের কিছু পরিবর্তন আসবে।
প্রশ্ন ২: প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার সিলেবাস কেমন হবে?
উত্তর: প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় বাংলা, ইংরেজি, গণিত, বিজ্ঞান ও সমাজবিজ্ঞান এবং জ্ঞানভিত্তিক প্রশ্ন থাকবে।
প্রশ্ন ৩: সিলেবাস PDF কোথা থেকে ডাউনলোড করা যাবে?
উত্তর: প্রাইমারি সিলেবাস ২০২৫ PDF ডাউনলোড করতে আপনি বাংলাদেশ শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইট বা গুগল সার্চ ব্যবহার করতে পারেন।
প্রাইমারি সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ সকল প্রার্থীদের সিলেবাস সম্পর্কে জানা। কারণ আমার নিজের চোখে দেখা অনেক প্রার্থী অনেক বেশি পড়াশোনা করে প্রাইমারি নিয়োগ পরীক্ষায় পাশ করতে পারেনি। এর প্রধান কারণ হলো তারা প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার সিলেবাস ও মানববন্ধন সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা রাখেনি। তাই আমি মনে করি প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় টিকতে হলে অবশ্যই আপনাকে সিলেবাস ওমান বন্টন সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা থাকতে হবে।
প্রাইমারি সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় বাংলা ইংরেজি সাধারণ জ্ঞান এবং সাধারণ গণিত অংশ থেকে প্রশ্ন করা হয়। ইতিমধ্যে আমরা প্রাইমারী পরীক্ষার জন্য শর্ট এবং চূড়ান্ত সাজেশন দিয়েছি। আপনি যদি প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার চূড়ান্ত ও ফাইনাল সাজেশন পেতে চান তাহলে আমাদের এই সাইট থেকে দেখে নিতে পারেন।
প্রাইমারি পরীক্ষায় সর্বমোট ১০০ নম্বর বরাদ্দ থাকে। যেখানে প্রাইমারি পরীক্ষা প্রথমে লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয় এবং পরবর্তীতে ভাইভা পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। লিখিত পরীক্ষায় নম্বর থাকে ৭৫ নম্বর। এবং ভাইভা পরীক্ষার ২৫ নম্বর বরাদ্দ থাকে।
প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার ভালো প্রস্তুতি সম্পন্ন করতে হলে নিম্ন সিলেবাস গুলো দেখুন। যেখানে কোন টপ থেকে কতগুলো প্রশ্ন করা হয় সেগুলো দেখানো হয়েছে। এছাড়া আমাদের সাইট থেকে আপনি প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার পূর্ণাঙ্গ প্রস্তুতি সম্পন্ন করতে পারবেন। প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার প্রস্তুতির পাশাপাশি অন্যান্য সরকারি বেসরকারি চাকরির প্রস্তুতি আমাদের সাইট থেকে নিতে পারবেন।
প্রাইমারি সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার প্রস্তুতি ও সিলেবাস ২০২৫
প্রাইমারি সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার প্রস্তুতি ও সিলেবাস ২০২৪
প্রাইমারি সহকারী শিক্ষক: কততম গ্রেড এবং বেতন স্কেল
বাংলাদেশে প্রাথমিক শিক্ষকরা দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার মূল চালিকাশক্তি। বিশেষ করে প্রাইমারি সহকারী শিক্ষকরা শিশুদের প্রথম শিক্ষা প্রদানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। কিন্তু অনেকেই জানেন না যে প্রাইমারি সহকারী শিক্ষক কততম গ্রেডে কর্মরত এবং তাদের বেতন স্কেল কী? চলুন আজ আমরা এই বিষয়গুলো বিস্তারিতভাবে জানব।
প্রাইমারি সহকারী শিক্ষক কততম গ্রেড?
