২০২৫ সালে শিক্ষক হওয়ার স্বপ্ন নিয়ে এগিয়ে যাওয়া হাজারো শিক্ষার্থী এখন তাকিয়ে আছে একটিমাত্র ফলাফলের দিকে—Ntrca Result 18th Viva Result, বা ১৮তম শিক্ষক নিবন্ধন ভাইভা ফলাফল ২০২৫। দীর্ঘ প্রক্রিয়া পেরিয়ে, প্রিলিমিনারি, লিখিত এবং সর্বশেষ ভাইভা পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছেন যে সকল প্রার্থী, তাদের প্রত্যাশা এখন চূড়ান্ত ফলাফল ঘিরে। এবারের ভাইভা পর্ব হয়েছে বহুধাপে, সময়জ্ঞান, উপস্থিতি এবং প্রস্তুতির উপর ভিত্তি করে তৈরি হয়েছে একটি স্বচ্ছ ও প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশ।
এনটিআরসিএ (NTRCA) ইতিমধ্যে জানিয়ে দিয়েছে ভাইভার সময়সূচি এবং প্রয়োজনীয় নির্দেশনা, তবে চূড়ান্ত ফলাফল কবে প্রকাশিত হবে, তা নিয়ে প্রার্থীদের মাঝে রয়েছে গভীর আগ্রহ।
এই ব্লগে আমরা তুলে ধরবো সর্বশেষ আপডেট, ফলাফল প্রকাশের সম্ভাব্য তারিখ, ভাইভা সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য এবং কীভাবে আপনি দ্রুত ও সহজে জানতে পারবেন আপনার ১৮তম শিক্ষক নিবন্ধন ভাইভা ফলাফল ২০২৫। যারা এই দীর্ঘ যাত্রায় ধৈর্য ধরে এগিয়ে গেছেন, তাদের জন্য এটি হতে যাচ্ছে একটি লাইফ-চেঞ্জিং মুহূর্ত।
১৮তম শিক্ষক নিবন্ধন ভাইভা ফলাফল ২০২৫ নিয়ে আগ্রহ ও উৎকণ্ঠা এখন চূড়ান্ত পর্যায়ে। এনটিআরসিএ কর্তৃক পরিচালিত এই নিবন্ধন প্রক্রিয়ায় প্রায় ৮৩,৮৬৫ জন প্রার্থী লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে ভাইভা পরীক্ষায় অংশ নেন। ভাইভা পর্ব হয়েছে একাধিক ধাপে, শুরু হয় ২৭ অক্টোবর ২০২৪ থেকে এবং শেষ ধাপ চলে ২৯ মে ২০২৫ পর্যন্ত।
প্রতিদিন দুই শিফটে নেওয়া হয় মৌখিক পরীক্ষা, যেখানে অংশগ্রহণকারীদের উপস্থিতির হার ছিল ৯০-৯৫ শতাংশের মতো। ফলাফল প্রকাশের তারিখ এখনো নির্ধারিত হয়নি, তবে পরীক্ষার্থীরা আশাবাদী, মৌখিক পরীক্ষার শেষ ধাপ শেষে খুব শীঘ্রই ১৮তম শিক্ষক নিবন্ধন ভাইভা ফলাফল ২০২৫ প্রকাশিত হবে।
চূড়ান্ত ফলাফলে যাদের নাম থাকবে, তারা পাবেন শিক্ষকতার কাঙ্ক্ষিত নিয়োগের সুযোগ। আপডেট পেতে এবং দ্রুত ফলাফল চেক করতে নিয়মিতভাবে এনটিআরসিএর অফিসিয়াল ওয়েবসাইট ভিজিট করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।
শিক্ষক নিবন্ধন ভাইভা ফলাফল কবে ?
শিক্ষক নিবন্ধন ভাইভা ফলাফল কবে?—এ প্রশ্ন এখন দেশের হাজারো চাকরিপ্রত্যাশী প্রার্থীর মনে। ১৮তম শিক্ষক নিবন্ধনের ভাইভা পরীক্ষা ইতোমধ্যে আটটি ধাপে সম্পন্ন হয়েছে, যার সর্বশেষ ধাপ শেষ হয়েছে ২৯ মে ২০২৫ তারিখে।
লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ৮৩ হাজার ৮৬৫ জন প্রার্থী এই ভাইভা পর্বে অংশগ্রহণ করেছেন। এনটিআরসিএ (NTRCA) এখনো চূড়ান্ত ফলাফলের নির্দিষ্ট তারিখ ঘোষণা না করলেও আশা করা যাচ্ছে, মৌখিক পরীক্ষা শেষ হওয়ার পরপরই ১৮তম শিক্ষক নিবন্ধনের ফলাফল প্রকাশিত হবে।
এনটিআরসিএ সচিবের মতে, ফলাফল তৈরির কাজ চলছে এবং অফিসিয়াল ঘোষণার আগ পর্যন্ত সময়মতো ওয়েবসাইট ও অফিসিয়াল সোর্স থেকে তথ্য সংগ্রহ করতে বলা হয়েছে।
যদি আপনিও জেনে নিতে চান, শিক্ষক নিবন্ধন ভাইভা ফলাফল কবে, তবে এই ব্লগটি নিয়মিত ভিজিট করুন এবং এনটিআরসিএর ওয়েবসাইটে চোখ রাখুন।
১৮ তম শিক্ষক নিবন্ধন ভাইভা রেজাল্ট দেখার নিয়ম
১৮ তম শিক্ষক নিবন্ধন ভাইভা রেজাল্ট দেখার নিয়ম জানার আগ্রহ এখন তুঙ্গে, কারণ দীর্ঘ অপেক্ষার পর মৌখিক পরীক্ষার কার্যক্রম প্রায় শেষের পথে। এনটিআরসিএ (NTRCA) ভাইভা শেষে ফলাফল তাদের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে প্রকাশ করবে। ফলে, দ্রুত ও সঠিকভাবে ফলাফল জানতে হলে কিছু সহজ ধাপ অনুসরণ করলেই হবে।
৩। আপনার রোল নম্বর দিন এবং সঠিক পরীক্ষার ধাপ নির্বাচন করুন।
৪। ক্যাপচা পূরণ করে সাবমিট করুন।
৫। ফলাফল স্ক্রিনে দেখাবে, চাইলে প্রিন্ট করে সংরক্ষণ করুন।
এছাড়া টেলিটকের মাধ্যমে প্রার্থীদের SMS-এর মাধ্যমেও ফলাফল জানিয়ে দেওয়া হবে। তাই ১৮ তম শিক্ষক নিবন্ধন ভাইভা রেজাল্ট দেখার নিয়ম আগে থেকেই জেনে রাখা আপনাকে দ্রুত ফলাফল জানার সুবিধা দেবে।
এনটিআরসিএ ৫ম গণবিজ্ঞপ্তি: আরও ৩২ জন প্রার্থীর নিয়োগ সুপারিশ
বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ) ৫ম গণবিজ্ঞপ্তির আওতায় আরও ৩২ জন প্রার্থীকে নিয়োগের জন্য সুপারিশ করেছে।
নতুন করে ৩২ জনের নিয়োগ সুপারিশ
২৮ মে, ২০২৫ তারিখে এক অফিসিয়াল বিজ্ঞপ্তিতে এনটিআরসিএ এই তথ্য জানিয়েছে। এই বিজ্ঞপ্তি স্বাক্ষর করেন এনটিআরসিএর পরিচালক (শিক্ষাতত্ত্ব ও শিক্ষামান) কাজী কামরুল আহছান। এই ৩২ জন প্রার্থীকে পূর্বনির্ধারিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিবর্তন করে অন্য প্রতিষ্ঠানে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।
এক মাসের মধ্যে যোগদানের নির্দেশ
সুপারিশপ্রাপ্ত প্রার্থীদের আগামী ১ (এক) মাসের মধ্যে নতুন প্রতিষ্ঠানে যোগ দিতে বলা হয়েছে। প্রতিটি প্রার্থীকে মোবাইল এসএমএস এর মাধ্যমে বিষয়টি জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। প্রতিস্থাপনকৃত প্রার্থীরা এনটিআরসিএর ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে নিয়োগপত্র ডাউনলোড করতে পারবেন।
প্রার্থীরা তাদের নিজস্ব ইউজার আইডি ও পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে ওয়েবসাইটে লগইন করতে হবে। লগইন করার পর “৫ম নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি – ২০২৪” নামক সেবাবক্স থেকে নিয়োগ সুপারিশপত্র ডাউনলোড করা যাবে। এই সুপারিশপত্রে উল্লিখিত প্রতিষ্ঠানে এক মাসের মধ্যে যোগদান করা বাধ্যতামূলক।
প্রতিষ্ঠান প্রধানদের জন্য নির্দেশনা
প্রতিস্থাপনকৃত প্রার্থীদের নতুন প্রতিষ্ঠান প্রধানরাও তাদের ইউজার আইডি ও পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে নিয়োগপত্র ডাউনলোড করতে পারবেন। তবে প্রতিষ্ঠান প্রধানদের জন্য প্রার্থীদের “Joining Status” পূরণ করার দরকার নেই।
১৮ তম শিক্ষক নিবন্ধন ফলাফল ২০২৪ | 18th NTRCA Result 2024: শিক্ষক নিবন্ধন সনদ প্রত্যাশ ী বন্ধুরা, আসসালামু আলাইকুম আশা করি আল্লাহর রহমতে ভাল আছেন. ইতিমধ্যে ১৮ তম বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ কর্তৃক নিবন্ধন পরীক্ষার ফলাফল ২০২৪ প্রকাশ করা হয়েছে। কিছুদিন আগে ১৮তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার প্রিলিমিনারি ফলাফল এবং ১৮ তম শিক্ষক নিবন্ধন লিখিত পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছিল।
শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার ফলাফল মূলত এনটিআরসিএ এর মূল ওয়েবসাইট – ntrca.teletalk.com.bd এই সাইটে প্রকাশ করা হয়। এছাড়া এখানে শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার সর্বশেষ তথ্য সম্পর্কেও জানতে পারবেন। নিবন্ধন পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী সকল প্রার্থীদের আবেদনকৃত নাম্বারে এসএমএস এর মাধ্যমেও ফলাফল জানানো হয়ে থাকে। সকল প্রার্থীরা এনটিআরসিএ এর মূল ওয়েবসাইট অথবা মোবাইলের মাধ্যমে তাদের নিবন্ধন প্রিলিমিনারি, লিখিত, এবং ভাইভা পরীক্ষার ফলাফল এডমিট কার্ডে থাকা রোল নাম্বার দিয়ে এনটিআরসি এর মূল্য ওয়েবসাইট থেকে নিজস্ব ফলাফল জানতে পারবে।
১৮ তম শিক্ষক নিবন্ধন প্রিলিমিনারি ফলাফল ২০২৪
বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ একটি বেসরকারি সংস্থা। এটির মাধ্যমে সারাদেশের সকল বেসরকারি হাই স্কুল ও কলেজে নিবন্ধন পরীক্ষার মাধ্যমে শিক্ষক শিক্ষিকা নিয়োগ করা হয়ে থাকে। নিবন্ধন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হলে অবশ্যই আপনাকে তিনটি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার মাধ্যমে একটি সনত অর্জন করে তারপর বিজ্ঞপ্তিতে আবেদন করতে পারবেন।
শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার প্রথম স্টেপ হল নিবন্ধন প্রিলিমিনারি পরীক্ষা। আবেদন করার কিছুদিন পরে নিবন্ধন প্রিলিমিনারি পরীক্ষার জন্য সকল আবেদনকারী প্রার্থীকে মেসেজ প্রদান করা হবে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করার জন্য। প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় সর্বমোট ১০০টি এমসিকিউ প্রশ্ন করা হয়ে থাকে। শিক্ষক নিবন্ধন প্রিলিমিনারি পরীক্ষার বিষয়গুলো হলো- বাংলা , ইংরেজি , গণিত ও সাধারণ জ্ঞান ইত্যাদি বিষয়গুলো থেকে বহু নির্বাচনী প্রশ্ন করা হয়ে থাকে। শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় কাটমার্ক থাকে- .২৫ নাম্বার।
১৮তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় ৪ লাখ ৭৯ হাজারের বেশি পরীক্ষার্থী উত্তীর্ণ . বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ) গত ১৫ মার্চ অনুষ্ঠিত ১৮তম শিক্ষক নিবন্ধন প্রিলিমিনারি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করেছে। প্রায় ১৮ লাখ আবেদনকারীর মধ্যে ৪ লাখ ৭৯ হাজারের বেশি পরীক্ষার্থী এই পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছে। স্কুল, স্কুল-২ এবং কলেজ পর্যায়ে আলাদাভাবে এই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
১৮তম শিক্ষক নিবন্ধন প্রিলিমিনারি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে। আপনারা যারা শিক্ষক নিবন্ধনের পরীক্ষার ফলাফল চেক করতে চান? তারা নিম্নের স্টেপগুলো ফলো করে খুব সহজেই সকল নিবন্ধন প্রিলিমিনারি পরীক্ষার রেজাল্ট চেক করে নিতে পারেন। চলুন দেখে নেয়া যাক কিভাবে শিক্ষক নিবন্ধন প্রিলিমিনারি পরীক্ষার ফলাফল জানতে পারি-
১৮তম শিক্ষক নিবন্ধন প্রিলিমিনারি পরীক্ষার ফলাফল সংক্রান্ত অফিসিয়াল বিজ্ঞপ্তি ২০২৪
এতদ্বারা সংশ্লিষ্ট সকলের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ) এর ব্যবস্থাপনায় গত ১৫ মার্চ ২০২৪ তারিখে সপ্তদশ শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার প্রিলিমিনারি টেস্ট অনুষ্ঠিত হয়। প্রিলিমিনারি টেস্টে স্কুল-২, স্কুল ও কলেজ পর্যায়ে মোট ১৮,৬৫,৭১৯ জন পরীক্ষার্থী আবেদন করেন। পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ১৩,৪০,৮৩৩ জন। উক্ত প্রিলিমিনারি টেস্টের ফলাফল অদ্য ১৫ মে ২০২৪ তারিখ অপরাহ্নে প্রকাশ করা হয়। উত্তীর্ণ পরীক্ষার্থীর সংখ্যা স্কুল-২ পর্যায়ে ২৯,৫১৬ জন, স্কুল পর্যায়ে ২,২১,৬৫২ জন এবং কলেজ পর্যায়ে ২,২৮,৮১৩ জনসহ সর্বমোট ৪,৭৯,৯৮১ জন। পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে সার্বিক পাসের গড় হার ৩৫.৮০%।
পরীক্ষার্থী তার নিবন্ধন পরীক্ষার রোল এবং ব্যাচ নম্বর ব্যবহার করে পরীক্ষার ফলাফল http://ntrca.teletalk.com.bd/result/ লিংক অথবা সংযুক্ত QR কোড স্ক্যান করে প্রাপ্ত লিংক থেকে জানতে পারবেন। তাছাড়া উত্তীর্ণ পরীক্ষার্থীদেরকে টেলিটক বাংলাদেশ লিঃ হতে SMS-এর মাধ্যমেও ফলাফল জানিয়ে দেয়া হবে।
NTRCA Prili Result Check | শিক্ষক নিবন্ধন প্রিলিমিনারি পরিক্ষার ফলাফল দেখার উপায়
১। “NTRCA Preliminary Result” যেকোনো ব্রাউজারে গিয়ে সার্চ দিতে হবে। এরপর ও চার্জ কিন্তু ব্রাউজারে http://ntrca.teletalk.com.bd/result/ওয়েবসাইটি দেখতে পারবে।
৩। উপরের ইমেজে যে ঘরগুলো মার্কিং করে দেওয়া রয়েছে সেই তথ্যগুলো সঠিকভাবে প্রদান করুন এবং সর্বশেষ সাবমিট বাটনে ক্লিক করুন।
সর্বোপরি সকল তথ্য সঠিকভাবে দেওয়া হলে আপনার সামনে ফলাফল প্রদর্শিত হবে। তবে পরীক্ষায় উত্তীর্ণ না হলে কোন ফলাফল দেখতে পারবেন না। আর যদি পরীক্ষা উত্তীর্ণ হয়ে থাকেন তাহলে কনগ্রাচুলেশন নামে একটি মেসেজ দেখতে পারবেন।
৪। শিক্ষক নিবন্ধন প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলে নিম্নের মেসেজটি আপনার ব্রাউজারে প্রদর্শিত হবে।
১৮তম শিক্ষক নিবন্ধন রেজাল্ট ২০২৫ – 18th NTRCA Result 2025: আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ। শিক্ষকতা শুধুই একটি পেশা নয়—এটি একটি মহান দায়িত্ব ও জাতি গঠনের অন্যতম প্রধান ভিত্তি। বাংলাদেশে যোগ্য শিক্ষক নিয়োগের অন্যতম গ্রহণযোগ্য মাধ্যম হলো বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (NTRCA) কর্তৃক আয়োজিত শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা। যারা দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে সম্মানের সঙ্গে শিক্ষকতা করতে চান, তাদের জন্য এ পরীক্ষাগুলো একটি স্বপ্ন পূরণের সিঁড়ি হিসেবে কাজ করে।
২০২৫ সালে প্রকাশিত ১৮ তম শিক্ষক নিবন্ধন চূড়ান্ত রেজাল্ট এখন হাজারো প্রার্থীর অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে নিয়ে এসেছে নতুন এক দিগন্তের সম্ভাবনা। যারা এই দীর্ঘপ্রক্রিয়ার প্রিলিমিনারি, লিখিত ও ভাইভা পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছেন, তাদের জীবনে এটি একটি গৌরবোজ্জ্বল মাইলফলক।
এই ব্লগে আমরা আপনাকে জানাবো কীভাবে আপনি খুব সহজে ও নির্ভরযোগ্যভাবে 18th NTRCA Final Result 2025 অনলাইনে কিংবা এসএমএসের মাধ্যমে দেখতে পারবেন। আমরা এখানে শুধু রেজাল্টের লিংক নয়, বরং ফলাফল দেখার ধাপে ধাপে পদ্ধতি, গুরুত্বপূর্ণ ওয়েবসাইট, এবং সম্ভাব্য সমস্যার সহজ সমাধানসহ সবকিছু তুলে ধরব একদম নতুনভাবে।
পোস্টটি সম্পূর্ণ পড়ুন এবং জেনে নিন ১৮ তম শিক্ষক নিবন্ধন চূড়ান্ত রেজাল্ট দেখার লিংক ২০২৫ এবং ফলাফল দেখার সবথেকে সহজ ও আপডেটেড পদ্ধতি।
১৮ তম শিক্ষক নিবন্ধন চূড়ান্ত রেজাল্ট দেখার লিংক ২০২৫
শিক্ষক হওয়া মানেই শুধু একটি চাকরি পাওয়া নয়—এটি একটি জাতি গঠনের অঙ্গীকার। তাই প্রতি বছর হাজারো তরুণ-তরুণী শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় অংশ নেন নিজেদের স্বপ্নপূরণের আশায়। ২০২৫ সালে অনুষ্ঠিত ১৮ তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার চূড়ান্ত রেজাল্ট এখন প্রকাশিত হয়েছে, যা অপেক্ষারত প্রার্থীদের জন্য এক আনন্দের সংবাদ।
আপনি যদি এখনো জানতে না পারেন ১৮ তম শিক্ষক নিবন্ধন চূড়ান্ত রেজাল্ট দেখার লিংক, তাহলে চিন্তার কিছু নেই। এই ব্লগে আমরা সম্পূর্ণ নতুন ও সহজ উপায়ে আপনাকে জানাবো কীভাবে অনলাইনে এবং এসএমএসের মাধ্যমে আপনি আপনার রেজাল্ট দেখতে পারবেন, একদম সার্ভার ঝামেলা ছাড়াই।
আপনার রোল নম্বর ও ব্যাচ নম্বর ব্যবহার করেই আপনি ঘরে বসে মোবাইল বা কম্পিউটার থেকে ফলাফল দেখতে পারবেন।
১৮ তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার রেজাল্ট দেখার নিয়ম
শিক্ষকতা পেশায় আগ্রহী হাজারো প্রার্থী দীর্ঘ অপেক্ষার পর অবশেষে পেয়েছেন সুখবর—১৮ তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার চূড়ান্ত রেজাল্ট ২০২৫ এখন প্রকাশিত হয়েছে। কিন্তু অনেকেই জানেন না, ১৮ তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার রেজাল্ট দেখার নিয়ম কী, কোথায় গেলে রেজাল্ট পাওয়া যাবে, কিংবা কীভাবে রোল ও ব্যাচ নম্বর ব্যবহার করতে হবে।
১৮ তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার রেজাল্ট দেখার নিয়ম:
১. প্রথমে প্রবেশ করুন ngi.teletalk.com.bd/ntrca/final
২. আপনার Roll Number লিখুন।
৩. পরীক্ষার ধরন হিসেবে সিলেক্ট করুন 18th NTRCA Exam (Final)
৪. তারপর ক্লিক করুন Submit বাটনে।
৫. আপনার ফলাফল স্ক্রিনে চলে আসবে ইনশাআল্লাহ।
বিকল্পভাবে:১৮ তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার রেজাল্ট দেখার নিয়ম
ভিজিট করুন www.ntrca.gov.bd
নোটিশ বোর্ড থেকে “১৮তম নিবন্ধনের ফলাফল” PDF ডাউনলোড করুন।
PDF ফাইলে আপনার রোল নম্বর সার্চ করুন।
SMS পদ্ধতিতে ১৮ তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার রেজাল্ট ফলাফল দেখুন:
১৮ তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার ফলাফল দেখার নিয়ম কী?
১৮ তম শিক্ষক নিবন্ধনের চূড়ান্ত রেজাল্ট দেখতে হলে আপনাকে খুব সহজ কিছু ধাপ অনুসরণ করতে হবে। প্রথমে আপনার মোবাইল বা কম্পিউটার থেকে ইন্টারনেটে ঢুকে ব্রাউজারে গিয়ে ওয়েবসাইটে প্রবেশ করুন ngi.teletalk.com.bd/ntrca/final। সেখানে গিয়ে আপনার রোল নম্বর দিন এবং পরীক্ষার ধরনে “18th NTRCA Exam (Final)” সিলেক্ট করুন। এরপর “Submit” বাটনে ক্লিক করলে আপনার ফলাফল স্ক্রিনে চলে আসবে।
এছাড়াও আপনি চাইলে www.ntrca.gov.bd ওয়েবসাইটে গিয়ে নোটিশ বোর্ড থেকে ফলাফলের PDF ডাউনলোড করতে পারেন এবং সেখান থেকে আপনার রোল নম্বর খুঁজে নিতে পারেন।
আর যদি ইন্টারনেট ব্যবহার করতে অসুবিধা হয়, তাহলে মোবাইলের মেসেজ অপশনে গিয়ে টাইপ করুন NTRCA আপনার Roll এবং পাঠিয়ে দিন 16222 নম্বরে। ফিরতি এসএমএসে আপনার ফলাফল জানিয়ে দেয়া হবে।
অনলাইনে দেখুন:
ওয়েবসাইটে যান: ngi.teletalk.com.bd/ntrca/final রোল নম্বর দিন পরীক্ষার ধরন: *18th NTRCA Exam (Final) সিলেক্ট করুন Submit করুন ও ফলাফল দেখুন
আসসালামু আলাইকুম আশা করি আল্লাহর রহমতে ভাল আছেন। এনটিআরসিএ নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০২৫ মানেই হাজারো শিক্ষক প্রার্থীর স্বপ্নপূরণের সম্ভাবনা। ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার প্রস্তুতির পাশাপাশি, NTRCA Job Circular 2025 নিয়ে আগ্রহ দিন দিন বাড়ছে। কারণ, এই নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমেই দেশের হাজারো বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক হিসেবে নিয়োগের দরজা খুলে যায়।
এনটিআরসিএ প্রতিবছর নিবন্ধনপ্রাপ্তদের মধ্য থেকে সর্বশেষ গণবিজ্ঞপ্তি (Mass Recruitment) ভিত্তিতে নিয়োগ দিয়ে থাকে। ধারণা করা হচ্ছে, ২০২৫ সালের মাঝামাঝি সময় হতে পারে নতুন এনটিআরসিএ নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের উপযুক্ত সময়। এতে স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ও কারিগরি পর্যায়ে শূন্যপদে নিয়োগের আবেদন আহ্বান করা হবে। সঠিক প্রস্তুতির জন্য নিয়মিত ntrca.gov.bd এবং ntrca.teletalk.com.bd ওয়েবসাইটে চোখ রাখুন, আর আমাদের ব্লগে নিয়মিত আপডেট পেতে বুকমার্ক করে রাখুন।
আপনি কি এনটিআরসিএ এর নতুন নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির অপেক্ষা করছেন? যদি তাই হয় তাহলে সঠিক জায়গায় এসেছেন। ইতোমধ্যে ১৮তম শিক্ষক নিবন্ধন নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে এবং ১৮ তম শিক্ষক নিবন্ধনের প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় অনুষ্ঠিত হয়ে গেছে।
আশা করা যায় ১৮ তম শিক্ষক নিবন্ধন এর কার্যক্রম শেষের দিকে ১৯ তম শিক্ষক নিবন্ধন নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করবে। আজকে আমরা ১৯ তম শিক্ষক নিবন্ধন নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি সংক্রান্ত বিভিন্ন তথ্য আপনাদের মাঝে তুলে ধরব। এবং তুলে ধরব কবে প্রকাশিত হতে পারে ১৯ তম শিক্ষক নিবন্ধন নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি।
এনটিআরসিএ নিয়োগ ২০২৫ সার্কুলার
কবে প্রকাশিত হতে পারে এনটিআরসিএ নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০২৫? বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ এর তথ্য মতে প্রতিবছর এনটিআরসি নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হওয়ার কথা থাকলেও এরকমটা কখনো ঘটেনি।
বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ এর নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি গুলোর দিকে লক্ষ্য করলে দেখা যায়-নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি গুলো নির্দিষ্ট সময়ে প্রকাশ করা হয় না। অর্থাৎ একটি নিবন্ধনের কার্যক্রম শেষের দিকে হলেই আরেকটি নতুন নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে থাকে কর্তৃপক্ষ।
তাই আশা করা যায় ১৯ তম শিক্ষক নিবন্ধন নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০২৫ সালের মধ্যে প্রকাশিত হতে পারে অর্থাৎ এ বছরের শেষের দিকে ১৯তম শিক্ষক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করবে।
১৯ তম শিক্ষক নিবন্ধন (এনটিআরসিএ) নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০২৫
প্রিয় নিবন্ধন প্রত্যাশী বন্ধুরা, ১৯ তম শিক্ষক নিবন্ধন নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির অফিশিয়াল নোটিশের ইমেজ ও পিডিএফ আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশিত হয়েছে। আমরা এই পোস্টিতে ১৯ তম শিক্ষক নিবন্ধন চাকরির বিজ্ঞপ্তি ২০২৫ -এর পিডিএফ ফাইল সংযুক্ত করেছি। এছাড়াও, আপনি চাইলে নীচে থেকে ১৯ তম NTRCA বা শিক্ষক নিবন্ধন চাকরির ইমেজ বা পিডিএফ ডাউনলোড করে নিজের কাছে সংরক্ষন করে রাখতে পারেন।
এনটিআরসিএ নিয়োগ ২০২৫ সার্কুলার হলো সেই স্বপ্নের দরজা, যার মাধ্যমে দেশের হাজারো তরুণ-তরুণী বেসরকারি স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ও কারিগরি প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক হওয়ার সুযোগ পান।
১৯তম নিবন্ধন পরীক্ষা সামনে থাকায় অনুমান করা যায়, ২০২৫ সালের প্রথম প্রান্তিকেই এনটিআরসিএ নতুন নিয়োগ সার্কুলার প্রকাশ করতে পারে। এই সার্কুলারে বিস্তারিত থাকবে — আবেদন যোগ্যতা, বয়সসীমা, আবেদনের নিয়ম, পরীক্ষা পদ্ধতি, সিলেবাস ও গুরুত্বপূর্ণ সময়সূচি। তাই যারা শিক্ষকতা পেশায় যোগ দিতে চান, তাদের জন্য এটি হতে পারে সেরা সময় প্রস্তুতি নেওয়ার।
সার্কুলার প্রকাশিত হওয়ার পর ntrca.teletalk.com.bd ওয়েবসাইটে আবেদন শুরু হবে, এবং আবশ্যকীয় ডকুমেন্ট ও তথ্য অনলাইনে সাবমিট করতে হবে। প্রস্তুতি নিতে এখনই শুরু করুন, কারণ এনটিআরসিএ নিয়োগ ২০২৫ সার্কুলার হতে পারে আপনার শিক্ষক হওয়ার স্বপ্নের প্রথম ধাপ।
শিক্ষক নিবন্ধন নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি 2025 | ১৯ তম শিক্ষক নিবন্ধন সার্কুলার ২০২৫
শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা যা শিক্ষাক্ষেত্রে ক্যারিয়ার গড়ার প্রথম ধাপ হিসেবে বিবেচিত। যারা শিক্ষকতায় আগ্রহী, তাদের জন্য ১৯ তম শিক্ষক নিবন্ধন সার্কুলার ২০২৫ নিয়ে আসতে চলেছে নতুন সম্ভাবনার দরজা। এ ব্লগ পোস্টে, আমরা বিস্তারিত আলোচনা করব কিভাবে আপনি এই নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি সম্পর্কে আপডেট থাকতে পারবেন এবং কিভাবে আবেদন করবেন।
১৯ তম শিক্ষক নিবন্ধন সার্কুলার ২০২৫
১৯ তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা ২০২৫ এর আবেদন প্রক্রিয়া শুরুর তারিখ থেকে শেষ তারিখ পর্যন্ত সকল তথ্য নিচে উল্লেখ করা হলো:
অ্যাপ্লিকেশন ফরম পূরণ করুন: প্রয়োজনীয় তথ্য প্রদান করে সাবমিট করুন।
ফি প্রদান: নির্ধারিত টেলিটক নাম্বারের মাধ্যমে ফি পরিশোধ করুন।
শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার ধাপসমূহ
শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষাটি মূলত তিনটি ধাপে অনুষ্ঠিত হয়:
প্রাথমিক (MCQ) পরীক্ষা: বিষয়ভিত্তিক সাধারণ জ্ঞান এবং শিক্ষাবিষয়ক প্রশ্ন।
লিখিত পরীক্ষা: প্রার্থীর বিশদ জ্ঞান ও দক্ষতা মূল্যায়ন করা হয়।
মৌখিক পরীক্ষা: চূড়ান্তভাবে প্রার্থীদের বাছাই করা হয়।
শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার জন্য নিজেকে ভালোভাবে প্রস্তুত করা অত্যন্ত জরুরি। নিয়মিত চর্চা, সঠিক রিসোর্স ব্যবহার, এবং সময়নিষ্ঠ অধ্যাবসায়ের মাধ্যমে আপনি সফল হতে পারবেন। সার্কুলার প্রকাশের সাথে সাথে আবেদন করতে ভুলবেন না। গুগল ডিসকভার থেকে এই পোস্ট দেখার মাধ্যমে আপনি নিয়মিত আপডেট পেতে পারেন।
প্রশ্ন-উত্তর
নিবন্ধনের বয়সসীমা কত?
নিবন্ধনের বয়সসীমা সাধারণত ৩৫ বছর। তবে বিশেষ কোটার ক্ষেত্রে এই সীমা শিথিল হতে পারে।
শিক্ষক নিবন্ধনের যোগ্যতা কি?
ন্যূনতম স্নাতক ডিগ্রি এবং মাধ্যমিক/উচ্চমাধ্যমিক স্তরের জন্য প্রাসঙ্গিক বিষয়ের উপর ডিগ্রি আবশ্যক।
NTRCA এর বেতন কত?
NTRCA এর মাধ্যমে নির্বাচিত শিক্ষকরা সরকারি বেতন স্কেলে বেতন পান, যা গ্রেড অনুযায়ী ভিন্ন হতে পারে।
NTRCA এর পূর্ণ রূপ কি?
NTRCA এর পূর্ণ রূপ হলো “Non-Government Teachers’ Registration and Certification Authority”।
বাংলাদেশের শিক্ষাব্যবস্থাকে উন্নত করতে ও নতুন প্রজন্মের জন্য মানসম্মত শিক্ষকের নিয়োগ নিশ্চিত করতে শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। শিক্ষক নিবন্ধন প্রক্রিয়া শুধু একটি পরীক্ষা নয়; এটি একজন শিক্ষকের দক্ষতা, যোগ্যতা, এবং পেশাগত প্রস্তুতির মূল্যায়ন।
বর্তমানে ১৮তম নিবন্ধন কার্যক্রম চলমান এবং শিগগিরই ফলাফল প্রকাশের অপেক্ষায় রয়েছে। পরবর্তী ধাপে, ১৯তম নিবন্ধনের জন্য আগ্রহী প্রার্থীরা যেন আগেভাগে তাদের প্রস্তুতি শুরু করেন। কারণ, একটি সুদক্ষ পরিকল্পনা এবং সঠিক প্রস্তুতি যে কোনো পরীক্ষায় সাফল্যের প্রধান চাবিকাঠি।
এছাড়া, আসন্ন ২০তম শিক্ষক নিবন্ধন সার্কুলার নিয়ে অনেক আগ্রহ ও প্রত্যাশা দেখা যাচ্ছে। নতুন শিক্ষানীতি ও নিয়মাবলীর আলোকে এই নিবন্ধন প্রক্রিয়া কেবল একটি চাকরির সুযোগ নয়, বরং দেশের শিক্ষা খাতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখার এক বিরাট সুযোগ।
শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা তিনটি ধাপে সম্পন্ন হয়—প্রিলিমিনারি, লিখিত, এবং ভাইভা। প্রতিটি ধাপেই প্রার্থীর সঠিক প্রস্তুতি ও আত্মবিশ্বাস প্রয়োজন। তাই যারা ভবিষ্যতে শিক্ষক হিসেবে নিজের ক্যারিয়ার গড়তে চান, তাদের জন্য নিবন্ধন পরীক্ষা নিজেকে প্রমাণ করার এক সুবর্ণ সুযোগ।
এনটিআরসিএ অর্থাৎ বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন করতে পক্ষ একটি বেসরকারি সংস্থা। এটির মাধ্যমে যে কোন সরকারই বেসরকারি হাই স্কুল ও কলেজ পর্যায়ের প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক নিয়োগ করা হয়ে থাকে।
ইতমধ্যে ১৮ তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা চলমান রয়েছে। আশা করা যায় কিছুদিনের মধ্যে 18 তম শিক্ষক নিবন্ধনের লিখিত পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হবে। ১৮তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার কার্যক্রম সম্পন্ন হলে 19 তম শিক্ষক নিবন্ধন সার্কুলার প্রকাশ করা হবে।
১৯ তম শিক্ষক নিবন্ধন সার্কুলার কবে প্রকাশিত হবে?
সম্মানিত নিবন্ধন প্রত্যাশীর বন্ধুরা, 19 তম শিক্ষক নিবন্ধন সার্কুলার জন্য যারা অপেক্ষা করছেন তাদের জন্য সুখবর রয়েছে। 19 তম শিক্ষক নিবন্ধন সার্কুলারটিতে।
আপনারা যারা একান্তই শিক্ষক নিবন্ধনের মাধ্যমে চাকরি পেতে চান তারা এখন থেকেই লেগে পড়ুন। আপনি যত পূর্ব থেকে শিক্ষক নিবন্ধনের প্রস্তুতি নিবেন ততই আপনার জন্য ভালো হবে।
হোক নিবন্ধন পরীক্ষা তিনটি ধাপে সম্পন্ন হয়ে থাকে। শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার ধাপ গুলো হলো –
১। শিক্ষক নিবন্ধন প্রিলিমিনারি পরীক্ষাঃ
বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ কর্তৃক শিক্ষক নিবন্ধনের প্রথম ধাপে প্রিলিমিনারি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় ১০০ টি এম সি কিউ প্রশ্ন করা হয়ে থাকে। যেখান থেকে ৪০% নাম্বার পেলে পাস হিসাবে ধরা হয়।
নিবন্ধন প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় বাংলা, ইংরেজি, গণিত ও সাধারণ জ্ঞান অংশ থেকে প্রশ্ন করা হয়ে থাকে। প্রতিটি বিষয় থেকে ২৫ টি করে এমসিকিউ প্রশ্ন করা হয় এবং সর্বমোট ১০০টি এমসিকিউ প্রশ্ন করা হয়।
প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় প্রতিটি ভুল উত্তরের জন্য. ২৫ নাম্বার কাটা হয়। তবে পরীক্ষায় ৪০% নাম্বার পেলে পাস হতে পারবেন।
২। শিক্ষক নিবন্ধন লিখিত পরীক্ষাঃ
শিক্ষক নিবন্ধনের প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় পাশ করার পরে পুথীন্দ্র প্রার্থীকে শিক্ষক নিবন্ধন লিখিত পরীক্ষার জন্য মেসেজ প্রদান করা হয়। অর্থাৎ যারা ফিল্মির পরীক্ষায় পাশ করবে শুধুমাত্র তারাই লিখিত পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারবে।
শিক্ষক নিবন্ধন লিখিত পরীক্ষায় বিষয়ভিত্তিক পরীক্ষা দিতে হয়। আবেদন করার সময় যেই বিষয়ে সিলেক্ট করেছেন অথবা আপনি যেই বিষয়ে পড়াশোনা করেছেন সেই বিষয়ে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে হবে।
লিখিত পরীক্ষায় ১০০ নম্বরের প্রশ্ন করা হয়ে থাকে। এর মধ্যে যত বেশি নাম্বার ক্যারি করতে পারবেন ততই আপনার জন্য ভালো হবে। লিখিত পরীক্ষার ফলাফল শূন্য পদের ভিত্তিতে করা হয়ে থাকে।
৩। শিক্ষক নিবন্ধন ভাইবা পরীক্ষাঃ
শিক্ষক নিবন্ধন ভাইভা পরীক্ষায় সামান্য কিছু ফরমালিটি মেন্টেন করে টিকানো হয়ে থাকে। আপনি খুব সহজেই পাশ করতে পারবেন। এখানে আপনার উপস্থিতির জন্য নাম্বার দেওয়া হয় আপনার একাডেমিক কাগজপত্রের ভিত্তিতে ও নাম্বার দেওয়া হয়ে থাকে।
তবে আশা করা যায় শিক্ষক নিবন্ধন ভাইভা পরীক্ষায় কোন প্রার্থীকে ফেল করানো হয় না। আপনি যদি দুটি স্টেপ পাস করতে পারেন তাহলে ভাইভা পরীক্ষায় খুব সহজেই পাশ করতে পারবেন।
২০ তম শিক্ষক নিবন্ধন সার্কুলার ২০২৪
২০২৪ সালের জন্য ২০ তম শিক্ষক নিবন্ধন সার্কুলার প্রকাশিত হবে, যা শিক্ষাবিভাগের নতুন নিয়োগ প্রক্রিয়ার বিস্তারিত নির্দেশনা প্রদান করছে। এই সার্কুলারটির মাধ্যমে নতুন শিক্ষকদের নিয়োগ প্রক্রিয়া, যোগ্যতা, আবেদন পদ্ধতি ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য তুলে ধরা হয়েছে।
২০ তম শিক্ষক নিবন্ধন সার্কুলার ২০২৪ শিক্ষকদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ, যা তাদেরকে দেশের শিক্ষা ক্ষেত্রে অবদান রাখার সুযোগ প্রদান করবে। নতুন নিয়মাবলী ও পদক্ষেপগুলি দক্ষ ও যোগ্য শিক্ষকদের নির্বাচনের জন্য প্রণীত হয়েছে, যা শিক্ষার মান উন্নতিতে সহায়ক হবে।
এই সার্কুলারটি নিয়ে আরও বিস্তারিত জানতে এবং আবেদন প্রক্রিয়া সম্পর্কে সঠিক তথ্য পেতে সংশ্লিষ্ট শিক্ষাবিভাগের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট পরিদর্শন করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।
সম্মানিত সবাইকে জানানো যাচ্ছে যে, দেশের বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে (স্কুল, কলেজ, মাদরাসা ও কারিগরি) শূন্য পদে শিক্ষক নিয়োগের জন্য ই-রিকুইজিশন ফরম পূরণের সময়সীমা ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৪ পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হয়েছে। পূর্বনির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে ফরম জমা দিতে যারা ব্যর্থ হয়েছেন, তারা নতুন এই সময়সীমার মধ্যে ফরম জমা দিতে পারবেন।
যেসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এখনো ই-রিকুইজিশন ফরম পূরণ করেনি, তারা অবিলম্বে এটি সম্পন্ন করার জন্য অনুরোধ করা হলো। প্রতিষ্ঠানগুলোর সুবিধার্থে সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইটে ফরম পূরণের নির্দেশিকা ও প্রাসঙ্গিক তথ্য দেওয়া রয়েছে। তাই, এই সময়ের মধ্যে ফরম পূরণের কার্যক্রম শেষ করার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করা হলো।
এ বিষয়ে আরও জানানো যাচ্ছে যে, ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৪-এর পরে আর ই-রিকুইজিশন ফরম জমা দেওয়ার সুযোগ থাকবে না। নতুন কোনো সময়সীমা নির্ধারণ করা হবে না।
এ বিষয়ে বিস্তারিত জানতে এবং যেকোনো তথ্যের জন্য দ্রুত সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইটে প্রবেশ করুন।
প্রকাশক: গাজী মোহাম্মদ আবদুল্লাহ পরিচালক (শিক্ষা ও প্রশাসন) বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (NTRCA), ঢাকা
শিক্ষক নিবন্ধন প্রত্যাশী সকলকে আমাদের ওয়েবসাইটে স্বাগতম। আজকে আমরা নতুন ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা সম্পর্কিত সর্বশেষ তথ্য আপনাদের মাঝে শেয়ার করতে যাচ্ছি। আপনারা অনেকেই শিক্ষক নিবন্ধন সম্পর্কে জেনে না জেনে বিভিন্ন প্রশ্ন করে থাকেন। তাই আজকের আলোচনায় শিক্ষক নিবন্ধন সম্পর্কিত অর্থাৎ ২০২৪ সালের শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা সংক্রান্ত বিভিন্ন তথ্য আপনাদের মাঝে তুলে ধরব।
বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ এর সংক্ষিপ্ত রূপ হচ্ছে এনটিআরসিএ। এটি একটি বেসরকারি সংস্থা। এবং এর মাধ্যমে বাংলাদেশের বেসরকারি ও সরকারি সকল প্রতিষ্ঠানে নিবন্ধন পরীক্ষার মাধ্যমে নিয়োগ দেওয়া হয়ে থাকে।
প্রকৃত মেধাবীদের চাকরির একমাত্র সুযোগ হচ্ছে এনটিআরসিএ। এখানে আপনি যদি কয়েকটি স্টে প পাস করতে পারেন। তাহলে খুব সহজেই আপনি যেকোন সরকারি স্কুলে আপনার শিক্ষক হওয়ার আশা পূরণ করতে পারবেন।
আপনারা অনেকেই জানতে চেয়েছেন ১৯ তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা কবে?
ইতোমধ্যে ১৮তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা শেষ হয়েছে এখন শুধু বাকি রয়েছে ১৮ তম শিক্ষক নিবন্ধন ভাইভা পরীক্ষা। যদিও নতুন সার্কুলার প্রকাশের আগে এনটিআরসিএ নিয়ম নীতি পরিবর্তনের কথা উঠেছিল স্বৈরাচার সরকারের আমলে। এখন আশা করা যাচ্ছে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ কর্তৃক আপাতত কোন নিয়ম নীতি পরিবর্তন করা হবে না।
এনটিআরসি মূলত প্রতিবছর নিবন্ধন সার্কুলার প্রকাশ করে থাকে। সর্বশেষ ১৮ তম শিক্ষক নিবন্ধন সার্কুলার প্রকাশ করেছিল। নিবন্ধন সার্কুলার প্রকাশের নিয়ম হচ্ছে একটি নিবন্ধন সার্কুলারের সকল কার্যক্রম শেষ হলে আরেকটি নিবন্ধন সার্কুলার প্রকাশ করা হবে।
বর্তমান পরিস্থিতি থেকে এবং এনটিআরসি এর গোপন তথ্য মতে, আশা করা যায় খুবই দ্রুত 19 তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার সার্কুলার প্রকাশ করা হবে। আপনারা যারা ১৯ তম শিক্ষক নিবন্ধন সার্কুলারের জন্য অপেক্ষা করছেন তারা এখন থেকেই প্রস্তুতি শুরু করতে পারেন। কারণ সবচেয়ে বেশি শূন্য পদ রয়েছে ১৯ তম শিক্ষক নিবন্ধন সার্কুলারটিতে।
19th NTRCA teacher exam date 2024 | ১৯ তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা কবে অনুষ্ঠিত হবে?
বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ) সরাসরি শিক্ষক নিয়োগ সুপারিশের ক্ষমতা পেতে যাচ্ছে। এজন্য একটি আইন পাসের কাজ চলছে। তবে সংসদ না থাকায় আইন পাস সময় সাপেক্ষ বলে জানিয়েছে সংস্থাটি। এ অবস্থায় আগের নিয়মেই শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা আয়োজন করা হতে পারে।
জানা গেছে, আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় থাকাকালীন নতুন আইন পাসের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। তবে সরকার পতনের পর সংসদ বিলুপ্ত হওয়ায় আইন পাসের বিষয়টি স্থগিত হয়ে গেছে। নতুন সরকার কবে গঠন হবে সে বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য না থাকায় শিক্ষক সংকট দূর করতে আগের নিয়মেই অর্থাৎ ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধনের মাধ্যমে শিক্ষক সংকট দূর করা হতে পারে।
এ বিষয়ে এনটিআরসিএ’র সদস্য মুহম্মদ নূরে আলম সিদ্দিকী বলেন, আইন পাস কিংবা শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা সংক্রান্ত কোনো কিছুই এই মুহূর্তে বলা যাচ্ছে না। তবে আইন পাস করতে সংসদে তুলতে হয়। যেহেতু সংসদ নেই, কাজেই এটি কবে পাস হবে সে বিষয়ে নির্দিষ্ট করে কিছু বলা যাচ্ছে না।
এনটিআরসিএ’র একটি সূত্র জানিয়েছে, দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে তীব্র শিক্ষক সংকট রয়েছে। এজন্য যত দ্রুত সম্ভব তারা নিবন্ধন পরীক্ষার বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করতে চান। বিষয়টি শিক্ষা উপদেষ্টাসহ একাধিক মাধ্যমকে অবহিত করা হয়েছে। যেহেতু আইন পাসের বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন, সেহেতু ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধনের বিজ্ঞপ্তি নিয়ে ভাবা হচ্ছে।
বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ কর্তৃক নিবন্ধন সার্কুলার চলমান রয়েছে এবং থাকবে। নাম অপ্রকাশিত রাখার শর্তে এনটিআরসিএ’র পরীক্ষা মূল্যায়ন ও প্রত্যয়ন শাখার এক কর্মকর্তা বলেন, আমরা ১৮তম শিক্ষক নিবন্ধনের মাধ্যমে সনদ অর্জনের প্রথা বিলুপ্ত করতে চেয়েছিলাম। তবে দেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি বিরাজ করায় আইন পাস হতে সময় লাগবে। এজন্য ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধনের বিজ্ঞপ্তি নিয়ে ভাবা হচ্ছে। মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
প্রসঙ্গত, ২০০৫ সালে এনটিআরসিএ প্রতিষ্ঠার পর এখন পর্যন্ত প্রথম থেকে ১৮টি শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা নিয়েছে। ইতোমধ্যে পঞ্চম গণ বিজ্ঞপ্তিতে এক লাখের বেশি নিবন্ধন সনদধারীকে চাকরির সুপারিশ করা হয়েছে।
আপনি যদি শিক্ষক নিবন্ধন সম্পর্কিত বিভিন্ন তথ্য সম্পর্কে জানতে চান? এ ছাড়া শিক্ষক নিবন্ধন প্রস্তুতি, সরকারি বেসরকারি চাকরির প্রস্তুতি সম্পাদক বিভিন্ন তথ্য ফ্রিতে পেতে আমাদের সাথেই থাকুন।
সম্মানিত চাকরি প্রত্যাশী বন্ধুগণ, বাংলাদেশের সরকারি বেসরকারি পরীক্ষায় বাংলা সাহিত্য থেকে প্রশ্ন করা হয়ে থাকে। বাংলা সাহিত্যের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ টপিক হচ্ছে চর্যাপদ। প্রায় সফল পরীক্ষায় দেখা যায় চর্যাপদ থেকে প্রশ্ন করা হয়ে থাকে।
১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন প্রস্তুতি বাংলা সাহিত্য অংশের চর্যাপদ
শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার নিয়মাবলী | ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন প্রস্তুতি | শিক্ষক নিবন্ধন প্রিলিমিনারি পরীক্ষার মানবন্টন
শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার নিয়মাবলী | ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন প্রস্তুতি | শিক্ষক নিবন্ধন প্রিলিমিনারি পরীক্ষার মানবন্টন সম্পর্কে সঠিক ধারণা থাকা শিক্ষার্থীদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশে বেসরকারি শিক্ষক হিসেবে চাকরি পেতে হলে শিক্ষার্থীদের অবশ্যই এই নিবন্ধন পরীক্ষা পদ্ধতি সম্পর্কে জ্ঞান থাকা প্রয়োজন। এই নিবন্ধে আমরা এই পরীক্ষার নিয়মাবলী, ধাপগুলো, এবং প্রস্তুতির কৌশল বিশদভাবে আলোচনা করব।
১৯ তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার ভাইভা পরীক্ষায় ভালো করার উপায়
শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার ধাপসমূহ
শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা তিনটি ধাপে সম্পন্ন হয়। প্রতিটি ধাপই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং প্রার্থীদের দক্ষতা যাচাইয়ের জন্য নির্ধারিত।
১। প্রিলিমিনারি পরীক্ষা
প্রিলিমিনারি পরীক্ষা হলো শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার প্রথম ধাপ। এই ধাপে ১০০ নম্বরের MCQ ভিত্তিক পরীক্ষা নেওয়া হয়। মূল পয়েন্টগুলো হলো:
পরীক্ষার বিষয়: বাংলা, ইংরেজি, গণিত, এবং সাধারণ জ্ঞান।
প্রশ্নের সংখ্যা: মোট ১০০টি।
সময়: ১ ঘন্টা।
নেগেটিভ মার্কিং: প্রতিটি ভুল উত্তরের জন্য কাটা হবে ০.২৫ নম্বর।
পাস নম্বর: সর্বনিম্ন ৪০%।
পরীক্ষা দেওয়ার সময় নেগেটিভ মার্কিংয়ের বিষয়টি মাথায় রাখা খুবই জরুরি। এটি ভুল উত্তর দেওয়ার প্রবণতা কমিয়ে সঠিক উত্তরের দিকে মনোযোগ বাড়ায়।
২। লিখিত পরীক্ষা
লিখিত পরীক্ষা প্রিলিমিনারিতে পাস করা প্রার্থীদের জন্য। এই ধাপটি তাদের বুদ্ধিমত্তা এবং বিষয়ভিত্তিক দক্ষতা যাচাই করে।
পরীক্ষার সময়কাল: ৩ ঘণ্টা।
পূর্ণ নম্বর: ১০০।
বিষয়: আপনার ঐচ্ছিক বিষয়।
মূল্যায়ন: প্রার্থীদের গভীর জ্ঞান এবং বিশ্লেষণ ক্ষমতা বিচার করা হয়।
লিখিত পরীক্ষায় ভালো ফলাফল করার জন্য নির্ভুল এবং তথ্যভিত্তিক উত্তর দেওয়া আবশ্যক।
৩। মৌখিক পরীক্ষা
মৌখিক পরীক্ষা হলো চূড়ান্ত ধাপ, যেখানে প্রার্থীদের ব্যক্তিত্ব এবং যোগাযোগ দক্ষতা যাচাই করা হয়।
মূল্যায়নের মানদণ্ড: আত্মবিশ্বাস, জ্ঞান এবং প্রশ্নের সাথে সম্পর্কিত সঠিক উত্তর।
ফলাফল: উত্তীর্ণ প্রার্থীদের আজীবন সনদ প্রদান করা হয়।
মৌখিক পরীক্ষায় ভালো করতে হলে আত্মবিশ্বাস ধরে রাখা এবং সংক্ষিপ্ত কিন্তু প্রাসঙ্গিক উত্তর দেওয়া গুরুত্বপূর্ণ।
শিক্ষক নিবন্ধন প্রিলিমিনারি পরীক্ষার মানবন্টন
শিক্ষক নিবন্ধন প্রিলিমিনারি পরীক্ষার মানবন্টন প্রার্থীদের সঠিক প্রস্তুতিতে সহায়ক। পরীক্ষার বিষয় ও নম্বর বিন্যাস হলো:
বিষয়
নম্বর
বাংলা
২৫
ইংরেজি
২৫
গণিত
২৫
সাধারণ জ্ঞান
২৫
পরীক্ষার প্রতিটি বিষয়ের উপর সঠিক প্রস্তুতি নিলে সফলতার সম্ভাবনা বাড়ে।
শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার প্রস্তুতির কৌশল
১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন প্রস্তুতি সঠিকভাবে পরিচালনা করতে হলে কিছু নির্দিষ্ট কৌশল অনুসরণ করা প্রয়োজন। নিচে প্রস্তুতির জন্য কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ দেওয়া হলো:
১। নিয়মিত অধ্যয়ন
প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময় ধরে পড়াশোনা করুন।
প্রতিটি বিষয়ের মূল ধারণা পরিষ্কার করুন।
বাংলা, ইংরেজি, গণিত, সাধারণ জ্ঞান এর উপর সমান গুরুত্ব দিন।
২। সময় ব্যবস্থাপনা
প্রতিদিন অধ্যয়নের সময় নির্ধারণ করুন।
মডেল টেস্ট এর মাধ্যমে সময় ব্যবস্থাপনার অভ্যাস গড়ে তুলুন।
৩। নেগেটিভ মার্কিং এড়ানোর কৌশল
নিশ্চিত না হলে উত্তর না দেওয়াই ভালো।
সঠিক উত্তর দেওয়ার দিকে মনোযোগ দিন।
৪। রেফারেন্স বই
বিশ্বস্ত রেফারেন্স বই থেকে অধ্যয়ন করুন। এতে বিষয়বস্তুর গভীর জ্ঞান অর্জন করা সহজ হবে।
গুরুত্বপূর্ণ টিপস
শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার নিয়মাবলী মেনে পরীক্ষার প্রস্তুতি নিলে সফলতা অর্জন সম্ভব।
পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে সিলেবাস অনুসরণ করুন।
প্রিলিমিনারি, লিখিত, এবং মৌখিক পরীক্ষার জন্য আলাদা পরিকল্পনা তৈরি করুন।
আত্মবিশ্বাস বজায় রাখুন।
প্রায় জিজ্ঞাসিত প্রশ্নাবলী (FAQs)
১। শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার পাস নম্বর কত?
প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় পাস নম্বর ৪০%, এবং লিখিত পরীক্ষায় আলাদা মূল্যায়ন পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়।
২। মৌখিক পরীক্ষায় কী ধরনের প্রশ্ন করা হয়?
মৌখিক পরীক্ষায় সাধারণত বিষয়ভিত্তিক, সাধারণ জ্ঞান, এবং ব্যক্তিত্ব যাচাই সম্পর্কিত প্রশ্ন করা হয়।
৩। শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় কতবার অংশগ্রহণ করা যায়?
শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় অংশগ্রহণের কোনো নির্দিষ্ট সীমা নেই।
৪। সনদের মেয়াদ কতদিন?
শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার সনদ আজীবন কার্যকর থাকে।
৫। প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় নেগেটিভ মার্কিং কতটুকু?
প্রতিটি ভুল উত্তরের জন্য ০.২৫ নম্বর কাটা হবে।
৬। শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার ফলাফল কোথায় প্রকাশিত হয়?
NTRCA-এর অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে ফলাফল প্রকাশিত হয়।
৭। কোন ধরণের বই পড়া উচিত?
বিশ্বস্ত এবং সিলেবাসভিত্তিক রেফারেন্স বই পড়া উচিত।
৮। শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা কবে অনুষ্ঠিত হয়?
পরীক্ষার সময়সূচি NTRCA কর্তৃপক্ষ ঘোষণা করে।
শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার নিয়মাবলী | ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন প্রস্তুতি | শিক্ষক নিবন্ধন প্রিলিমিনারি পরীক্ষার মানবন্টন সম্পর্কে সঠিক ধারণা থাকলে পরীক্ষায় সফল হওয়া সহজ। সঠিক প্রস্তুতি এবং আত্মবিশ্বাসের মাধ্যমে প্রতিটি ধাপ সহজেই উত্তীর্ণ হওয়া সম্ভব। শিক্ষকতার মতো মহান পেশায় যুক্ত হতে এই নিবন্ধন পরীক্ষার প্রস্তুতিতে মনোযোগ দিন এবং সফল হন।
শিক্ষক নিবন্ধন নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রত্যাশী সকল পাঠক পাঠিকাদের আমাদের ওয়েবসাইটে স্বাগতম। আশা করি আল্লাহর রহমতে ভালো আছেন। আজকের আর্টিকেলে আমরা বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ কর্তৃক নতুন নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করবো।
বেসরকারি শিক্ষকদের নিবন্ধন ও যোগ্যতা যাচাই করার জন্য বাংলাদেশ সরকার ২০০৫ সালে এনটিআরসিএ নামে একটি স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান গঠন করে। এর সদর দপ্তর ঢাকার রমনা এলাকায় অবস্থিত।
১৯ তম শিক্ষক নিবন্ধন সার্কুলার ২০২৪
আপনারা অনেকেই এনটিআরসিএ নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি অর্থাৎ বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ কর্তৃক নতুন নিবন্ধন সার্কুলার এর জন্য অপেক্ষা করছেন? তো তাদের জন্য আজকের আলোচনা।
বর্তমান চাকরির বাজারে একটি সরকারি চাকরি সোনার হরিণের মতো রূপ নিয়েছে। এছাড়া আপনার সঠিক যোগ্যতা থাকার পরেও চাকরি নিতে হচ্ছে ঘুষ প্রদান করে। এছাড়া বিভিন্ন কারণে চাকরি বাজার পরিস্থিতি খুবই খারাপ ধারণ করেছে। তবে আমি আপনাদের এতোটুকু শিওর করে বলতে পারি-আপনার যদি সঠিক যোগ্যতা এবং মেধা সম্পন্ন হয়ে থাকেন! তাহলে অবশ্যই আপনার সরকারি বা বেসরকারি চাকরি হওয়ার সম্ভাবনা 100%।
খুব সহজেই বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ এর শিক্ষক নিবন্ধনে অংশগ্রহণ করে আপনি আপনার চাকরি নিশ্চিত করতে পারেন। এখানে আপনার ঘুষ ছাড়াই সঠিক মেধা মূল্যায়নের মাধ্যমে চাকরিতে নিয়োগ দেওয়া হয়ে থাকে।
19th Ntrca Shikkhok Nibondhan 2024
২০২৪ সালের শিক্ষক নিবন্ধন নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি এনটিআরসিএ অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে। আপনারা যারা শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে চান তারা আমাদের ওয়েবসাইট থেকে অথবা বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ এর অফিশিয়াল ওয়েবসাইট থেকে নিবন্ধন নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি সংক্রান্ত সকল তথ্য পেয়ে যাবেন।
এনটিআরসিএ কর্তৃক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে শুধুমাত্র নিবন্ধন সনদ অর্জনকারী এবং ১৫ তম শিক্ষক নিবন্ধন, ১৬ তম শিক্ষক নিবন্ধন এবং ১৭ তম শিক্ষক নিবন্ধন বাসকৃত ব্যক্তিরা আবেদন করতে পারবেন। এছাড়া আপনারা যারা আবেদন করতে চান? তাদেরকে অবশ্যই নিবন্ধন প্রিলিমিনারি, লিখিত এবং ভাইবা পরীক্ষায় পাস করে আবেদন করতে হবে।
এনটিআরসিএ নিবন্ধন সার্কুলার 2024 একনজরে
১। নিয়োগ প্রতিষ্ঠানের নামঃ বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ। এটি একটি বেসরকারি সংস্থা। যার মাধ্যমে বাংলাদেশের সকল বেসরকারি স্কুল ও কলেজ পর্যায়ে শিক্ষক শিক্ষিকা নিয়োগ করা হয়ে থাকে।
২। নিবন্ধন সার্কুলার ২০২৪ঃ ১৮ তম শিক্ষক নিবন্ধনের সকল কার্যক্রম শেষ হলে 19 তম শিক্ষক নিবন্ধন সার্কুলার প্রকাশ করা হবে। আর এভাবেই এনটিআরসিএ এর সকল নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি চলমান থাকবে। নিবন্ধন সার্কুলার প্রকাশ করা মাত্র আমাদের ওয়েবসাইটে দেখতে পারব…
৩। চাকরির সময় সূচিঃ এটি স্থায়ী চাকরি হিসেবে রয়েছে এবং পদ অনুযায়ী পদোন্নতির ব্যবস্থা রয়েছে।
৪। এনটিআরসিএ শুন্যপদঃ এনটিআরসিএ এর শূন্য পদ নির্দিষ্ট নয়। প্রতিবছর শুন্য পদের সংখ্যা কম বেশি হতে পারে। অর্থাৎ শূন্য পদের বিপরীতে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়ে থা…
৫। শিক্ষাগত যোগ্যতাঃ আবেদন করতে হলে অবশ্যই আপনাকে যোগ্যতা সম্পন্ন হতে হবে। আপনি যদি স্কুল দুই পর্যায়ে আবেদন করতে চান? তাহলে অবশ্যই এইচএসসি অথবা সমমান পরীক্ষায় পাস করতে হবে। আর যদি হাইস্কুল পর্যায়ে অথবা কলেজ পর্যায়ে আবেদন করতে চান? তাহলে অবশ্যই স্নাতক বা স্নাতকোত্তর পাশ করতে হবে।
৬। আবেদন শুরু ও শেষ তারিখঃ নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পর প্রায় ৩০ দিন সময় দিয়ে থাকে। অতএব নতুন নিবন্ধন সার্কুলার প্রকাশ করা হলে আবেদন করার শুরু ও শেষ সময় জানিয়ে দেওয়া হবে অথবা নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি থেকে জানতে পারবেন।
৭। শিক্ষক নিবন্ধন আবেদনঃ শিক্ষক নিবন্ধন আবেদন করার ওয়েবসাইটটি হলো- http://ntrca.teletalk.com.bd
৮। বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ অফিসিয়াল ওয়েবসাইট হল- http://www.ntrca.gov.bd
১৯ তম শিক্ষক নিবন্ধন আবেদন করার নিয়ম ২০২৪
এনটিআরসিএ চাকরিতে আবেদন করতে চান? চিন্তার কিছু নেই! এই নির্দেশিকাটি আপনাকে ধাপে ধাপে সহায়তা করবে।
১।
ওয়েবসাইটে যান:http://ngi.teletalk.com.bd এই ঠিকানায় গিয়ে এনটিআরসিএ চাকরির আবেদনের ওয়েবসাইটে প্রবেশ করুন।
আবেদন শুরু করুন: “Apply Now” বাটনে ক্লিক করে আবেদন প্রক্রিয়া শুরু করুন।
২।
পদ নির্বাচন করুন: আপনি যে পদে আবেদন করতে চান, তা নির্বাচন করুন।
মেম্বারশিপ: যদি আপনি অল জবস টেলিটকের প্রিমিয়াম মেম্বার হন, তাহলে “Yes” চিহ্নিত করুন। নাহলে “No” চিহ্নিত করুন।
৩।
ফরম পূরণ করুন: নির্দেশনা অনুযায়ী সঠিক তথ্য দিয়ে আবেদন ফরমটি পূরণ করুন।
ছবি ও স্বাক্ষর আপলোড করুন: নির্ধারিত আকারের পরিষ্কার ছবি ও স্বাক্ষর আপলোড করুন।
৪।
জমা দিন: সব তথ্য ঠিকঠাকভাবে পূরণ করে “Submit” বাটনে ক্লিক করে আবেদন জমা দিন।
প্রিন্ট করুন: আবেদন জমা দেওয়ার পর ফরমটি প্রিন্ট করে রাখুন।
১৯ তম শিক্ষক নিবন্ধন সার্কুলার ২০২৫ | 19th Ntrca Circular 2025
শিক্ষক নিবন্ধন বাংলাদেশের শিক্ষাব্যবস্থায় একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রক্রিয়া, যা সঠিক ও যোগ্য শিক্ষক নির্বাচন করতে সহায়ক। ১৯ তম শিক্ষক নিবন্ধন সার্কুলার ২০২৫ | 19th Ntrca Circular 2025 দেশের বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে শিক্ষক নিয়োগের জন্য এনটিআরসিএ (বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ) প্রতিবছর একটি বিস্তারিত বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে।
এই সার্কুলারটি দেশের শিক্ষক প্রার্থীদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক, কারণ এর মাধ্যমে তারা শিক্ষক পদে আবেদন করতে পারেন। এই নিবন্ধন প্রক্রিয়া সকল প্রার্থীর জন্য একটি বড় সুযোগ, যাতে তারা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার মাধ্যমে একটি সরকারি স্বীকৃত চাকরি পেতে পারেন। আজকের নিবন্ধে, আমরা ১৯ তম শিক্ষক নিবন্ধন সার্কুলার ২০২৫ | 19th Ntrca Circular 2025 সম্পর্কে বিস্তারিত জানব, যা শিক্ষক নিয়োগ প্রার্থীদের জন্য অপরিহার্য তথ্য হতে পারে।
১৯ তম শিক্ষক নিবন্ধন সার্কুলার ২০২৫
১৯ তম শিক্ষক নিবন্ধন সার্কুলার ২০২৫ সবার জন্য গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এটি শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়ার প্রথম ধাপ হিসেবে গণ্য হয়। এতে প্রার্থীদের আবেদন ফরম পূরণ থেকে শুরু করে পরীক্ষা গ্রহণ পর্যন্ত বিভিন্ন পদক্ষেপের বিস্তারিত বর্ণনা থাকে। শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার সময়সূচী, পরীক্ষার ফি, আবেদন প্রক্রিয়া এবং শিক্ষাগত যোগ্যতা সম্পর্কে বিভিন্ন তথ্য দেওয়া থাকে। প্রার্থীকে এই বিজ্ঞপ্তির প্রতিটি অংশ খুঁটিনাটি দেখে নিশ্চিতভাবে আবেদন করতে হবে।
বিজ্ঞপ্তির প্রকাশ তারিখ এবং আবেদন প্রক্রিয়া
২০২৫ সালে ১৯ তম শিক্ষক নিবন্ধন সার্কুলার ২০২৫ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হবে, তবে নির্দিষ্ট তারিখ এখনও ঘোষণা করা হয়নি। তবে, সাধারণত এটি প্রতি বছর মার্চ বা এপ্রিল মাসে প্রকাশিত হয়। আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হবে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পর এবং ntrca.teletalk.com.bd ওয়েবসাইটে আবেদন ফরম পূরণের জন্য প্রার্থীদের নির্দেশনা দেওয়া হবে। এই প্রক্রিয়া সম্পূর্ণভাবে অনলাইন ভিত্তিক। প্রার্থীকে আবেদন ফরম পূরণ করতে হবে এবং তার পরিমাণ ফি জমা দিতে হবে।
শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা পর্যায়
১৯ তম শিক্ষক নিবন্ধন সার্কুলার ২০২৫ অনুযায়ী, শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার কয়েকটি ধাপ রয়েছে। এটি সাধারণত তিনটি পর্যায়ে অনুষ্ঠিত হয়: প্রিলিমিনারি পরীক্ষা, লিখিত পরীক্ষা এবং মৌখিক পরীক্ষা। প্রথম ধাপে প্রিলিমিনারি পরীক্ষার মাধ্যমে প্রার্থীদের মেধা যাচাই করা হয়, যার মাধ্যমে ১০০ নম্বরের পরীক্ষায় ৪০ নম্বর পেলে প্রার্থী কৃতকার্য হন।
শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার বিষয়সমূহ
১৯ তম শিক্ষক নিবন্ধন সার্কুলার ২০২৫ পরীক্ষায় মোট চারটি বিষয়ের ওপর পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে:
বাংলা: ২৫ নম্বর
ইংরেজি: ২৫ নম্বর
গণিত: ২৫ নম্বর
সাধারণ জ্ঞান: ২৫ নম্বর
এটি একটি সাধারণ পরীক্ষার কাঠামো যেখানে বাংলা, ইংরেজি, গণিত এবং সাধারণ জ্ঞান এর মধ্যে প্রতিটি বিষয়ে ২৫ নম্বর থাকবে। প্রার্থীকে এই পরীক্ষায় মোট ৪০ নম্বর পেলে তিনি পরবর্তী ধাপে উত্তীর্ণ হতে পারবেন।
লিখিত পরীক্ষা এবং মৌখিক পরীক্ষা
লিখিত পরীক্ষার পর, প্রার্থীদের মৌখিক পরীক্ষার জন্য নির্বাচিত করা হয়। মৌখিক পরীক্ষায়, প্রার্থীকে ২০ নম্বরের মধ্যে ১২ নম্বর অর্জন করতে হবে যাতে তিনি মেধা তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হতে পারেন। এটি শিক্ষকের যোগ্যতা ও সামর্থ্য যাচাইয়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
নির্ধারিত পরীক্ষার কেন্দ্রসমূহ
প্রাথমিক পরীক্ষার কেন্দ্রগুলি দেশের ২৪টি জেলা শহরে অনুষ্ঠিত হবে। লিখিত পরীক্ষার কেন্দ্রগুলি মোট ৮টি বিভাগীয় শহরে হবে, এবং মৌখিক পরীক্ষা প্রার্থীকে তাদের কাছে জানানো হবে এসএমএসের মাধ্যমে।
প্রিলিমিনারি টেস্টের জন্য প্রস্তুতি
১৯ তম শিক্ষক নিবন্ধন সার্কুলার ২০২৫ অনুসারে, প্রিলিমিনারি পরীক্ষা একটি কঠিন পরীক্ষা। এটি চারটি বিষয়ে বিভক্ত, এবং প্রার্থীদের প্রতিটি বিষয়ে ভাল প্রস্তুতি নিতে হবে। সাধারণত, বাংলা, ইংরেজি, গণিত এবং সাধারণ জ্ঞান এই চারটি বিষয়ে প্রশ্ন করা হয়। পরীক্ষার প্রস্তুতি নিতে, প্রার্থীদের সঠিক প্রস্তুতি সহ প্রশ্নব্যাংক এবং অন্যান্য শিক্ষামূলক উপকরণ ব্যবহার করতে হবে।
আবেদন ফি এবং নিয়মাবলী
প্রার্থীকে আবেদন ফি হিসাবে ৩৫০ টাকা জমা দিতে হবে, যা Teletalk প্রিপেইড মোবাইল নম্বরে দুটি এসএমএসের মাধ্যমে প্রদান করা হবে। এই ফি জমা দেওয়ার পর, প্রার্থী তার User ID এবং Password পাবেন, যা দিয়ে তিনি প্রবেশপত্র ডাউনলোড করতে পারবেন।
ফলাফল প্রকাশ এবং পরবর্তী পদক্ষেপ
লিখিত পরীক্ষা শেষে ফলাফল প্রকাশ করা হবে। উত্তীর্ণ প্রার্থীদের মৌখিক পরীক্ষার জন্য নির্বাচিত করা হবে। মৌখিক পরীক্ষার জন্য সংশ্লিষ্ট প্রার্থীরা এসএমএসের মাধ্যমে তারিখ, সময় এবং স্থান সম্পর্কে জানানো হবে।
নির্দিষ্ট শর্তাবলী এবং গুরুত্বপূর্ণ তথ্য
প্রার্থীকে পরীক্ষার কেন্দ্রে কোনও ইলেকট্রনিক ডিভাইস, গহনা বা অলংকার নিয়ে আসা নিষেধ।
ভুল তথ্য প্রদান করলে প্রার্থীর প্রার্থিতা বাতিল হয়ে যাবে।
প্রার্থীর সব তথ্য সঠিক হতে হবে, এবং আবেদনপত্রে দেওয়া তথ্য সঠিক না হলে প্রার্থীর আবেদন বাতিল হয়ে যাবে।
ফ্রিকুয়েন্টলি আস্কড কুয়েশ্চন্স (FAQ)
১৯ তম শিক্ষক নিবন্ধন সার্কুলার ২০২৫ কখন প্রকাশিত হবে?
সার্কুলারটি সাধারণত মার্চ বা এপ্রিল মাসে প্রকাশিত হয়, তবে তারিখ নিশ্চিত হতে হবে।
শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার ফি কত?
৩৫০ টাকা।
কীভাবে প্রবেশপত্র ডাউনলোড করা যাবে?
পরীক্ষার ফি জমা দেওয়ার পর, প্রার্থী User ID এবং Password পেয়ে প্রবেশপত্র ডাউনলোড করতে পারবেন।
শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতি কিভাবে নেব?
বাংলা, ইংরেজি, গণিত এবং সাধারণ জ্ঞান বিষয়ে প্রস্তুতি নিতে হবে, এবং প্রশ্নব্যাংক ব্যবহার করতে হবে।
শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার ফলাফল কখন প্রকাশিত হবে?
লিখিত পরীক্ষার পর ফলাফল প্রকাশিত হবে, এরপর মৌখিক পরীক্ষার জন্য নির্বাচিত প্রার্থীরা জানানো হবে।
এই নিবন্ধে আমরা আলোচনা করেছি ১৯ তম শিক্ষক নিবন্ধন সার্কুলার ২০২৫ | 19th Ntrca Circular 2025 সম্পর্কে সবকিছু, যা শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার প্রার্থীদের জন্য অপরিহার্য তথ্য। আশাকরি, এটি আপনাদের প্রস্তুতির জন্য সহায়ক হবে।
১৯ তম শিক্ষক নিবন্ধন পরিক্ষার সার্কুলার ২০২৪ | Nibondhon circular 2024: আসলামুআলাইকুম। আশা করি আল্লাহর রহমতে আপনারা সকলেই ভাল আছেন। উপরে টাইটেল দেখে বুঝতে পেরেছেন আজকে আমরা কি নিয়ে আলোচনা করতে যাচ্ছি। যাই হোক আজকের আর্টিকেলে আমরা ১৯ তম শিক্ষক নিবন্ধন সার্কুলার সম্পর্কে বিস্তারিত জানাতে যাচ্ছি।
শিক্ষক নিবন্ধন মূলত পরিচালনা করে থাকে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ [ এনটিআরসিএ]। প্রতিবছর শিক্ষক নিবন্ধন সার্কুলার প্রকাশ করে থাকে কর্তৃপক্ষ। ইতোমধ্যে ১৮ তম শিক্ষক নিবন্ধন সার্কুলার প্রকাশিত হয়েছে। এবং আশা করা যায় 2024 সালের মধ্যে ১৯ তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার সার্কুলার প্রকাশ করবে। তাই আপনারা যারা শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন এবং শিক্ষক নিবন্ধন সার্কুলার জন্য অপেক্ষা করছেন তাদের জন্য সুখবর।
শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে এবং অনেকেই জানতে চেয়েছেন কবে প্রকাশিত হতে পারে ১৮ তম শিক্ষক নিবন্ধনের লিখিত পরীক্ষার ফলাফল। আপনারা যারা ১৮ তম শিক্ষক নিবন্ধনের লিখিত পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছেন তাদের জন্য পূর্বের আর্টিকেলে শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার ফলাফল দেখার নিয়ম দেখানো হয়েছে। এছাড়া এখান থেকে শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার লিখিত ফলাফল দেখতে পারবেন।
এক নজরে ১৯তম এনটিআরসিএ নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০২৪
প্রতিষ্ঠানের নাম:
বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ)
নিয়োগ প্রকাশের তারিখ:
বিজ্ঞপ্তিতে দেখুন
পদের সংখ্যা:
বিজ্ঞপ্তিতে দেখুন
বয়সসীমা:
১৮-৩৫ বছর
শিক্ষাগত যোগ্যতা:
এইচএসসি/স্নাতক পাশ
চাকরির ধরন:
বেসরকারি
অফিসিয়াল ওয়েব সাইট:
www.ntrca.gov.bd
আবেদনের শুরু তারিখ:
বিজ্ঞপ্তিতে দেখুন
আবেদনের শেষ তারিখ:
বিজ্ঞপ্তিতে দেখুন
আবেদনের মাধ্যম:
অনলাইনে
নিয়োগ প্রকাশের সূত্র:
অফিসিয়াল ওয়েবসাইট
আবেদনের ঠিকানা:
http://ngi.teletalk.com.bd
১৯ তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় আবেদন করার নিয়ম ২০২৪
আপনারা যারা হাতের মোবাইল অথবা কম্পিউটার থেকে নিজে নিজেই যেকোনো চাকরির পরীক্ষায় আবেদন করতে চান? তারা সকলেই নিচের নিয়ম গুলো ফলো করলে খুব সহজেই শিক্ষক নিবন্ধনে নিজে আবেদন করতে পারবেন। চলুন দেখে নিয়ে যাক ১৯ তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় আবেদন করার নিয়ম-
১। শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় আবেদন করতে হলে প্রথমে যে কোন ব্রাউজারে গিয়ে www.ntrca.gov.bd এই অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে প্রবেশ করতে হবে।
২। এখানে আপনি 19 তম শিক্ষক নিবন্ধন সার্কুলার সম্পর্কিত বিভিন্ন তথ্য জেনে থাকবেন। এবং এখানে আপনি আপনার শিক্ষাগত যোগ্যতা অনুযায়ী কোন পদে আবেদন করতে পারবেন এবং কোন পদে আবেদন করবেন তা নিশ্চিত হবেন।
৩। তৃতীয় স্টেপে http://ngi.teletalk.com.bd এই ওয়েবসাইটে প্রবেশ করতে হবে। আর এখানে প্রবেশ করলে আপনার কাঙ্খিত 19 তম শিক্ষক নিবন্ধন সারকুলারে আবেদন করার প্রথম স্টেপ দেখতে পারবেন।
৪। এখানে দেখতে পারবেন 19 তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় আবেদন করুন। এখানে আপনি আপনার শিক্ষাগত যোগ্যতা অনুযায়ী প্রতিটি স্টেপ পূরণ করুন।
৫। সকল তথ্য পূরণ করা হলে সর্বশেষে আবেদনকারীর পাসপোর্ট সাইজের ছবি এবং আবেদনকারীর স্বাক্ষর আপলোড করুন।
৬। সর্বোপরি সকল তথ্য সঠিক এবং সফল নিয়ম মানতে বাধ্য টিক চিহ্ন দিয়ে সাবমিট করুন।
৭। এতে আপনাকে আবেদন ফরম প্রিন্ট অথবা পিডিএফ আকারে ডাউনলোড করে নেওয়ার পারমিট দেওয়া হবে। এখান থেকে আপনি আপনার আবেদন পত্র ডাউনলোড করে নিন অথবা আপনার ব্রাউজারে বা মোবাইলে সেভ করে রাখুন।
৮। আপনার আবেদন ফরমে শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার ইউজার আইডি এবং পাসওয়ার্ড দেখতে পারবেন। আবেদনকৃত ইউজার আইডি নিয়ে টেলিটক সিমের মাধ্যমে নির্দিষ্ট ফি প্রদান করুন।
নোটঃ অবশ্যই আবেদন করার ৭২ ঘণ্টার মধ্যে আবেদনটি পরিশোধ করুন। আবেদন ফি পরিশোধ না করলে আপনার আবেদনটি গ্রহণযোগ্য করা হবে না।
১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার যোগ্যতা ও পাস মার্ক
১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী প্রার্থীদের জন্য পাস করার জন্য কিছু নির্দিষ্ট যোগ্যতা ও মার্ক অর্জন করতে হবে। আসুন বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক:
প্রিলিমিনারি পরীক্ষা
মোট নম্বর: ১০০
পাস মার্ক: ৪০% (অর্থাৎ ১০০ এর মধ্যে কমপক্ষে ৪০ নম্বর)
বিষয়: সাধারণত বাংলা, ইংরেজি, গণিত এবং সাধারণ জ্ঞান থাকে।
লিখিত পরীক্ষা
মোট নম্বর: ১০০
পাস মার্ক: ৫০% (অর্থাৎ ১০০ এর মধ্যে কমপক্ষে ৫০ নম্বর)
বিষয়: প্রিলিমিনারিতে উত্তীর্ণ হওয়ার পর এই পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে হয়। এই পরীক্ষার বিষয়বস্তু প্রিলিমিনারির চেয়ে কিছুটা গভীর হতে পারে।
ভাইভা পরীক্ষা
মোট নম্বর: ২০
পাস মার্ক: ৪০% (অর্থাৎ ২০ এর মধ্যে কমপক্ষে ৮ নম্বর)
বিষয়: সাধারণত শিক্ষাগত যোগ্যতা, অভিজ্ঞতা, এবং শিক্ষকতা পেশার প্রতি আগ্রহ নিয়ে প্রশ্ন করা হয়।
নম্বর বণ্টন:
সার্টিফিকেট নম্বর: ১২
মৌখিক নম্বর: ৮
মনে রাখবেন:
ভাইভা পরীক্ষায় সহজে ফেল করা হয় না। তবে পাস করার জন্য নির্ধারিত ন্যূনতম নম্বর অর্জন করতে হবে।
পরীক্ষার সিলেবাস এবং নিয়মাবলী সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্যের জন্য NTRCA এর অফিশিয়াল ওয়েবসাইট দেখুন।
১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় সফল হতে হলে প্রিলিমিনারি, লিখিত এবং ভাইভা এই তিনটি পরীক্ষায়ই নির্ধারিত ন্যূনতম নম্বর অর্জন করতে হবে। পরীক্ষার জন্য ভালো করে প্রস্তুতি নিলে সফলতা অবশ্যই আসবে।
এমপিও স্কুল শিক্ষকের বেতন ও পেনশন সুবিধা
এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও কর্মচারীরা কীভাবে বেতন পান?
২০২১ সালের একটি নিয়ম অনুযায়ী, বেসরকারি স্কুল ও কলেজগুলো যদি সরকারের নির্দিষ্ট কিছু শর্ত মানে, তাহলে সেগুলোকে ‘এমপিওভুক্ত’ বলা হয়। এই এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও কর্মচারীরা সরকার থেকে বেতনের একটি অংশ পান।
এমপিও স্কুল শিক্ষকের বেতন কেমন হয়?
এই শিক্ষক ও কর্মচারীরা সরকারি কর্মচারীদের মতো একই ধরনের বেতন স্কেল অনুযায়ী বেতন পান। এই স্কেলকে ‘জাতীয় বেতন স্কেল ২০১৫’ বলা হয়।
সরকার প্রতি মাসে এই বেতনের একটি অংশ সোনালী ব্যাংকের মাধ্যমে সরাসরি স্কুল বা কলেজে পাঠায়।
বাকি অংশ স্কুল বা কলেজ নিজের খরচে দেয়।
এমপিও স্কুল শিক্ষকের অন্যান্য ভাতা:
বেতনের সাথে সাথে, শিক্ষক ও কর্মচারীরা আরো কিছু ভাতা পান। যেমন:
বাড়ি ভাড়ার জন্য ১০০০ টাকা
চিকিৎসার জন্য ৫০০ টাকা
আরো অন্যান্য ধরনের ভাতাও থাকতে পারে।
এমপিওভুক্ত স্কুল ও কলেজের শিক্ষকরা সরকার ও নিজের স্কুল থেকে মিলে বেতন পান। সরকার নির্ধারিত একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা দেয় এবং বাকি টাকা স্কুল দেয়। এছাড়াও, তারা বাড়ি ভাড়া, চিকিৎসা ইত্যাদির জন্য কিছু ভাতা পান।
‘এতদ্বারা সংশ্লিষ্ট সকলের জ্ঞাতার্থে জানানো যাচ্ছে যে, বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ) কর্তৃক ৩১/০৩/২০২৪ খ্রিঃ তারিখে প্রকাশিত ৫ম গণবিজ্ঞপ্তির আওতায় ১১/০৬/২০২৪ খ্রিঃ তারিখে ২২,০৩৩ জন প্রার্থীকে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের শূন্য পদে প্রাথমিকভাবে নির্বাচন করা হয়। নির্বাচিত প্রার্থীদের মধ্যে ১২ জন প্রার্থীর নিবন্ধন সনদ জাল পাওয়া যাওয়ায় তাদেরকে বাদ দিয়ে অবশিষ্ট ২২০২১ জন প্রার্থীকে পুলিশ/নিরাপত্তা ভেরিফিকেশন কার্যক্রম চলমান অবস্থায় নিয়োগের জন্য সুপারিশ করা হয়েছে।
সুপারিশপ্রাপ্ত প্রার্থী ও সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধানকে SMS যোগে অবহিত করা হয়েছে। নিয়োগ সুপারিশপ্রাপ্ত প্রার্থীগণকে এনটিআরসিএ এর ওয়েবসাইটে (www.ntrca.gov.bd) ৫ম গণবিজ্ঞপ্তি নামক সেবা বক্সে অথবা সরাসরি http://ngi.teletalk.com.bd লিংকে প্রবেশ করে স্ব স্ব ইউজার আইডি ও পাসওয়ার্ড ব্যবহারের মাধ্যমে নিয়োগ সুপারিশপত্র ডাউনলোড করে সুপারিশ পত্রে বর্ণিত প্রতিষ্ঠানে ১৯.০৯.২০২৪ খ্রিঃ তারিখের মধ্যে যোগদান করার জন্য অনুরোধ করা হলো।
২। পুলিশ/নিরাপত্তা ভেরিফিকেশন প্রতিবেদনে নিয়োগ সুপারিশপ্রাপ্ত প্রার্থী অনুপযুক্ত বিবেচিত হলে এ সুপারিশপত্র তাৎক্ষনিকভাবে বাতিল বলে গণ্য হবে এবং সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রার্থীকে অব্যাহতি প্রদান করবে।
৩। প্রার্থী যোগদানের নির্ধারিত তারিখের পরবর্তী ৭ (সাত) দিনের মধ্যে প্রতিষ্ঠান প্রধানগণ তাদের স্ব স্ব ইউজার আইডি ও পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে টেলিটকের http://ngi.teletalk.com.bd লিংকে প্রবেশ করে Joining Status অপশনে “Yes” ক্লিক করবেন। প্রার্থী যোগদান না করলে Joining Status-এ “No” ক্লিক করে Reason-এর ঘরে যোগদান না করার সম্ভাব্য কারণ উল্লেখ করবেন।
৪। কোন প্রার্থী কিংবা প্রতিষ্ঠান প্রধান টেকনিক্যাল কারণে SMS না পেলে এনটিআরসিএ-এর ওয়েবসাইট থেকে সুপারিশপ্রাপ্ত প্রার্থীদের তালিকা এবং নিয়োগ সুপারিশপত্র সংগ্রহ করতে পারবেন।
এমপিওভূক্ত শিক্ষক -কর্মচারীদের বেতন গ্রেড, অভিজ্ঞতা ও নিয়োগ যোগ্যতা ২০২৪
আপনারা অনেকেই হয়তো শিক্ষক হওয়ার স্বপ্ন দেখেন। এই স্বপ্ন পূরণের পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হলো শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা। বাংলাদেশে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক হতে চাইলে এই পরীক্ষা পাস করা বাধ্যতামূলক। চলুন নিম্নে থেকে আরো বিস্তারিত জেনে নেই।
আশা করা যায় ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধনের বিজ্ঞপ্তি খুব শীঘ্রই প্রকাশিত হতে পারে। এনটিআরসিএ (বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ) সূত্রে এমনটাই জানা গেছে। সকল আপডেট পেতে আমাদের সাথেই থাকুন।
১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন পরিক্ষা
দেশের বিভিন্ন স্কুল-কলেজে শিক্ষকের অনেক পদ খালি রয়েছে। ১৮তম নিবন্ধনের মাধ্যমে সবগুলো পদ পূরণ করা সম্ভব হবে না। তাই সরকার আরও একটি নিবন্ধনের ব্যবস্থা করছে।
কখন ১৯ তম নিবন্ধন বিজ্ঞপ্তি আসবে?
১৮তম নিবন্ধনের মৌখিক পরীক্ষা শেষ হওয়ার পরপরই ১৯তম নিবন্ধনের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হবে। আশা করা যায়, চলতি বছরের মধ্যেই এই বিজ্ঞপ্তি বের হবে।
১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন পরিক্ষা পাশে করনীয়
নিয়মিত আপডেট থাকুন: এনটিআরসিএর ওয়েবসাইট এবং সংবাদপত্রের শিক্ষা বিষয়ক পাতা নিয়মিত দেখুন।
প্রস্তুতি শুরু করুন: বিজ্ঞপ্তি আসার আগে থেকেই বিষয়ভিত্তিক প্রস্তুতি শুরু করে দিন।
মডেল টেস্ট দিন: বিভিন্ন কোচিং সেন্টার বা অনলাইনে পাওয়া মডেল টেস্ট দিয়ে নিজেকে মূল্যায়ন করুন।
পূর্বের প্রশ্নপত্র অধ্যয়ন করুন: পূর্বের নিবন্ধনের প্রশ্নপত্র অধ্যয়ন করে পরীক্ষার ধরন সম্পর্কে ধারণা নিন।
১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন এটি আপনার জন্য একটি সুবর্ণ সুযোগ। শিক্ষকতা পেশা একটি মহান পেশা। এখানে আপনি শুধু নিজেকে গড়ে তুলবেন না, অন্যকেও গড়ে তুলতে পারবেন। তাই এই সুযোগটি কাজে লাগান এবং আপনার স্বপ্ন পূরণ করুন।
১৯ তম শিক্ষক নিবন্ধন আবেদনের শেষ তারিখ | ১৯ তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার সময়সূচী | শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার প্রস্তুতি
শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। ১৯ তম শিক্ষক নিবন্ধন আবেদনের শেষ তারিখ, পরীক্ষার সময়সূচী, এবং পরীক্ষার প্রস্তুতি নিয়ে সঠিক তথ্য জানা অত্যন্ত প্রয়োজন। এই নিবন্ধে আমরা এই বিষয়গুলো নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করব। এটি কেবল শিক্ষার্থীদের জন্য নয়, বরং যেকোনো আগ্রহী প্রার্থীর জন্য অত্যন্ত উপযোগী একটি গাইড।
১৯ তম শিক্ষক নিবন্ধন আবেদনের শেষ তারিখ
১৯ তম শিক্ষক নিবন্ধন আবেদনের শেষ তারিখ হলো সেই সময়সীমা যার মধ্যে প্রার্থীরা আবেদন করতে পারবেন। আবেদনের সময়সীমা নির্ধারণ করে দেয় বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ)।
আবেদন করার আগে অবশ্যই প্রয়োজনীয় যোগ্যতা যাচাই করে নিন এবং সঠিক তথ্য দিয়ে ফর্ম পূরণ করুন।
১৯ তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার সময়সূচী
১৯ তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার সময়সূচী সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে হলে এনটিআরসিএ’র নির্দেশিকা অনুসরণ করা জরুরি। সাধারণত পরীক্ষা তিন ধাপে সম্পন্ন হয়: প্রিলিমিনারি, লিখিত এবং মৌখিক।
পর্যায়
সময়কাল
পূর্ণমান
পাস নম্বর
প্রিলিমিনারি
১ ঘণ্টা
১০০
৪০%
লিখিত
৩ ঘণ্টা
১০০
এনটিআরসিএ নির্ধারিত
মৌখিক
নির্ধারিত সময়
–
–
পরীক্ষার সম্ভাব্য তারিখ:
প্রিলিমিনারি: মার্চ ২০২৫
লিখিত: মে ২০২৫
মৌখিক: জুলাই ২০২৫
শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার প্রস্তুতি
সফলভাবে পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হলে সঠিক প্রস্তুতি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নিচে কিছু কার্যকরী প্রস্তুতি টিপস দেওয়া হলো:
প্রস্তুতি শুরু করার সেরা উপায়
সিলেবাস বুঝে নিন: প্রিলিমিনারি ও লিখিত পরীক্ষার সিলেবাস ভালোভাবে অধ্যয়ন করুন।
পূর্ববর্তী বছরের প্রশ্নপত্র সমাধান করুন: বিগত ১০ বছরের প্রশ্ন বিশ্লেষণ করে উত্তর লেখার অভ্যাস তৈরি করুন।
গুরুত্বপূর্ণ বিষয় চিহ্নিত করুন:
বাংলা: ব্যাকরণ, বাগধারা।
ইংরেজি: গ্রামার, অনুবাদ।
গণিত: শতকরা, লাভ-ক্ষতি।
সাধারণ জ্ঞান: চলতি ঘটনা।
সময় ব্যবস্থাপনা
প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময় অধ্যয়ন করুন।
গুরুত্বপূর্ণ টপিকগুলোর জন্য আলাদা নোট তৈরি করুন।
নিয়মিত মক টেস্ট দিন।
শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার পদ্ধতি
শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা তিনটি ধাপে হয়:
প্রিলিমিনারি পরীক্ষা:
১০০ নম্বর।
সাধারণ জ্ঞান, বাংলা, ইংরেজি, এবং গণিত।
লিখিত পরীক্ষা:
বিস্তারিত এবং বর্ণনামূলক।
বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন।
মৌখিক পরীক্ষা:
বিষয়ভিত্তিক দক্ষতা যাচাই।
শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষাঃ
১৯ তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়া মানে একটি যোগ্যতাসম্পন্ন সনদ পাওয়া। এই সনদ দিয়ে প্রার্থীরা বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক পদে আবেদন করতে পারবেন।
গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ও উত্তর (FAQs)
প্রশ্ন ১: ১৯ তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার জন্য ন্যূনতম যোগ্যতা কী?
উত্তর: ন্যূনতম স্নাতক ডিগ্রি এবং ১৮-৩৫ বছরের মধ্যে বয়স।
প্রশ্ন ২: নিবন্ধন পরীক্ষার আবেদন কোথায় করা যাবে?
উত্তর: এনটিআরসিএ’র অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে।
প্রশ্ন ৩: আবেদন ফি কত?
উত্তর: প্রার্থীদের ৩৫০ টাকা ফি প্রদান করতে হয়।
প্রশ্ন ৪: পরীক্ষার জন্য কি আলাদা সিলেবাস দেওয়া হয়?
উত্তর: হ্যাঁ, প্রিলিমিনারি এবং লিখিত পরীক্ষার জন্য আলাদা সিলেবাস দেওয়া হয়।
প্রশ্ন ৫: লিখিত পরীক্ষার পাস নম্বর কত?
উত্তর: নির্ধারিত পাস নম্বর এনটিআরসিএ’র নির্দেশনায় উল্লেখিত থাকে।
প্রশ্ন ৬: শিক্ষক নিবন্ধন সনদ কতদিন বৈধ?
উত্তর: সনদটি অনির্দিষ্টকালের জন্য বৈধ।
প্রশ্ন ৭: অনলাইনে আবেদন করার জন্য কী ডকুমেন্ট প্রয়োজন?
উত্তর: প্রার্থীর জাতীয় পরিচয়পত্র, শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ।
প্রশ্ন ৮: পরীক্ষার ফলাফল কোথায় পাওয়া যাবে?
উত্তর: এনটিআরসিএ’র ওয়েবসাইটে।
১৯ তম শিক্ষক নিবন্ধন আবেদনের শেষ তারিখ, পরীক্ষার সময়সূচী এবং প্রস্তুতি সম্পর্কে জানার পর এখন সময় হলো সঠিক প্রস্তুতির মাধ্যমে নিজের লক্ষ্য অর্জন করা। সময়মতো আবেদন করুন এবং নিয়মিত অধ্যয়ন করে পরীক্ষার জন্য প্রস্তুত হন। শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা আপনার জন্য একটি বড় সুযোগ, তাই এটি যথাযথভাবে কাজে লাগান।
আসসালামু আলাইকুম আশা করি আল্লাহর রহমতে ভাল আছেন। ইতোমধ্যে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ কর্তৃক 18 তম শিক্ষক নিবন্ধনের লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এবং আশা করা যায় কিছুদিনের মধ্যেই ১৮তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা হবে। তবে তার আগেই ১৯ তম শিক্ষক নিবন্ধন নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করবে বলে জানিয়েছে এনটিআরসিএ।
বাংলাদেশের ইতিহাস ও সংস্কৃতি সম্পর্কে জ্ঞান থাকা অনেক চাকরির পরীক্ষার জন্য খুবই জরুরি। বিশেষ করে সরকারি চাকরির পরীক্ষায় মুক্তিযুদ্ধ এবং বীরশ্রেষ্ঠদের সম্পর্কে প্রশ্ন আসতে পারে। তাই এই তথ্যগুলি জানা থাকলে আপনার জন্য পরীক্ষা দেওয়া সহজ হবে।
আজকের আর্টিকেলে আমরা ১৯ তম শিক্ষক নিবন্ধন এর প্রস্তুতি স্বরূপ মুক্তিযুদ্ধ টপিক থেকে কিছু গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা আপনাদের মাঝে শেয়ার করব। আশা করি আজকের আর্টিকেলটি সম্পূর্ণ মনোযোগ সহকারে পড়লে আপনি যে কোন সরকারি বেসরকারি চাকরির পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতির সহায়ক হবে।
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে সর্বোচ্চ বীরত্বের পদক ‘বীরশ্রেষ্ঠ’। এই পদকপ্রাপ্ত সাতজন মুক্তিযোদ্ধা দেশের জন্য নিজেদের প্রাণের বিনিময়ে সর্বস্ব দান করেছিলেন। তারা বিভিন্ন বাহিনীতে কর্মরত ছিলেন এবং যুদ্ধের বিভিন্ন ময়দানে নিজেদের অসাধারণ বীরত্বের পরিচয় দিয়েছিলেন। তাদের মধ্যে কেউ যুদ্ধক্ষেত্রে শহীদ হলেও কেউ আবার দেশের বাইরে শহীদ হয়েছেন। তাদের সাহস, বীরত্ব এবং আত্মত্যাগের গল্প আজও বাঙালির মনে স্মরণীয় হয়ে আছে। এই বীরশ্রেষ্ঠদের জীবনী ও তাদের বলিদানের ইতিহাস পড়ে আমরা তাদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে পারি এবং মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হতে পারি।
বীরশ্রেষ্ঠদের অমর আত্মাহুতি: বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের স্মরণ
মুক্তিযুদ্ধের সর্বোচ্চ পদকপ্রাপ্ত বীরশ্রেষ্ঠরা ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশকে স্বাধীন করার জন্য নিজের প্রাণ দিয়েছিলেন অনেক বীর মুক্তিযোদ্ধা। তাদের মধ্যে সাতজনকে তাদের অসাধারণ বীরত্বের জন্য ‘বীরশ্রেষ্ঠ’ উপাধিতে ভূষিত করা হয়। এই পদক বাংলাদেশের সর্বোচ্চ সামরিক পুরস্কার। আজ আমরা তাদের স্মরণ করছি, তাদের বলিদানের কথা মনে করছি।
কোন কোন বীরশ্রেষ্ঠ ছিলেন? সংক্ষিপ্তভাবে
মুন্সি আব্দুর রউফ: ইপিআরের ল্যান্সনায়েক রউফ সাহেব সর্বপ্রথম বীরশ্রেষ্ঠ হিসেবে শহীদ হন।
মোহাম্মদ মোস্তফা কামাল: সেনাবাহিনীর সিপাহী কামাল সাহেবের বীরত্বের গল্প আজও সবার মনে আছে।
মতিউর রহমান: বিমান বাহিনীর ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান দেশের বাইরে শহীদ হওয়া একমাত্র বীরশ্রেষ্ঠ।
নূর মোহাম্মদ শেখ: ইপিআরের ল্যান্স নায়েক শেখ সাহেবের বীরত্বের গল্প আজও সবার মনে আছে।
হামিদুর রহমান: সেনাবাহিনীর সিপাহী হামিদুর রহমান সবচেয়ে কম বয়সী বীরশ্রেষ্ঠ ছিলেন।
মোহাম্মদ রুহুল আমিন: নৌ বাহিনীর ইঞ্জিনরুম আর্টিফিসার আমিন সাহেব সবচেয়ে বয়স্ক বীরশ্রেষ্ঠ ছিলেন।
মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর: সেনাবাহিনীর ক্যাপ্টেন জাহাঙ্গীর সাহেব সর্বশেষ শহীদ হওয়া বীরশ্রেষ্ঠ ছিলেন।
প্রত্যেক বীরশ্রেষ্ঠের নিজস্ব বীরত্বের গল্প রয়েছে। তারা যুদ্ধক্ষেত্রে অসাধারণ সাহস দেখিয়েছিলেন, শত্রুকে পরাস্ত করেছিলেন এবং নিজের জীবন দিয়ে দেশকে স্বাধীন করেছিলেন। তাদের বলিদানের ফলেই আমরা আজ স্বাধীন বাংলাদেশে বাস করতে পারছি।
৮ এপ্রিল, ১৯৭১ তারিখে রাঙামাটি জেলার নানিয়াচরের বাছড়ি নামক স্থানে। তিনি বীরশ্রেষ্ঠদের মধ্যে সর্বপ্রথম শহীদ হন।
১ নং সেক্টর
রাঙামাটি জেলার বুড়িঘাটে।
মোহাম্মদ মোস্তফা কামাল
সিপাহী, সেনাবাহিনী (বেঙ্গল রেজিমেন্ট)
১৬ ডিসেম্বর, ১৯৪৭; বরিশালের দৌলতখান থানার পশ্চিম হাজীপাড়া গ্রামে।
১৮ এপ্রিল, ১৯৭১ তারিখে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার আখাউড়ার দরুইন গ্রামে।
২ নং সেক্টর
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার আখাউড়ায়।
মতিউর রহমান
ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট, বিমান বাহিনী
২৯শে অক্টোবর, ১৯৪১; তৎকালীন ঢাকা (পুরান ঢাকা) জেলায়।
২০ আগস্ট, ১৯৭১ তারিখে পাকিস্তানের করাচির মশরুর বিমানঘাঁটিতে। তিনি দেশের মাটির বাইরে শহীদ হওয়া বীরশ্রেষ্ঠ।
প্রথমে পাকিস্তানের করাচির মশরুর বিমানঘাঁটিতে সমাহিত ছিলেন। পরবর্তীতে ২০০৬ সালে ঢাকার মিরপুরের শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে সমাহিত করা হয়।
নূর মোহাম্মদ শেখ
ল্যান্স নায়েক, ইপিআর
২৬শে ফেব্রুয়ারি, ১৯৩৬; যশোর জেলার অর্ন্তঃগত নড়াইল মহকুমার মহিষখোলা গ্রামে
৫ সেপ্টেম্বর, ১৯৭১ তারিখে যশোর জেলার গোয়ালহাটি গ্রামে।
৮ নং সেক্টর
প্রথমে ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের আমবাশার হাজিমারাছড়ায় সমাহিত ছিলেন। পরবর্তীতে ২০১০ সালে ঢাকার মিরপুরে শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে সমাহিত করা হয়।
হামিদুর রহমান
সিপাহী, সেনাবাহিনী (বেঙ্গল রেজিমেন্ট)
২রা ফেব্রুয়ারি, ১৯৫৩; ঝিনাইদহ জেলা শহরের অদুরে কালিগঞ্জের খদ্দখালিশপুর গ্রামে।
২৮ অক্টোবর, ১৯৭১ সালে মৌলভীবাজার জেলার ধলই (কমলগঞ্জ)-এ। তিনি বীরশ্রেষ্ঠদের মধ্যে সবচেয়ে কম বয়সী ছিলেন।
৪ নং সেক্টর
চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার শিবগঞ্জ উপজেলার ছোট সোনা মসজিদ প্রাঙ্গণে।
মোহাম্মদ রুহুল আমিন
ইঞ্জিনরুম আর্টিফিসার, নৌ বাহিনী
জুন, ১৯৩৫ সালের তৎকালীন নোয়াখালী (বর্তমান ফেনী) জেলার বাঘচাপড়া গ্রামে।
১০ই ডিসেম্বর, ১৯৭১ সালে। খুলনার রূপসা উপজেলার বাগমারা গ্রামে। তিনি বীরশ্রেষ্ঠদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি বয়সী ছিলেন।
২ নং সেক্টরের অধীনে (এপ্রিল-সেপ্টেম্বর পর্যন্ত); পরবর্তীতে ১০ নং সেক্টরে।
খুলনার রূপসা উপজেলার বাগমারা গ্রামে রূপসা নদীর তীরে।
মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর
ক্যাপ্টেন, সেনাবাহিনী, (বেঙ্গল রেজিমেন্ট)
৭ মার্চ, ১৯৪৯; বরিশাল জেলার বাবুগঞ্জ উপজেলার রহিমগঞ্জ গ্রামে।
১৪ ডিসেম্বর, ১৯৭১ সালে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলায়। তিনি বীরশ্রেষ্ঠদের মধ্যে সর্বশেষ শহীদ হয়েছিলেন।
৭ নং সেক্টর
চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার শিবগঞ্জ উপজেলার ছোট সোনা মসজিদ প্রাঙ্গণে।
মুন্সি আব্দুর রউফ: বাংলাদেশের বীরশ্রেষ্ঠ
মুন্সি আব্দুর রউফ বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের একজন অসাধারণ বীর যিনি সর্বপ্রথম বীরশ্রেষ্ঠ হিসেবে শহীদ হন। তিনি ইপিআর বাংলাদেশ রাইফেলসের একজন ল্যান্স নায়েক ছিলেন।
* পরিবার: সরল এক পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা ছিলেন স্থানীয় মসজিদের ঈমাম।
* শিক্ষা: স্থানীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পড়াশোনা করেন।
মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ
* ইপিআরে যোগদান: ১৯৬৩ সালে ইপিআরে যোগদান করেন।
* মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ: মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে তিনি সক্রিয়ভাবে যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন।
* বীরত্বপূর্ণ কর্মকাণ্ড: রাঙামাটিতে পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে তিনি অসাধারণ বীরত্ব প্রদর্শন করেন। একাধিক যুদ্ধে তিনি পাকিস্তানি সেনাদের হত্যা করেন এবং মুক্তিযোদ্ধাদের নেতৃত্ব দেন।
মুন্সি আব্দুর রউফ শহীদ হওয়া
* শহীদ হওয়ার তারিখ: ৮ এপ্রিল, ১৯৭১
* স্থান: রাঙামাটি জেলার নানিয়াচরের বাছড়ি নামক স্থানে।
* কীভাবে শহীদ হন: পাকিস্তানি বাহিনীর সঙ্গে এক যুদ্ধে তিনি গুরুতর আহত হন এবং পরে শহীদ হন।
মুন্সি আব্দুর রউফ বীরশ্রেষ্ঠ খেতাব
* বীরত্বের স্বীকৃতি: তাঁর অসাধারণ বীরত্বের জন্য মরণোত্তর তাকে বীরশ্রেষ্ঠ খেতাব দেওয়া হয়।
* প্রথম বীরশ্রেষ্ঠ: তিনিই বাংলাদেশের প্রথম বীরশ্রেষ্ঠ।
স্মরণ.
* সমাধি: রাঙামাটি জেলার বুড়িঘাটে তাঁর সমাধিস্থল রয়েছে।
* স্মৃতি স্থাপনা: তাঁর জন্মস্থানে এবং অন্যান্য স্থানে তাঁর নামে বিভিন্ন স্মৃতি স্থাপনা নির্মিত হয়েছে।
মুন্সি আব্দুর রউফ একজন আদর্শ মুক্তিযোদ্ধা যিনি দেশের জন্য নিজের প্রাণ দিয়েছেন। তাঁর বীরত্বের গল্প আজও বাঙালির মনে স্মরণীয় হয়ে আছে।
মোহাম্মদ মোস্তফা কামাল: এক বীরশ্রেষ্ঠের অমর গল্প
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের একজন অসাধারণ বীর ছিলেন মোহাম্মদ মোস্তফা কামাল। তিনি মুক্তিযুদ্ধে অসাধারণ বীরত্ব প্রদর্শনের জন্য বীরশ্রেষ্ঠ খেতাব লাভ করেন। আজও তাঁর বীরত্বের গল্প বাঙালির মনে স্মরণীয় হয়ে আছে।
কে ছিলেন মোহাম্মদ মোস্তফা কামাল?
জন্ম: ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৪৭; বরিশালের দৌলতখান থানার পশ্চিম হাজীপাড়া গ্রামে।
পদবী: সিপাহী, সেনাবাহিনী (বেঙ্গল রেজিমেন্ট)
শহীদ: ১৮ এপ্রিল, ১৯৭১ তারিখে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার আখাউড়ার দরুইন গ্রামে।
যুদ্ধরত সেক্টর: ২ নং সেক্টর
মুক্তিযুদ্ধে তাঁর অবদান
মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে কামাল সাহেব দেশের স্বাধীনতার জন্য লড়াইয়ে যোগ দেন। তিনি ২ নং সেক্টরে যুদ্ধ করেছিলেন। যুদ্ধক্ষেত্রে তিনি অসাধারণ বীরত্বের পরিচয় দিয়েছিলেন। পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে লড়াইয়ে তিনি সাহসিকতার পরিচয় দিয়েছিলেন। তাঁর নেতৃত্বে মুক্তিযোদ্ধারা অনেক যুদ্ধে বিজয়ী হয়েছিল।
কেন তাঁকে বীরশ্রেষ্ঠ দেওয়া হয়েছিল?
অসাধারণ বীরত্ব: তিনি যুদ্ধক্ষেত্রে অসাধারণ বীরত্ব প্রদর্শন করেছিলেন।
নেতৃত্ব: তিনি মুক্তিযোদ্ধাদের নেতৃত্ব দিয়ে অনেক যুদ্ধে বিজয়ী হয়েছিলেন।
আত্মত্যাগ: দেশের স্বাধীনতার জন্য তিনি নিজের জীবন উৎসর্গ করেছিলেন।
স্মরণীয় এক যোদ্ধা
মোহাম্মদ মোস্তফা কামালের মতো বীর মুক্তিযোদ্ধাদের বলিদানের ফলেই আমরা আজ স্বাধীন বাংলাদেশে বাস করতে পারছি। তাঁর বীরত্বের গল্প আজও বাঙালির মনে স্মরণীয় হয়ে আছে। আগামী প্রজন্মের কাছে তাঁর বীরত্বের গল্প তুলে ধরা আমাদের সকলের দায়িত্ব।
বীরশ্রেষ্ঠ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান: এক অসামান্য বীরের জীবন ও বলিদান
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমানের নাম স্বর্ণাক্ষরে লেখা। তিনি বাংলাদেশের সর্বোচ্চ বীরত্ব পুরস্কার বীরশ্রেষ্ঠ খেতাবপ্রাপ্ত সাতজন বীরের অন্যতম। বিশেষ করে তিনি দেশের বাইরে শহীদ হওয়া একমাত্র বীরশ্রেষ্ঠ হিসেবে ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লিখিত হয়ে আছেন।
জন্ম ও শিক্ষাজীবন
মতিউর রহমান ১৯৪১ সালের ২৯ অক্টোবর ঢাকার পুরান ঢাকার ১০৯ আগা সাদেক রোডের পৈত্রিক বাড়ি “মোবারক লজ”-এ জন্মগ্রহণ করেন। ঢাকা কলেজিয়েট স্কুল থেকে ষষ্ঠ শ্রেণী পাস করার পর সারগোদায় পাকিস্তান বিমান বাহিনী পাবলিক স্কুলে ভর্তি হন। ডিস্টিংকশনসহ মেট্রিক পরীক্ষায় সাফল্যের সাথে প্রথম বিভাগে উত্তীর্ণ হন। ১৯৬১ সালে বিমান বাহিনীতে যোগ দেন এবং ১৯৬৩ সালে রিসালপুর পি,এ,এফ কলেজ থেকে কমিশন লাভ করেন।
মুক্তিযুদ্ধে ভূমিকা
মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে মতিউর রহমান পাকিস্তান বিমান বাহিনীতে কর্মরত থাকা সত্ত্বেও দেশের স্বাধীনতার জন্য লড়াইয়ে যোগ দেন। ১৯৭১ সালের ২০ আগস্ট তিনি করাচির মশরুর বিমানঘাঁটি থেকে একটি টি-৩৩ প্রশিক্ষণ বিমান ছিনতাই করে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। কিন্তু বিমানটি সীমান্তের কাছে বিধ্বস্ত হয়ে পড়ে এবং তিনি শহীদ হন।
শহীদ হওয়ার ঘটনা
মতিউর রহমানের বিমান ছিনতাইয়ের ঘটনাটি ছিল অত্যন্ত সাহসিকতাপূর্ণ। তিনি নিজের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে দেশের স্বাধীনতার জন্য লড়াই করেছিলেন। তাঁর এই বলিদান বাংলাদেশের ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লেখা।
বীরশ্রেষ্ঠ খেতাব
মতিউর রহমানের অসাধারণ বীরত্বের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীরশ্রেষ্ঠ খেতাব প্রদান করে। তিনি বাংলাদেশের সর্বোচ্চ বীরত্ব পুরস্কারপ্রাপ্ত সাতজন বীরের অন্যতম।
স্মরণীয় এক বীর
মতিউর রহমানের মতো বীর মুক্তিযোদ্ধাদের বলিদানের ফলেই আমরা আজ স্বাধীন বাংলাদেশে বাস করতে পারছি। তাঁর বীরত্বের গল্প আজও বাঙালির মনে স্মরণীয় হয়ে আছে। আগামী প্রজন্মের কাছে তাঁর বীরত্বের গল্প তুলে ধরা আমাদের সকলের দায়িত্ব।
নূর মোহাম্মদ শেখ: এক অসাধারণ মুক্তিযোদ্ধার গল্প
নূর মোহাম্মদ শেখ, বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের একজন অসাধারণ বীর। তিনি তার অসাধারণ বীরত্বের জন্য বীরশ্রেষ্ঠ খেতাব লাভ করেন। ইপিআরের ল্যান্স নায়েক হিসেবে তিনি মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিলেন এবং তার বীরত্বের গল্প আজও বাঙালির মনে স্মরণীয় হয়ে আছে।
কে ছিলেন নূর মোহাম্মদ শেখ?
জন্ম: ২৬শে ফেব্রুয়ারি, ১৯৩৬; যশোর জেলার অর্ন্তঃগত নড়াইল মহকুমার মহিষখোলা গ্রামে
পদবী: ল্যান্স নায়েক, ইপিআর
শহীদ: ৫ সেপ্টেম্বর, ১৯৭১ তারিখে যশোর জেলার গোয়ালহাটি গ্রামে
যুদ্ধরত সেক্টর: ৮ নং সেক্টর
মুক্তিযুদ্ধে তাঁর অবদান
মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে নূর মোহাম্মদ শেখ দেশের স্বাধীনতার জন্য লড়াইয়ে যোগ দেন। তিনি ৮ নং সেক্টরে যুদ্ধ করেছিলেন। যুদ্ধক্ষেত্রে তিনি অসাধারণ বীরত্বের পরিচয় দিয়েছিলেন। পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে লড়াইয়ে তিনি সাহসিকতার পরিচয় দিয়েছিলেন। তাঁর নেতৃত্বে মুক্তিযোদ্ধারা অনেক যুদ্ধে বিজয়ী হয়েছিল।
কেন তাঁকে বীরশ্রেষ্ঠ দেওয়া হয়েছিল?
অসাধারণ বীরত্ব: তিনি যুদ্ধক্ষেত্রে অসাধারণ বীরত্ব প্রদর্শন করেছিলেন।
নেতৃত্ব: তিনি মুক্তিযোদ্ধাদের নেতৃত্ব দিয়ে অনেক যুদ্ধে বিজয়ী হয়েছিলেন।
আত্মত্যাগ: দেশের স্বাধীনতার জন্য তিনি নিজের জীবন উৎসর্গ করেছিলেন।
স্মরণীয় এক যোদ্ধা
নূর মোহাম্মদ শেখের মতো বীর মুক্তিযোদ্ধাদের বলিদানের ফলেই আমরা আজ স্বাধীন বাংলাদেশে বাস করতে পারছি। তাঁর বীরত্বের গল্প আজও বাঙালির মনে স্মরণীয় হয়ে আছে। আগামী প্রজন্মের কাছে তাঁর বীরত্বের গল্প তুলে ধরা আমাদের সকলের দায়িত্ব।
হামিদুর রহমান: বাংলাদেশের সর্বকনিষ্ঠ বীরশ্রেষ্ঠ
মাত্র ১৮ বছরেই অমর হয়ে রইলেন হামিদুর রহমান
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লেখা এক নাম হলো হামিদুর রহমান। সেনাবাহিনীর একজন সাধারণ সিপাহি হয়েও তিনি অসাধারণ বীরত্বের পরিচয় দিয়েছিলেন। মাত্র ১৮ বছর বয়সে তিনি মুক্তিযুদ্ধে শহীদ হয়েছিলেন এবং বীরশ্রেষ্ঠ খেতাব লাভ করেছিলেন।
হামিদুর রহমান কে ছিলেন?
জন্ম: ২ ফেব্রুয়ারি, ১৯৫৩; ঝিনাইদহ জেলার মহেশপুর উপজেলার খর্দ্দ খালিশপুর গ্রামে।
পদবী: সিপাহী, সেনাবাহিনী (বেঙ্গল রেজিমেন্ট)
শহীদ: ২৮ অক্টোবর, ১৯৭১; মৌলভীবাজার জেলার ধলই (কমলগঞ্জ)-এ।
যুদ্ধরত সেক্টর: ৪ নং সেক্টর
মুক্তিযুদ্ধে তাঁর অবদান
মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে হামিদুর রহমান দেশের স্বাধীনতার জন্য লড়াইয়ে যোগ দেন। তিনি ৪ নং সেক্টরে যুদ্ধ করেছিলেন। যুদ্ধক্ষেত্রে তিনি অসাধারণ বীরত্বের পরিচয় দিয়েছিলেন। পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে লড়াইয়ে তিনি সাহসিকতার পরিচয় দিয়েছিলেন। তাঁর নেতৃত্বে মুক্তিযোদ্ধারা অনেক যুদ্ধে বিজয়ী হয়েছিল।
কেন তাঁকে বীরশ্রেষ্ঠ দেওয়া হয়েছিল?
অসাধারণ বীরত্ব: তিনি যুদ্ধক্ষেত্রে অসাধারণ বীরত্ব প্রদর্শন করেছিলেন।
নেতৃত্ব: তিনি মুক্তিযোদ্ধাদের নেতৃত্ব দিয়ে অনেক যুদ্ধে বিজয়ী হয়েছিলেন।
আত্মত্যাগ: দেশের স্বাধীনতার জন্য তিনি নিজের জীবন উৎসর্গ করেছিলেন।
স্মরণীয় এক যোদ্ধা
হামিদুর রহমানের মতো বীর মুক্তিযোদ্ধাদের বলিদানের ফলেই আমরা আজ স্বাধীন বাংলাদেশে বাস করতে পারছি। তাঁর বীরত্বের গল্প আজও বাঙালির মনে স্মরণীয় হয়ে আছে। আগামী প্রজন্মের কাছে তাঁর বীরত্বের গল্প তুলে ধরা আমাদের সকলের দায়িত্ব।
হামিদুর রহমানের জীবন ও কর্ম:
শৈশব ও শিক্ষা: হামিদুর রহমানের শৈশব কেটেছে গ্রামের পরিবেশে। তিনি স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক শিক্ষা গ্রহণ করেছিলেন।
মুক্তিযুদ্ধে যোগদান: মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে তিনি দেশের স্বাধীনতার জন্য লড়াইয়ে যোগ দেন।
বীরত্বের গল্প: মুক্তিযুদ্ধের বিভিন্ন ঘটনায় তিনি অসাধারণ বীরত্বের পরিচয় দিয়েছিলেন। তাঁর নেতৃত্বে মুক্তিযোদ্ধারা অনেক যুদ্ধে বিজয়ী হয়েছিল।
শহীদ হওয়া: মাত্র ১৮ বছর বয়সে মৌলভীবাজার জেলার ধলই (কমলগঞ্জ)-এ তিনি শহীদ হন।
বীরশ্রেষ্ঠ খেতাব: তাঁর অসাধারণ বীরত্বের জন্য তাঁকে বীরশ্রেষ্ঠ খেতাব দেওয়া হয়।
বীরশ্রেষ্ঠ মোহাম্মদ রুহুল আমিন: এক আদর্শ নৌসেনার জীবন
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সর্বোচ্চ পদক ‘বীরশ্রেষ্ঠ’ পাওয়া সাতজন মুক্তিযোদ্ধার মধ্যে সবচেয়ে বয়স্ক ছিলেন মোহাম্মদ রুহুল আমিন। তিনি বাংলাদেশ নৌবাহিনীর একজন অভিজ্ঞ ইঞ্জিনরুম আর্টিফিসার ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে তাঁর অসামান্য অবদানের জন্য তিনি এই সম্মানজনক খেতাব লাভ করেন।
রুহুল আমিনের জীবন ও কর্ম
জন্ম: ১৯৩৫ সালে নোয়াখালীর বাঘচাপড়া গ্রামে।
শিক্ষা ও কর্মজীবন: তিনি নৌবাহিনীতে যোগদান করে ইঞ্জিনরুম আর্টিফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ: মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে তিনি নৌবাহিনী থেকে পালিয়ে মুক্তিযুদ্ধে যোগ দেন। প্রথমে ২ নং সেক্টরে এবং পরে ১০ নং নৌ সেক্টরে যুদ্ধ করেন।
বীরত্বের গল্প: তিনি যুদ্ধক্ষেত্রে অসাধারণ সাহস ও বীরত্বের পরিচয় দিয়েছিলেন। তিনি নৌযান মেরামত, যুদ্ধ জাহিজের ব্যবহার এবং অন্যান্য কৌশলগত কাজে বিশেষ দক্ষতা দেখিয়েছিলেন।
শহীদ: ১০ ডিসেম্বর, ১৯৭১ সালে খুলনায় শহীদ হন।
বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিন কেন বিশেষ?
বয়স্ক হয়েও যুদ্ধে অংশগ্রহণ: তিনি যখন মুক্তিযুদ্ধে যোগ দেন তখন তিনি বয়স্ক হয়েও নিজের জীবন দিয়ে দেশের স্বাধীনতার জন্য লড়াই করেছিলেন।
নৌবাহিনীর অভিজ্ঞতা: তাঁর নৌবাহিনীর অভিজ্ঞতা মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশ নৌবাহিনী গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিল।
সাহসিকতা ও দেশপ্রেম: যুদ্ধের ময়দানে তিনি অসাধারণ সাহস ও দেশপ্রেমের পরিচয় দিয়েছিলেন।
রুহুল আমিনের বলিদানের তাৎপর্য
মোহাম্মদ রুহুল আমিনের মতো বীর মুক্তিযোদ্ধাদের বলিদানের ফলেই আমরা আজ স্বাধীন বাংলাদেশে বাস করতে পারছি। তাঁর বীরত্বের গল্প আজও বাঙালির মনে স্মরণীয় হয়ে আছে। আগামী প্রজন্মের কাছে তাঁর বীরত্বের গল্প তুলে ধরা আমাদের সকলের দায়িত্ব।
বীরশ্রেষ্ঠ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর: এক অসাধারণ যোদ্ধার জীবন ও বলিদান
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সর্বশেষ শহীদ বীরশ্রেষ্ঠ ছিলেন ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর। তিনি তাঁর অসাধারণ বীরত্ব ও আত্মত্যাগের জন্য বাংলাদেশের সর্বোচ্চ সামরিক সম্মাননা “বীরশ্রেষ্ঠ” খেতাব লাভ করেন। আসুন জেনে নিই তাঁর জীবন ও বলিদানের গল্প।
কে ছিলেন ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর?
জন্ম: ৭ মার্চ, ১৯৪৯; বরিশাল জেলার বাবুগঞ্জ উপজেলার রহিমগঞ্জ গ্রামে।
শিক্ষা: মুলাদি মাহমুদ জান পাইলট হাইস্কুল থেকে এসএসসি, বরিশাল ব্রজমোহন কলেজ থেকে এইচএসসি এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিসংখ্যান বিভাগে অধ্যয়নরত অবস্থায় পাকিস্তান সেনাবাহিনীতে যোগদান।
সামরিক কর্মজীবন: ১৯৬৭ সালে পাকিস্তান সেনাবাহিনীতে যোগদান, ১৯৬৮ সালে ইঞ্জিনিয়ারিং কোরে কমিশন লাভ।
মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ: ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে পাকিস্তান সেনাবাহিনী থেকে পালিয়ে মুক্তিবাহিনীতে যোগদান। ৭ নং সেক্টরে মুক্তিবাহিনীর অধিনায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন।
শহীদ: ১৪ ডিসেম্বর, ১৯৭১; চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার মহানন্দা নদীর তীরে শত্রুদের সাথে যুদ্ধে শহীদ হন।
মুক্তিযুদ্ধে তাঁর অবদান
মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে ক্যাপ্টেন জাহাঙ্গীর পাকিস্তান সেনাবাহিনী থেকে পালিয়ে মুক্তিবাহিনীতে যোগ দেন। ৭ নং সেক্টরে তিনি অসাধারণ বীরত্বের পরিচয় দিয়েছিলেন। তাঁর নেতৃত্বে মুক্তিযোদ্ধারা অনেক যুদ্ধে বিজয়ী হয়েছিল। তিনি তাঁর দক্ষতা ও সাহসের বলে শত্রুদেরকে পরাস্ত করেছিলেন।
কেন তাঁকে বীরশ্রেষ্ঠ দেওয়া হয়েছিল?
অসাধারণ বীরত্ব: তিনি যুদ্ধক্ষেত্রে অসাধারণ বীরত্ব প্রদর্শন করেছিলেন।
নেতৃত্ব: তিনি মুক্তিযোদ্ধাদের নেতৃত্ব দিয়ে অনেক যুদ্ধে বিজয়ী হয়েছিলেন।
আত্মত্যাগ: দেশের স্বাধীনতার জন্য তিনি নিজের জীবন উৎসর্গ করেছিলেন।
স্মরণীয় এক যোদ্ধা
ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীরের মতো বীর মুক্তিযোদ্ধাদের বলিদানের ফলেই আমরা আজ স্বাধীন বাংলাদেশে বাস করতে পারছি। তাঁর বীরত্বের গল্প আজও বাঙালির মনে স্মরণীয় হয়ে আছে। আগামী প্রজন্মের কাছে তাঁর বীরত্বের গল্প তুলে ধরা আমাদের সকলের দায়িত্ব।
১৯ তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার ফলাফল নিয়ে প্রতীক্ষার অবসান কবে হবে? এ প্রশ্নটি এখন লাখো পরীক্ষার্থীর মনে। বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ) ১৯ তম নিবন্ধনের রেজাল্ট প্রকাশের জন্য নিয়মিত কাজ করছে।
শিক্ষক নিবন্ধন রেজাল্ট প্রকাশের সম্ভাব্য তারিখ
১৮তম নিবন্ধনের ফলাফলের সময়সীমা বিবেচনায়, ১৯ তম শিক্ষক নিবন্ধনের লিখিত পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করতে প্রাথমিক পর্যায়ে ৬০ দিনের সময় নির্ধারণ করা হতে পারে। তবে ফলাফল প্রকাশে নির্ভুলতা নিশ্চিত করতে সময় কিছুটা বেশি লাগতে পারে।
শিক্ষক নিবন্ধন ফলাফল প্রকাশ প্রক্রিয়া
১. লিখিত পরীক্ষার খাতা মূল্যায়ন: প্রথম পরীক্ষক এবং দ্বিতীয় পরীক্ষককে খাতা মূল্যায়নের জন্য নির্দিষ্ট সময় দেওয়া হবে। প্রথম পরীক্ষকের কাজ শেষ হলে খাতা দ্বিতীয় পরীক্ষকের কাছে পাঠানো হবে।
২. ফলাফল চূড়ান্তকরণ: সব খাতা মূল্যায়নের পর, ফলাফল চূড়ান্ত করা হবে। এনটিআরসিএ দ্রুত ফলাফল প্রকাশের জন্য প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা গ্রহণ করছে।
শিক্ষক নিবন্ধন রেজাল্ট দেখার পদ্ধতি
১৯ তম শিক্ষক নিবন্ধনের ফলাফল প্রকাশিত হলে, পরীক্ষার্থীরা এনটিআরসিএর অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে গিয়ে ফলাফল দেখতে পারবেন। ফলাফল দেখার ধাপ:
এনটিআরসিএ ওয়েবসাইটে প্রবেশ করুন।
“Result” মেনুতে ক্লিক করুন।
পরীক্ষার নাম এবং রোল নম্বর প্রদান করুন।
সাবমিট বাটনে ক্লিক করার পর ফলাফল দেখতে পারবেন।
বিশেষ দ্রস্টব্যঃ ফলাফল প্রকাশের নির্ধারিত তারিখ এনটিআরসিএর অফিসিয়াল নোটিশের মাধ্যমে জানানো হবে। পরীক্ষার্থীরা নিয়মিত এনটিআরসিএর ওয়েবসাইট চেক করতে পারেন।
১৯ তম শিক্ষক নিবন্ধন রেজাল্ট ২০২৫
১৯ তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার রেজাল্ট ২০২৫ কবে প্রকাশিত হবে? বাংলাদেশের শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (NTRCA) প্রতি বছর শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করে। ২০২৫ সালের ১৯ তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার রেজাল্টের তারিখ নিয়ে হাজারো পরীক্ষার্থী অপেক্ষা করছেন। সাধারণত, পরীক্ষার লিখিত এবং ভাইভা শেষ হওয়ার কিছু মাসের মধ্যেই ফলাফল প্রকাশিত হয়।
এবারের নিবন্ধন পরীক্ষার রেজাল্ট সম্পর্কে দ্রুত ও নির্ভুল তথ্য পেতে আপনি NTRCA এর অফিসিয়াল ওয়েবসাইট www.ntrca.gov.bd অথবা www.teletalk.com.bd ভিজিট করতে পারেন।
১৮ তম শিক্ষক নিবন্ধন লিখিত পরীক্ষার রেজাল্ট কবে দিবে
১৮ তম শিক্ষক নিবন্ধন লিখিত পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী সকল পাঠক পাঠিকাদের জন্য সুখবর। আসসালামু আলাইকুম আশা করি আল্লাহর রহমতে ভাল আছেন। আজকে রাতে গেলে আমরা 18 তম শিক্ষক নিবন্ধন লিখিত পরীক্ষার ফলাফল কবে প্রকাশিত হতে পারে তা নিয়ে আপনাদের মাঝে বিস্তারিত তুলে ধরব।
১৮ তম শিক্ষক নিবন্ধন লিখিত পরীক্ষা হওয়ার পরে পরে শুরু হয়েছে সারা দেশে কোটা আন্দোলনের প্রেক্ষাপট। এতে করে দেশের অনেক শিক্ষক শিক্ষার্থী এবং সাধারণ জনগণ আহত ও নিহত হয়েছেন। কোটা আন্দোলনের প্রেক্ষিতে শুরু হয়েছে সারা দেশে গোলযোগ। যাই হোক আজকে আমরা জানবো কবে 18 তম নিবন্ধন পরীক্ষার খাতা দেখা হতে হবে এবং রেজাল্ট প্রকাশিত হবে।
১৮ তম শিক্ষক নিবন্ধন রেজাল্ট ২০২৪ কবে
ইতোমধ্যে জানা গেছে ১৮ তম নিবন্ধন পরীক্ষার খাতা দেশে গোলযোগ থাকার কারণে এবং যানবাহন চলাচল করতে না পারায় লিখিত পরীক্ষার খাতা বিভিন্ন জায়গায় পাঠানো সম্ভব হয়নি। তবে আশা করা যায় কিছুদিনের মধ্যে অর্থাৎ যানবাহন চলাচল শিথিল হলে শিক্ষক নিবন্ধন লিখিত পরীক্ষার খাতা যথাসম্ভব পাঠিয়ে দেওয়া হবে।
লিখিত পরীক্ষার খাতা বিভিন্ন কেন্দ্রে পাঠানোর পরে দুই থেকে তিন মাস সময় লাগতে পারে খাতা দেখার জন্য। এবং সর্বোপরি চার মাসের মধ্যে 18 তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা হবে বলে আশা করা যায়।
১৮ তম নিবন্ধন পরীক্ষার রেজাল্ট দেখার নিয়ম ২০২৪
এনটিআরসিএ নিবন্ধন ফলাফল দেখার নিয়ম এনটিআরসিএ নিবন্ধন পরীক্ষার ফলাফল সাধারণত এনটিআরসিএর অফিশিয়াল ওয়েবসাইট এবং টেলিটকের মাধ্যমে প্রকাশ করা হয়।
ওয়েবসাইটের মাধ্যমে ফলাফল দেখার পদ্ধতি:
এনটিআরসিএর অফিশিয়াল ওয়েবসাইট: https://ntrca.gov.bd/ এ ভিজিট করুন।
ফলাফল সংক্রান্ত নোটিশ খুঁজে বের করুন।
নির্দেশনা অনুযায়ী আপনার রোল নম্বর এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় তথ্য প্রবেশ করান।
‘সাবমিট’ বাটনে ক্লিক করুন।
আপনার ফলাফল স্ক্রিনে প্রদর্শিত হবে।
টেলিটকের মাধ্যমে ফলাফল দেখার পদ্ধতি: সাধারণত এনটিআরসিএ পরীক্ষার ফলাফল টেলিটকের মাধ্যমে এসএমএস করেও জানানো হয়। এজন্য আপনাকে নির্দিষ্ট একটি ফরম্যাটে এসএমএS করতে হবে। ফরম্যাটটি সাধারণত এনটিআরসিএর নোটিশে উল্লেখ করা থাকে।
Read more
নিবন্ধন রেজাল্ট দেখার নিয়ম 18th NTRCA Result 2024 ntrca.teletalk.com.bd result 18th NTRCA Result 2024 PDF download