বাংলাদেশে প্রাইমারি সহকারী শিক্ষক সাধারণত গ্রেড ১৪ এ নিয়োগ পান। তবে এই গ্রেড এবং পদমর্যাদা নিয়মিত সরকারি নীতিমালা অনুযায়ী পরিবর্তন হতে পারে। প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের মূল কাজ হলো শিশুদের মৌলিক শিক্ষা দেওয়া, তাদের পঠনপাঠন মনোযোগ সহকারে পরিচালনা করা এবং জাতীয় শিক্ষানীতির আলোকে তাদের প্রতিভার বিকাশ ঘটানো।
প্রাইমারি সহকারী শিক্ষক বেতন স্কেল
প্রাইমারি সহকারী শিক্ষকদের বেতন স্কেল অনেকটা সরকারের সাধারণ বেতন কাঠামোর মধ্যে পড়ে। বর্তমান বেতন স্কেল অনুযায়ী, প্রাইমারি সহকারী শিক্ষকদের বেতন গ্রেড ১৪ অনুযায়ী স্থির করা হয়। এর মধ্যে একটি মাসিক বেতন সাধারণত ১০,২০০ টাকা থেকে ২৪,৬০০ টাকা পর্যন্ত হতে পারে। তবে পদোন্নতি, অভিজ্ঞতা এবং অন্যান্য সুযোগ-সুবিধার কারণে এটি বাড়তে পারে।
সহকারী শিক্ষক মানে কি?
সহকারী শিক্ষক হলেন এমন একজন শিক্ষক যিনি শিক্ষামূলক প্রতিষ্ঠানে প্রধান শিক্ষকের সহকারী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তারা শিক্ষার্থীদের শিক্ষা প্রদান, পঠনপাঠন পরিচালনা এবং শ্রেণীকক্ষে শিক্ষকতার বিভিন্ন কার্যক্রমে সহায়তা করেন।
প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ কিভাবে হয়?
প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগ সাধারণত সরকারি পরীক্ষার মাধ্যমে হয়ে থাকে। যারা প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক হতে চান, তাদেরকে বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক পরিচালিত প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে হয়। এই পরীক্ষায় পাশ করলে প্রার্থীকে নিয়োগ দেওয়া হয়।
সহকারী শিক্ষকের দায়িত্ব কি?
সহকারী শিক্ষকদের প্রধান দায়িত্ব হলো শিক্ষার্থীদের পাঠদানে সহায়তা করা, পাঠ্যক্রম অনুযায়ী ক্লাস পরিচালনা করা এবং ছাত্র-ছাত্রীদের পরীক্ষা, মূল্যায়ন ও গ্রেডিং প্রক্রিয়ায় সহায়তা করা। এছাড়া, বিদ্যালয়ের অন্যান্য কার্যক্রমে অংশগ্রহণ এবং শিশুদের আচরণগত উন্নয়নেও ভূমিকা পালন করা হয়।
বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষককে কি বলে?
বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের সাধারণত প্রফেসর, অ্যাসোসিয়েট প্রফেসর, অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসর বা লেকচারার হিসেবে উল্লেখ করা হয়। তারা উচ্চতর শিক্ষা প্রদান করেন এবং গবেষণায় অংশগ্রহণ করেন।
সহকারী শিক্ষক অর্থ কি?
সহকারী শিক্ষক হলো এমন একজন শিক্ষক যিনি প্রধান শিক্ষক বা সিনিয়র শিক্ষককে সহায়তা করে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার দায়িত্ব পালন করেন। তাদের কাজ হলো ছাত্র-ছাত্রীদের শিক্ষাগত উন্নতি নিশ্চিত করা এবং শ্রেণীকক্ষে পাঠদান করা।
কলেজের স্যার দের কি বলে?
কলেজে শিক্ষকরা সাধারণত স্যার বা ম্যাডাম হিসেবে পরিচিত। তারা সাধারণত কলেজের উচ্চতর ক্লাসের শিক্ষার্থীদের পাঠদান করেন এবং বিভিন্ন বিষয়ে জ্ঞান প্রদান করেন।
প্রাইমারি সহকারী শিক্ষক বাংলাদেশের শিক্ষাব্যবস্থায় একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। তাদের বেতন স্কেল ও গ্রেড প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার মান উন্নয়নে সহায়ক ভূমিকা রাখতে পারে। সহকারী শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করা একটি সম্মানজনক পেশা এবং এটি দেশের ভবিষ্যত প্রজন্ম গঠনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে।